মুক্তপ্রেপ (Muktoprep)
0
সকল ব্লগ ও গাইডলাইনে ফিরে যান
ভূগোল ও পরিবেশ8 মিনিট পড়ার সময়১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

বিসিএস ভূগোল, পরিবেশ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা: ১০ নম্বরে ৮+ তোলার সেরা রূপরেখা ও টপিক লিস্ট

বাংলাদেশের ভূ-প্রকৃতি, সীমানা, ভূমিকম্প, ঘূর্ণিঝড় ও বৈশ্বিক জলবায়ু পরিবর্তন নিয়ে বিসিএস প্রিলিমিনারি ভূগোল অংশের পূর্ণাঙ্গ প্রস্তুতি গাইডলাইন।

লেখক: মুক্তপ্রেপ পরিবেশ ডেস্ক
মুক্তপ্রেপ এডুকেশনাল হাব

বিসিএস প্রিলিমিনারিতে ভূগোল ও পরিবেশের গুরুত্ব

বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষায় ভূগোল (বাংলাদেশ ও বিশ্ব), পরিবেশ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় নির্ধারিত থাকে ১০ নম্বর। সিলেবাসটি সংক্ষিপ্ত ও নির্দিষ্ট হওয়ায় একটু মনোযোগী হলে এখানে অনায়াসে ৮ থেকে ৯ নম্বর নিশ্চিত করা যায়।

নবম-দশম শ্রেণির ভূগোল ও পরিবেশ বোর্ড বই এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ব্যুরোর মৌলিক তথ্যাবলী থেকেই অধিকাংশ প্রশ্ন তৈরি হয়।


১. বাংলাদেশের ভূ-প্রকৃতি ও ভৌগোলিক অবস্থান

  • ভৌগোলিক স্থানাঙ্ক: বাংলাদেশ ২০°৩৪' উত্তর থেকে ২৬°৩৮' উত্তর অক্ষাংশ এবং ৮৮°০১' পূর্ব থেকে ৯২°৪১' পূর্ব দ্রাঘিমাংশের মধ্যে অবস্থিত।
  • কর্কটক্রান্তি রেখা (Tropic of Cancer): ২৩.৫° উত্তর অক্ষাংশ রেখাটি বাংলাদেশের প্রায় মধ্যভাগ দিয়ে অতিক্রম করেছে।
  • বাংলাদেশের ভূ-প্রাকৃতিক বিভাগ (৩টি):
  1. টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ (১২%): চট্টগ্রাম, পার্বত্য চট্টগ্রাম, সিলেট অঞ্চলের পাহাড়। সর্বোচ্চ শৃঙ্গ সাকা হাফং (বা তাজিংডং)।
  2. প্লাইস্টোসিন কালের সোপানসমূহ (৮%): বরেন্দ্রভূমি, মধুপুর ও ভাওয়ালের গড়, লালমাই পাহাড়। লালচে মাটির স্তর।
  3. সাম্প্রতিক কালের প্লাবন সমভূমি (৮০%): নদী বিধৌত পলি গঠিত অত্যন্ত উর্বর সমভূমি।

২. সীমানা ও আন্তর্জাতিক নদী

  • মোট সীমানা: ৫,১Mess (প্রায় ৪,৭১১ কিমি)।
  • ভারতের সাথে সীমান্ত: ৪,১৫৬ কিমি (সবচেয়ে দীর্ঘ)। ভারতের ৫টি রাজ্যের সাথে বাংলাদেশের সীমান্ত রয়েছে (পশ্চিমবঙ্গ, আসাম, মেঘালয়, ত্রিপুরা, মিজোরাম)।
  • মায়ানমারের সাথে সীমান্ত: ২৭১ কিমি (মিজোরামের কাছে শুরু হয়ে নাফ নদী পর্যন্ত)।
  • অভিন্ন বা আন্তর্জাতিক নদী: ৫৭টি (৫৪টি ভারতের সাথে এবং ৩টি মায়ানমারের সাথে: নাফ, সাঙ্গু, মাতামুহুরী)।

৩. দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও সাইক্লোন মেকানিজম

  • দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা চক্র (Disaster Management Cycle):
  • পূর্ববর্তী পর্যায়: প্রশমন (Mitigation), প্রস্তুতি (Preparedness)।
  • দুর্যোগকালীন পর্যায়: সাড়াদান (Response), উদ্ধার (Rescue)।
  • পরবর্তী পর্যায়: পুনর্বাসন (Rehabilitation), পুনর্নির্মাণ (Reconstruction)।
  • ঘূর্ণিঝড় (Tropical Cyclone): বঙ্গোপসাগরে ঘূর্ণিঝড় সৃষ্টির জন্য সাগরের পানির তাপমাত্রা ন্যূনতম ২৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসের বেশি হতে হয়।
  • ঘূর্ণিঝড়ের চোখ (Eye of the Cyclone): ঘূর্ণিঝড়ের কেন্দ্রে শান্ত ও বাতাসহীন অঞ্চল থাকে, যার চাপ থাকে সর্বনিম্ন।
  • ভূমিকম্প: সিসমোগ্রাফ যন্ত্র দ্বারা ভূমিকম্প মাপা হয় এবং রিখটার স্কেলে এর তীব্রতা নির্ণয় করা হয়।
মুক্তপ্রেপ লাইভ অনুশীলন কর্নার

ভূগোল ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার বিগত প্রশ্ন সমাধান করুন

অনলাইনে সরাসরি টাইমার সহ বিগত প্রশ্ন ও মডেল টেস্ট সমাধান করুন সম্পূর্ণ ফ্রিতে।

ভূগোল প্রস্তুতি শুরু করুন