সুশাসনের উপাদান ও নীতিসমূহ প্রশ্নব্যাংক ও সমাধান
বিগত বিসিএস ও চাকরির পরীক্ষার ১৪৭টি প্রশ্ন নিয়ে স্টাডি ও অনুশীলন করুন
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
- সংবাদমাধ্যম তথা গণমাধ্যমকে রাষ্ট্রের অঘোষিত চতুর্থ স্তম্ভ বা কলাম বা বিভাগ বলা হয়।
গণমাধ্যম রাষ্ট্রের তিনটি অঙ্গ তথা শাসন, আইন ও বিচার বিভাগকে নজরদারির মাধ্যম এবং জনগণের সাথে সরকারের যোগাযোগের অন্যতম মাধ্যম হিসেবে রাষ্ট্রের সুশৃঙ্খল পরিচালনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
উৎসঃ গণযোগাযোগ তত্ত্ব ও প্রয়োগ : শায়ন্তী হায়দার ও সাইফুল সামিন
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
- অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক ও সামাজিক ক্ষেত্রে সুশাসনের গুরুত্ব অত্যধিক।
- অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে সুশাসন নিশ্চিত হলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন তরান্বিত হয়।
- এতে করে পুঁজি বিনিয়োগ ও শিল্পকারখানা স্থাপনে আগ্রহ বৃদ্ধি পায়।
- ফলে কর্মসংস্থান বৃদ্ধি পায় ও বেকারত্ব হ্রাস পায়।
- অর্থনীতির সাথে সরাসরি বিনিয়োগের সাথে সম্পর্ক আছে।
- তাই অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে সুশাসন প্রতিষ্ঠিত হলে বিনিয়োগ বৃদ্ধি পাবে।
উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন, প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মো.মোজাম্মেল হক।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
- সংস্থাটি ১৯৯২ সালে সর্বপ্রথম সুশাসনের সংজ্ঞা প্রদান করে।
• বিশ্বব্যাংকের মতে সুশাসনের উপাদান ৬টি। যথা-
- বাক স্বাধীনতা ও জবাবদিহিতা,
- রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ও সহিংসতার অনুপস্থিতি,
- সরকারের কার্যকারিতা,
- নিয়ন্ত্রণ গুণ,
- আইনের শাসন,
- দুর্নীতি দমন
• অন্যদিকে,
- ইউএনডিপির মতে সুশাসনের উপাদান ৯টি।
- জাতিসংঘের মতে সুশাসনের উপাদান ৮টি।
- আইডিএ এর মতে সুশাসনের উপাদান ৪টি,
- এডিবির মতে সুশাসনের উপাদান ৪টি।
- ইউএনএইচসিআর এর মতে সুশাসনের উপাদান ৫টি।
উৎস: সংশ্লিষ্ট সংস্থার ওয়েবসাইট।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
- নিয়মিত কর প্রদান করা,
- আইন মান্য করা,
- জাতীয় সম্পদ রক্ষা করা,
- সংবিধান মেনে চলা,
- সৎ ও যোগ্য নেতৃত্ব নির্বাচন করা,
- সন্তানদের শিক্ষা দান করা ইত্যাদি।
তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন – প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
- জাতিসংঘ সুশাসনের ৮টি উপাদান চিহ্নিত করেছে। যথা-
- অংশগ্রহণ, আইনের শাসন, জবাবদিহিতা, ন্যায়বিচার, স্বচ্ছতা, কার্যকরী ও দক্ষ প্রশাসন, দায়বদ্ধতা, সংখ্যাগরিষ্ঠ মতের প্রাধান্য।
- ইউএনডিপি এই ৮টি উপাদানের সাথে আরও একটি উপাদান যোগ করে সেটি হচ্ছে কৌশলগত লক্ষ্য।
- বিশ্বব্যাংকের চারটি উপাদানসহ কোন উপাদানেই নৈতিক শাসন উল্লেখ নেই।
তথ্যসূত্র - জাতিসংঘ ও ইউএনডিপির ওয়েবসাইট।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
- ম্যাককরনী (Mac' Corney) বলেছেন যে, ‘সুশাসন বলতে রাষ্ট্রের সাথে সুশীল সমাজের, সরকারের সাথে শাসিত জনগণের, শাসকের সাথে শাসিতের সম্পর্ককে বোঝায়।'
- মোটকথা, প্রশাসনের যদি জবাবদিহিতা (Accountability), বৈধতা (Legilimacy), স্বচ্ছতা (Transparency) থাকে, এতে যদি অংশগ্রহণের সুযোগ উন্মুক্ত থাকে, বাকস্বাধীনতাসহ সকল রাজনৈতিক স্বাধীনতা সুরক্ষার ব্যবস্থা, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা, আইনের অনুশাসন (Rule of law), আইনসভার নিকট শাসন বিভাগের জবাবদিহিতা বা দায়িত্বশীলতার নীতি কার্যকর থাকে তাহলে সে শাসনকে ‘সুশাসন' (Good Governance) বলে।
উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মো: মোজাম্মেল হক।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
- এ ধরনের সরকার ক্ষমতা বণ্টনের নীতির উপর প্রতিষ্ঠিত ।
- এতে সাংবিধানিকভাবে রাষ্ট্রের কর্তৃত্ব ও ক্ষমতার কিছু অংশ প্রদেশ বা আঞ্চলিক সরকারের এবং জাতীয় বিষয়গুলো কেন্দ্রীয় সরকারের হাতে থাকে ।
- ফলে প্রাদেশিক ও কেন্দ্রীয় উভয় সরকারই মৌলিক ক্ষমতার অধিকারী হয় । অর্থাৎ এতে দ্বৈত সরকারব্যবস্থা থাকে।
- ফেডারেল সরকার রাষ্ট্রপতি দ্বারা পরিচালিত হয়।
- একটি দেশের ফেডারেল কাঠামোতে, কার্যনির্বাহী, আইনসভা এবং বিচার বিভাগ মিলেমিশে কাজ করে।
- কখনো সংঘাতের হলে এক্ষেত্রে, বিচার বিভাগ "ভারসাম্য চাকা" হিসাবে কাজ করে থাকে।
উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
বর্তমান বিশ্বে একটি জনপ্রিয় ধারণা হল সুশাসন। সামাজিক, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক উন্নয়নের পূর্বশর্ত হচ্ছে সুশাসন।
সুশাসনের কয়েকটি প্রামাণ্য সংজ্ঞা হলোঃ
- ম্যাক করণী (Mac Corney) এ প্রসঙ্গে বলেন, “সুশাসন বলতে রাষ্ট্রের সাথে সুশীল সমাজের, সরকারের সাথে জনগণের এবং শাসকের সাথে শাসিতের সম্পর্ককে বুঝায়”।
- মারটিন মিনোগ (Martin Minogue) সুশাসন সম্পর্কে বলেন, “ব্যাপক অর্থে সুশাসন হচ্ছে কতগুলো উদ্যোগের সমষ্টি এবং একটি সংস্কার কৌশল যা সরকারকে অধিকতর গণতান্ত্রিক, স্বচ্ছ ও জবাবদিহিতামূলক করতে সুশীল সমাজের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে কার্যকর করে তোলে।”
- মিশেল ক্যামডোসাস বলেন, “রাষ্ট্রের সকল ক্ষেত্রে উন্নয়নের জন্য সুশাসন আবশ্যক।”
- ল্যান্ডেল মিল (Landell Mill) মনে করেন, সুশাসন একটি জাতির রাজনেতিক ব্যবস্থা সম্পর্কে দিক নির্দেশ করে এবং জন প্রশাসন এবং আইনী কাঠামোর মধ্যে এটি কিভাবে কাজ করে তা জানায়।
উৎসঃ উচ্চমাধ্যমিক পৌরনীতি ও সুশাসন পাঠ্য বই (উন্মুক্ত)।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
- এতে সুশাসন প্রতিষ্ঠায় রাষ্ট্রীয় ও অরাষ্ট্রীয় পর্যায়ের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও অংশীদারদের ভূমিকা সম্পর্কে বর্ণনা করা হয়েছে।
- এই কৌশলে শুদ্ধাচার বলতে নৈতিকতা ও সততা দ্বারা প্রভাবিত আচরণগত উৎকর্ষতাকে নির্দেশ করা হয়েছে।
তথ্যসূত্র:- জাতীয় শুদ্ধাচার কৌশল (National Integrity Strategy of Bangladesh)
PDF Link - [Link]
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
▪ সামাজিক, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক উন্নয়নের পূর্বশর্ত হচ্ছে সুশাসন।
▪ ১৯৮৯ সালে বিশ্বব্যাংকের এক প্রতিবেদন সর্বপ্রথম সুশাসন প্রত্যয়টি ব্যবহার করা হয়।
▪ ২০০০ সালে বিশ্বব্যাংক সুশাসনের চারটি স্তম্ভ ঘোষণা করে। এ চারটি স্তম্ভ হল−
১.দায়িত্বশীলতা
২.স্বচ্ছতা
৩.আইনী কাঠামো ও
৪.অংশগ্রহণ।
তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
- আমলাতন্ত্রের ইংরেজি প্রতিশব্দ হলো Bureaucracy যার অর্থ দাড়ায় Desk Government.
- প্রখ্যাত জার্মান তাত্ত্বিক ম্যাক্স ভেবার (ম্যাক্স ওয়েবার) প্রথম আইনগত ও যুক্তিসঙ্গত মডেল হিসেবে আমলাতন্ত্রকে উপস্থাপন করেন।
- যার কারণে তাকে আমলাতন্ত্রের প্রবক্তা হিসেবে অভিহিত করা হয়।
(সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক পৌরনীতি : প্রথমপত্র-মো. মোজাম্মেল হক)
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
• সুশাসন:
- সুশাসন শব্দের ইংরেজি প্রতিশব্দ হচ্ছে - Good Governance
- সুশাসনের ধারণা সর্বপ্রথম দেয় - বিশ্বব্যাংক।
- বিশ্বব্যাংক সর্বপ্রথম সুশাসনের ধারণা দেয় ১৯৮৯ সালে।
- বিশ্বব্যাংক ১৯৯২ সালে সর্বপ্রথম সুশাসনের সংজ্ঞা প্রদান করে।
- দুর্নীতি প্রতিরোধে সহায়ক হিসেবে কাজ করে - সুশাসন।
- সুশাসনের জন্য প্রয়োজন - আইনের শাসন।
- সুশাসনের মূলনীতি হচ্ছে - জবাবদিহিতা।
- দুর্নীতি, অনিয়ম, অবিচার ও কুশাসন হচ্ছে আমাদের জাতীয় সমস্যা।
- সুশাসনের পূর্বশর্ত হচ্ছে - আইনের শাসন।
- কল্যাণমূলক রাষ্ট্রের অপরিহার্য শর্ত হচ্ছে - সুশাসন।
• সুশাসনের পূর্বশর্ত:
যেকোন দেশের সামাজিক, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক উন্নয়নের অন্যতম পূর্বশর্ত হলো সুশাসন। সুশাসন প্রতিষ্ঠার কিছু পূর্বশর্ত রয়েছে।
• সুশাসনের পূর্বশর্ত গুলো হচ্ছে:
- আইনের শাসন,
- স্বচ্ছতা,
- জবাবদিহিতা,
- গ্রহণযোগ্যতা,
- দুর্নীতিমুক্ত ও জনবান্ধব প্রশাসন,
- অংশগ্রহণমূলক সরকার ব্যবস্থা,
- মত প্রকাশের স্বাধীনতা বা স্বাধীন প্রচারমাধ্যম,
- দায়বদ্ধতা,
- ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণ,
- রাজনৈতিক স্বাধীনতার সুরক্ষা,
- অংশগ্রহণের সুযোগ উন্মুক্ততা,
- বাকস্বাধীনতা বা মত প্রকাশের স্বাধীনতা,
- বিচার বিভাগের স্বাধীনতা,
- বৈধতা প্রভৃতি।
তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও নাগরিকতা, নবম-দশম শ্রেণি এবং পৌরনীতি ও সুশাসন;প্রথম পত্র;একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মো. মোজাম্মেল হক।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
- এর অর্থ যথার্থরূপে শাসন বা ভালোভাবে শাসন।
- সুশাসন একটি সামাজিক ধারণা।
- সুশাসনের মূল ভিত্তি হলো আইনের শাসন।
- আইনের শাসন না থাকলে কখনো সুশাসন প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব নয়।
- সুশাসন নিশ্চিতের জন্যে বিচার বিভাগের স্বাধীনতা অত্যাবশ্যক।
তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
সুশাসন:
- সু-শাসন হচ্ছে এক ধরণের শাসন প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে ক্ষমতা সুষ্ঠুভাবে চর্চা করা হয়।
- এই শাসন প্রক্রিয়ায় জনগণ স্বাধীনভাবে অংশগ্রহণ করতে পারে, সরকারের নীতি ও কর্মকান্ড সম্পর্কে অবগত থাকে এবং নারী-পুরুষ স্বাধীনভাবে মতামত প্রকাশ করতে পারে।
- এটি স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও আইনের শাসন নিশ্চিত করে।
- আর্থ-রাজনৈতিক অগ্রগতিকে প্রাধান্য দেয়।
- বাংলাদেশে পুঁজিবাদের সুষ্ঠু বিকাশ ঘটেনি।
- দাঙ্গা-হাঙ্গামা, হরতাল-অবরোধ রাজনীতির নিত্য সঙ্গী।
- আন্তর্জাতিক বিভিন্ন রিপোর্ট অনুযায়ী বাংলাদেশে দুর্নীতির হার অত্যন্ত উচ্চ।
- সাম্প্রতিক বছরগুলোতে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে কিছুটা উন্নয়ন হলেও বাংলাদেশে সুশাসনের মাত্রা সন্তোষজনক নয়।
- সাধারণ অর্থে সুশাসন হল এমন এক প্রক্রিয়া যা একটি দেশের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক উন্নয়নে কার্যকর ভূমিকা রাখে।
- এই শাসন প্রক্রিয়ায় জনগণের আত্মনির্ভরশীলতা বৃদ্ধি পায়।
- সরকারের স্বচ্ছতা-জবাবদিহিতার সঙ্গে নিশ্চিত হয় সামাজিক ন্যায় বিচার ও সামাজিক-সাংস্কৃতিক বহুত্ববাদ।
- সুশাসনের ধারণাটি বহুমাত্রিক।
- এটি ৪ ধরণের ধারণা নির্মাণ করে: রাজনৈতিক সুশাসন, সামাজিক সুশাসন, অর্থনৈতিক সুশাসন এবং সাংস্কৃতিক সুশাসন।
⇒ সুশাসনের প্রধান ক্ষেত্রসমূহ হল-
(ক) রাজনৈতিক: গণতন্ত্র ও সরকারের স্বচ্ছতা-জবাবদিহিতা নিশ্চিতকরণ,
(খ) অর্থনৈতিক: মুক্তবাজার অর্থনীতি ও বেসরকারিকরণ,
(গ) সামাজিক-সংস্কৃতিক: পশ্চিমা সংস্কৃতির প্রসার এবং,
(ঘ) তথ্য ও প্রযুক্তি: বিশ্বজুড়ে তথ্য-প্রযুক্তির প্রসার।
⊕ সুশাসনের প্রধান উপদান -
১. স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা,
২. অংশগ্রহণ,
৩. আইনের শাসন,
8. নিরপেক্ষতা ও দায়িত্বশীলতা,
৫. জনপ্রশাসনের উৎকর্ষতা ও বিকেন্দ্রীকরণ।
উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মো: মোজাম্মেল হক।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
- সুশাসনের বিভিন্ন নীতি রয়েছে যেমন অংশগ্রহণ, জবাবদিহিতা, সাম্য ও সমতা, এবং স্বচ্ছতা ইত্যাদি।
- সুশাসনের 'অংশগ্রহণের নীতি' সংগঠনের স্বাধীনতার নিশ্চয়তা বিধান করে।
- কারণ এটি সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় সকল স্তরের অংশগ্রহণের সুযোগ দেয়।
⇒ অংশগ্রহণের মাধ্যমে:
- সংগঠনের সদস্যদের মতামত এবং উদ্বেগগুলোর প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শন করা হয়, যা স্বাধীনভাবে কাজ করার ক্ষমতা বৃদ্ধি করে।
- অংশগ্রহণের মাধ্যমে সংস্থার বিভিন্ন স্তরের সদস্যরা তাদের সিদ্ধান্ত প্রক্রিয়ায় সক্রিয়ভাবে অংশ নিতে পারে, যা তাদের স্বাধীনতা ও স্বায়ত্তশাসন নিশ্চিত করে।
- অংশগ্রহণ সংস্থার অভ্যন্তরীণ সমস্যা ও প্রয়োজনীয় সংশোধনের জন্য একটি প্ল্যাটফর্ম প্রদান করে, যা স্বাধীনভাবে কাজ করার সুযোগ দেয়।
উল্লেখ্য,
- অন্য নীতিগুলো সুশাসনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে তবে অংশগ্রহণ সরাসরি স্বাধীনতা এবং স্বায়ত্তশাসন নিশ্চিত করতে সহায়ক।
উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
“বিশ্বব্যাংক বর্ণিত সুশাসন সূচক” বলতে সাধারণত Worldwide Governance Indicators (WGI)–এর মূল সূচক-মান (governance estimate) বোঝানো হয়। এই স্কেলে কোনো দেশের সূচক 0.00 হলে সেটি গড়/মাঝারি অবস্থান নির্দেশ করে।
বিশ্বব্যাংক (WGI) একই “indicator”–কে একাধিকভাবে প্রকাশ করে। এবং এটা নিয়ে বিভ্রান্তি অস্বাভাবিক নয়।
Governance estimate (প্রায় –2.5 থেকে +2.5)
WGI-এর composite indicator/মূল সূচক-মান (governance estimate) প্রকাশ করা হয় standard normal units–এ, যেখানে mean ≈ 0, এবং সাধারণত মান থাকে –2.5 থেকে +2.5;
বেশি মান = ভালো শাসন।
তাই 0.00 এখানে গড়/মাঝারি বোঝায়।
Absolute 0–100 score (Mapped score, rank নয়)
WGI আরও একটি absolute 0–100 score দেয়, যা “best-case” ও “worst-case” constructed benchmark ধরে Estimate-কে 0-100 স্কেলে ম্যাপ করে।
এখানে “0” হলো constructed worst-case anchor; বাস্তবে সবচেয়ে খারাপ দেশও সাধারণত 0 পায় না (কারণ কেউই constructed worst-case পর্যন্ত পৌঁছায় না)।
তাই “Absolute score = 0.00” ধরে সোজা ‘নিচু মানের’ সিদ্ধান্ত নেওয়া যুক্তিসংগত নয়।
The Worldwide Governance Indicators 2025 Methodology অনুসারে:
"The figure highlights an important feature of the absolute scale: even the lowest-performing observed countries do not receive a score of zero, because none attains the constructed worst possible benchmark. Instead, each country receives an absolute score that reflects its level of governance when mapped onto the fixed 0–100 scale. This property—anchoring all estimates of governance to a fixed global scale—allows the revised WGI to report estimates of governance that are directly interpretable across both countries and years."
প্রশ্ন থেকে, "বিশ্বব্যাংক বর্ণিত সুশাসন সূচকে কোনো দেশের সূচক ০.০০ হলে" - যেটা Abosolute Score এ কোন দেশের ক্ষেত্রেই সাধারণত হয়না।
WGI এর Excel ফাইল থেকে কয়েকটি ছোট উদাহরণ (লজিক পরিষ্কার করতে)
একই বছরে একই মাত্রায় (যেমন Voice and Accountability) দেখা যায় -
Estimate প্রায় 0 হলে স্কোরও সাধারণত মাঝামাঝি ধাঁচের এলাকায় পড়ে:
Albania (2024): estimate ≈ –0.0124, score ≈ 56.63 → অর্থাৎ 0.00 Estimate “মাঝামাঝি/মধ্যম” অবস্থান বোঝায়।
Estimate খুব কম (খুব নেগেটিভ) হলে স্কোর অনেক কম হয় এবং Estimate খুব বেশি (পজিটিভ) হলে স্কোর অনেক বেশি হয়:
Eritrea (2024): estimate ≈ –2.2898, score ≈ 16.77
Norway (2024): estimate ≈ 1.9294, score ≈ 90.62
খেয়াল করুন,
-২.৫ স্কেলে Voice and Accountability-তে সর্বনিম্ন সূচকের দেশ ইরিত্রিয়া এর মান –2.2898 হলেও,
০-১০০ এর স্কেলে Score ≈ 16.77.
অর্থাৎ, Absolute scale-এ 0 এবং 100 হলো constructed benchmark; তাই বাস্তবে সবচেয়ে খারাপ দেশও সাধারণত 0 পায় না - স্কোরটি fixed 0–100 স্কেলে ম্যাপ করা মান।
WGI-এর মূল সূচক-মান (estimate) ধরে 0.00 -> মাঝারি মানের (গ) সঠিক উত্তর ধরে নেয়া হচ্ছে।
এছাড়াও, WGI একই indicator-কে ‘percentile rank (0–100)’ হিসেবেও প্রকাশ করে; যদি প্রশ্নে র্যাঙ্ক/পারসেন্টাইল বোঝানো হতো, 0.00 মানে সর্বনিম্ন অবস্থান হতো - কিন্তু প্রশ্নে র্যাঙ্ক বলা নেই, সূচক বলা আছে।
বিশ্বব্যাংক বর্ণিত সুশাসন সূচক:
- Worldwide Governance Indicators (WGI) হলো শাসনব্যবস্থা পরিমাপের ক্ষেত্রে অন্যতম প্রধান বৈশ্বিক উদ্যোগ।
- এটি প্রথম প্রকাশিত হয় ১৯৯৯ সালে। বিশ্বব্যাংক এটি প্রকাশ করে।
- WGI মোট ৩৫টি আন্তঃদেশীয় তথ্যসূত্র থেকে সংগৃহীত উপাত্তের ওপর ভিত্তি করে প্রস্তুত করা হয়। এসব তথ্যসূত্রের মধ্যে রয়েছে গৃহস্থালি জরিপ, ব্যবসা প্রতিষ্ঠানভিত্তিক জরিপ এবং বিশেষজ্ঞ মূল্যায়ন। এই সূচকগুলো প্রতিবছর প্রকাশিত হয়।
- WGI প্রতিবছর শাসনের ছয়টি মাত্রাকে কেন্দ্র করে যৌগিক সূচক প্রকাশ করে। এই ছয়টি মাত্রা হলো:
১) মত প্রকাশ ও জবাবদিহিতা (Voice and Accountability),
২) রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা (Political Stability),
৩) সরকারি কার্যকারিতা (Government Effectiveness),
৪) নিয়ন্ত্রক গুণমান (Regulatory Quality),
৫) আইনের শাসন (Rule of Law) এবং
৬) দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণ (Control of Corruption)।
উৎস:
i) বিশ্বব্যাংক ওয়েবসাইট। [link]
ii) The Worldwide Governance Indicators 2025 Methodology [Link]
iii) WGI 2025 Revision: Governance Estimates and Absolute Scores (1996-2024) (Excel) [Link]
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
⇒ বিশ্বব্যাংক ১৯৯২ সালে "Governance and Development" বা 'শাসন প্রক্রিয়া ও উন্নয়ন' শীর্ষক রিপোর্টে সুশাসনের সংজ্ঞা প্রদান করেছে।
বিশ্বব্যাংক ও সুশাসন:
- 'সুশাসন' ধারণাটি বিশ্ব ব্যাংকের উদ্ভাবিত একটি ধারণা।
- ১৯৮৯ খ্রিস্টাব্দে বিশ্ব ব্যাংকের এক সমীক্ষায় সর্বপ্রথম 'সুশাসন' (Good Governance) প্রত্যয়টি ব্যবহার করা হয়।
- এতে উন্নয়নশীল দেশের অনুন্নয়ন চিহ্নিত করা হয় এবং বলা হয় যে, সুশাসনের অভাবেই এরূপ অনুন্নয়ন ঘটেছে।
- ১৯৯৪ সালে বিশ্ব ব্যাংক প্রদত্ত সংজ্ঞায় বলা হয়েছে যে, 'সার্বিক উন্নয়নের লক্ষ্যে একটি দেশের সামাজিক এবং অর্থনৈতিক সম্পদের ব্যবস্থাপনার জন্য ক্ষমতা প্রয়োগের পদ্ধতিই হলো গভর্নেন্স।'
- ২০০০ সালে বিশ্বব্যাংক প্রকাশ করে যে, সুষ্ঠু গভর্নেন্স বা সুশাসন চারটি প্রধান স্তম্ভের ওপর নির্ভরশীল।
- বিশ্বব্যাংক ১৯৯২ সালে "Governance and Development" বা 'শাসন প্রক্রিয়া ও উন্নয়ন' শীর্ষক রিপোর্টে সুশাসনের সংজ্ঞা প্রদান করে বিস্তাড়িত ভাবে বিস্তারিতভাবে তুলে ধরে।
অন্যদিকে,
- ইউএনডিপি সুশাসনের বিষয়ে ব্যাপকভাবে কাজ করেছে, বিশেষ করে ১৯৯০-এর দশক থেকে, যখন তারা তাদের প্রতিবেদনে সুশাসনকে টেকসই উন্নয়নের একটি মূল উপাদান হিসেবে চিহ্নিত করে।
⇒ ইসলামি উন্নয়ন ব্যাংক (IsDB) মূলত ইসলামি অর্থনীতির নীতির ভিত্তিতে সদস্য দেশগুলোর উন্নয়ন প্রকল্পে অর্থায়ন করে।
- যদিও এই সংস্থা উন্নয়নের বিভিন্ন ক্ষেত্রে কাজ করে, তবে সুশাসনের ধারণাটি প্রথম বিস্তারিতভাবে তুলে ধরার ক্ষেত্রে এর কোনো উল্লেখযোগ্য ভূমিকা নেই।
⇒ ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল ১৯৯৩ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়, যা বিশ্বব্যাংকের ১৯৮৯ সালের প্রতিবেদনের পরবর্তী।
তাছাড়া, ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল সুশাসনের ধারণাটি প্রথম তুলে ধরার পরিবর্তে দুর্নীতি প্রতিরোধে বেশি মনোযোগী।
তথ্যসূত্র - সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
• সুশাসন:
- বর্তমান বিশ্বে একটি জনপ্রিয় ধারণা হল সুশাসন।
- সামাজিক, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক উন্নয়নের পূর্বশর্ত হচ্ছে সুশাসন।
- ১৯৮৯ সালে বিশ্বব্যাংকের এক প্রতিবেদন সর্বপ্রথম সুশাসন প্রত্যয়টি ব্যবহার করা হয়।
- বিশ্বব্যাংক ১৯৯২ সালে সুশাসনের সংজ্ঞা প্রদান করে।
- বিশ্বব্যাংক সুশাসনের সংজ্ঞা প্রদান করেছে - শাসন প্রক্রিয়া এবং উন্নয়ন রিপোর্টে।
- ২০০০ সালে বিশ্বব্যাংক সুশাসনের চারটি স্তম্ভ ঘোষণা করে।
- এ চারটি স্তম্ভ হল− দায়িত্বশীলতা, স্বচ্ছতা, আইনী কাঠামো ও অংশগ্রহণ।
তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন- প্রথম পত্র, HSC Programme, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
সুশাসন:
- জনগণ, রাষ্ট্র ও প্রশাসনের সাথে ঘনিষ্ঠ প্রত্যয় হলো সুশাসন।
- সুশাসন হলো যৌক্তিক এবং দক্ষভাবে শাসন পরিচালনা।
- সুশাসন অবশ্যই আইনের শাসনের ওপর প্রতিষ্ঠিত।
- এটি রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক জবাবদিহিতার নিশ্চিত করে।
- জবাবদিহিতা, স্বচ্ছতা, আইনের শাসন, মানবাধিকার, প্রশাসনিক বিকেন্দ্রীকরণ, সরকারের দক্ষতা ও সাড়া প্রদানের ক্ষমতার উপর নির্ভর করে সুশাসন প্রক্রিয়া।
উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
"সুশাসন" প্রত্যয়টি পৌরনীতির সাম্প্রতিক সংযোজন। সুশাসনের ইংরেজি প্রতিশব্দ হল ‘Good Governance’।
সুশাসনকে স্পষ্টভাবে বুঝতে হলে শাসন সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা থাকতে হবে। Governance হল একটি বহুমাত্রিক ধারণা যা বিভিন্ন দৃষ্টিকোণ, ক্ষেত্র এবং প্রেক্ষাপট থেকে ব্যাখ্যা করা হয়েছে।
- Government এর মতই Governance শব্দটি এসেছে ‘‘kubernao’’ নামক ল্যাটিন শব্দ থেকে, যার অর্থ পরিচালনা করা।
- সাধারণত Governance বা শাসন এমন একটি পদ্ধতিকে বোঝায়, যেখানে একটি পরিকল্পিত প্রক্রিয়ার মাধ্যমে কোনো সংস্থা, সমাজ বা রাষ্ট্র পরিচালনার ক্ষেত্রে সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও নীতি নির্ধারণ করা হয়ে থাকে।
বর্তমান বিশ্বে একটি জনপ্রিয় ধারণা হল সুশাসন। সামাজিক, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক উন্নয়নের পূর্বশর্ত হচ্ছে সুশাসন।
- ১৯৮৯ সালে বিশ্বব্যাংকের এক প্রতিবেদন সর্বপ্রথম সুশাসন প্রত্যয়টি ব্যবহার করা হয়।
- ২০০০ সালে বিশ্বব্যাংক সুশাসনের চারটি স্তম্ভ ঘোষণা করে।
এ চারটি স্তম্ভ হল−
(i) দায়িত্বশীলতা
(ii) স্বচ্ছতা
(iii) আইনী কাঠামো ও
(iv) অংশগ্রহণ।
উৎসঃ উচ্চমাধ্যমিক পৌরনীতি ও সুশাসন বই।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
- সামাজিক দ্বায়িত্ব পালন,
- রাষ্ট্রের প্রতি নিঃশর্ত আনুগত্য প্রদর্শন,
- আইন মান্য করা,
- সৎ ও যোগ্য নেতৃত্ব নির্বাচন,
- নিয়মিত কর প্রদান,
- রাষ্ট্রের সেবা করা,
- সন্তানদের শিক্ষা দান,
- রাষ্ট্রীয় কর্মকান্ডে অংশগ্রহন,
- জাতীয় সম্পদ রক্ষা,
- সুশাসনে আগ্রহ,
- সংবিধান মেনে চলা,
- উদার ও প্রগতিশীল দলের প্রতি সমর্থন দান।
উৎসঃ একাদশ - দ্বাদশ শ্রেণীর পৌরনীতি ও সুশাসন (১ম পত্র) বই।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
Governance শব্দটি গ্রিক ভাষা থেকে উৎপন্ন হয়েছে।
এর অর্থ - শাসন বা পরিচালনা প্রক্রিয়া/নিয়ন্ত্রণ।
According to Oxford Dictionary:
Middle English: from Old French, from governer, from Latin gubernare ‘to steer, rule’, from Greek kubernan ‘to steer’.
মূল উৎপত্তি গ্রিক শব্দ 'kubernan' থেকে।
- উল্লেখ্য, উচ্চমাধ্যমিক পৌরনীতি ও সুশাসন, প্রথম পত্র বইয়ে শব্দটি ল্যাটিন ভাষা থেকে উৎপন্ন বলা হয়েছে, যা ভুল।
- ল্যাটিন ভাষায় গ্রীক ভাষা থেকে এসেছে।
Good Governance শব্দটির অর্থ - কার্যকর শাসন।
- ইংরেজি Good Governance শব্দের বাংলা অর্থ সুশাসন। সুশাসনের ধারণাটি বহুমাত্রিক।
- সুশাসন অর্থ হচ্ছে নির্ভুল, দক্ষ ও কার্যকরী শাসন। সুশাসন ধারণাটির উদ্ভাবক বিশ্বব্যাংক।
- বিশ্বব্যাংক ১৯৮৯ সালে প্রথম সুশাসন প্রত্যয়টি ব্যবহার করেন।
উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন, প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
- সর্বজন স্বীকৃত নৈতিক আদর্শই রাষ্ট্রীয় সংগঠনের আইনে পরিণত হয়।
- দেশের প্রচলিত আইন নৈতিকতা বিরোধী হলে তা অকেজো হয়ে যায়।
- কেননা কোনো রাষ্ট্রীয় আইন জনগণের নৈতিক মানদণ্ডের বিরোধী হলে তার বিরুদ্ধে গণআন্দোলনের আশঙ্কা থাকে।
তাই প্লেটো তাঁর ‘রিপাবলিক’ গ্রন্থে বলেছেন, “শাসক যদি ন্যায়বান হন তাহলে আইন নিস্প্রয়োজন, আর শাসক যদি দুর্নীতিপরায়ণ হন তাহলে আইন নিরর্থক।”
সূত্র:- মাধ্যমিক পৌরনীতি বই, এসএসসি প্রোগ্রাম (উন্মুক্ত)।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
- সুশাসনের মূল ভিত্তি - আইনের শাসন।
- সুশাসনের অন্যতম মূল বিষয় হলো কার্যকর অংশগ্রহণ।
- আর শাসন প্রক্রিয়ায় জনগণের অংশগ্রহণ একমাত্র গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় সম্ভব।
- তাছাড়া স্বচ্চতা, জবাবদিহিতা প্রভৃতি মূল্যবোধসমূহ গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার সাথে সংশ্লিষ্ট।
(সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক পৌরনীতি ও সুশাসন : প্রথমপত্র – প্রফেসর মো. মোজাম্মেল হক)
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
বিশ্বব্যাংকের মতে সুশাসনের উপাদান ৬টি।
যথা-
- বাক স্বাধীনতা ও জবাবদিহিতা,
- রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ও সহিংসতার অনুপস্থিতি,
- সরকারের কার্যকারিতা,
- নিয়ন্ত্রণ গুণ,
- আইনের শাসন,
- দুর্নীতি দমন
অন্যদিকে,
- ইউএনডিপির মতে সুশাসনের উপাদান ৯টি।
- জাতিসংঘের মতে সুশাসনের উপাদান ৮টি।
- বিশ্বব্যাংকের মতে সুশাসনের উপাদান ৬টি।
- আইডিএ এর মতে সুশাসনের উপাদান ৪টি,
- এডিবির মতে সুশাসনের উপাদান ৪টি।
- ইউএনএইচসিআর এর মতে সুশাসনের উপাদান ৫টি।
উৎসঃ সংশ্লিষ্ট সংস্থার ওয়েবসাইট।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি (UNDP) সুশাসন নিশ্চিত করতে নয়টি উপাদানের কথা উল্লেখ করেছেন।
যথাঃ
১.অংশগ্রহণ ভিত্তিক
২.আইনের শাসন
৩.সংবেদনশীলতা
৪.কার্যকারিতা ও দক্ষতা
৫.কৌশলগত লক্ষ্য
৬.স্বচ্ছতা
৭.সমতা ও ন্যায্যতা
৮.জবাবদিহিতা
৯.সংখ্যাগরিষ্ঠের মতের প্রাধান্য।
রেফারেন্সঃ UNDP এর ওয়েবসাইট
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
- গণমাধ্যম রাষ্ট্রের তিনটি অঙ্গ তথা শাসন, আইন ও বিচার বিভাগকে নজরদারির মাধ্যম এবং জনগণের সাথে সরকারের যোগাযোগের অন্যতম মাধ্যম হিসেবে রাষ্ট্রের সুশৃঙ্খল পরিচালনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
উৎসঃ গণযোগাযোগ তত্ত্ব ও প্রয়োগ : শায়ন্তী হায়দার ও সাইফুল সামিন
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
