বাংলাদেশের ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী ও সংস্কৃতি প্রশ্নব্যাংক ও সমাধান
বিগত বিসিএস ও চাকরির পরীক্ষার ৩০২টি প্রশ্ন নিয়ে স্টাডি ও অনুশীলন করুন
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
পাঙন:
- বাংলাদেশের একমাত্র মুসলিম ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী পাঙাল বা পাঙন।
- বাংলাদেশের সিলেট ও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলায় এই গোষ্ঠীর অধিকাংশের বসবাস।
- পাঙনরা মণিপুরী নৃ-গোষ্ঠীর অন্তর্গত একটি শাখা।
- এরা বাংলাদেশে বসবাসকারী একমাত্র ইসলাম ধর্মাবলম্বী উপজাতি।
⇒ কথিত আছে যে, মণিপুর রাজ্যে ভারতবর্ষের কোনো এক অঞ্চলের পাঠান মুসলিম ব্যবসা-বাণিজ্য করতে মণিপুর যান। তাঁদের একজন এক মৈতৈ মণিপুরী মেয়ের সঙ্গে প্রেমে আবদ্ধ হন এবং তাঁকে বিবাহ করে সন্তানাদিসহ সেখানে স্থায়ীভাবে বসবাস করতে থাকেন। মৈতৈই মা ও পাঠান মুসলিম পিতার বংশধররাই পরে পাঙান বা মণিপুরী মুসলিম নামে পরিচিতি পায়। তারা মায়ের ভাষায় কথা বলে এবং পিতার ধর্ম পালন করে।
⇒ পাঙনরা সুন্নী মুসলিম। তবে স্থানীয় বাঙালী মুসলিম জনগোষ্ঠির সঙ্গে পাঙনদের সামাজিক কোনো সম্পর্ক নেই বললেই চলে। তাদের ধর্মাচরণ, সমাজব্যবস্থা ও রীতিনীতির সাথে বাঙালি মুসলমানদের পার্থক্য রয়েছে। পাঙনরা প্রচণ্ড ধর্মভীরু ও রক্ষণশীল।
উৎস: i) ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর ভাষা ও সংস্কৃতি, ষষ্ঠ শ্রেণি।
ii) BBC.
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
- সিলেট, হবিগঞ্জ, মৌলভীবাজার ও সুনামগঞ্জ জেলায় বসবাসকারী মণিপুরী সম্প্রদায় সংস্কৃতির দিক থেকে অত্যন্ত সমৃদ্ধ এবং ঐতিহ্যবাহী।
- তাদের সংস্কৃতির সবচেয়ে উজ্জ্বলতম দিক হলো মণিপুরী নৃত্য যা বিশ্বব্যাপী সমাদৃত।
- আঠারো শতকের শেষের দিকে মণিপুরীরা ভারতের মণিপুর রাজ্য থেকে বাংলাদেশের পূর্বাঞ্চলে এসে বসতি স্থাপন করে।
সূত্র: মৌলভীবাজার জেলা সরকারি ওয়েবসাইট।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
- খাসিয়া বাংলাদেশে বসবাসরত একটি মাতৃতান্ত্রিক ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী।
- এরা মঙ্গোলীয় বংশোদ্ভূত।
- বাংলাদেশে তাদের আদি নিবাস বাংলাদেশের উত্তর-পূর্ব সীমান্তবর্তী সুনামগঞ্জ জেলায়।
- বর্তমানে সিলেট, সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুর, তাহিরপুর, ছাতক ও সদর থানায় খাসিয়ারা ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে।
- খাসিয়ারা গ্রামকে পুঞ্জি বলে।
- পুঞ্জি প্রধানকে সিয়েম বলা হয়।
- বর্তমানে ৮০%-৯০% খাসিয়াই খ্রিস্টান।
- প্রায় প্রতি পুঞ্জিতেই গির্জা আছে।
তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
উৎসঃ দৈনিক প্রথম আলো
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
- দেশটিতে নিয়োজিত জাতিসংঘের বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীদের ভূমিকার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে সিয়েরা লিওনের প্রেসিডেন্ট আহমাদ তেজান কাব্বাহ ২০০২ সালে বাংলা ভাষাকে তার দেশের দ্বিতীয় সরকারি ভাষা হিসেবে ঘোষণা করেন।
- সিয়েরা লিয়ন পশ্চিম আফ্রিকার একটি দেশ।
- সিয়েরা লিওনের সাংবিধানিক নাম - সিয়েরা লিওন প্রজাতন্ত্র।
- রাজধানী - ফ্রিটাউন।
- দেশটিতে প্রায় ১৬টি জাতিগোষ্ঠী বসবাস করে, যাদের প্রত্যেকের রয়েছে আলাদা ভাষা ও রীতিনীতি।
- ইংরেজি ভাষা সিয়েরা লিওনের সরকারি ভাষা। তাছাড়া এখানে আরও প্রায় ২০টি ভাষা প্রচলিত।
তথ্যসূত্র:- বিবিসি বাংলা আর্কাইভ ও ব্রিটানিকা।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
- বর্তমানে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান আইন, ২০১০ এর ধারা ১৯ এর প্রদত্ত ক্ষমতাবলে সরকার ১৯ মার্চ ২০১৯ সালে উক্ত আইনের তফসিলে ২৭টি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর স্থলে ৫০ টি গেজেট আকারে প্রকাশ করে।
- তবে আদিবাসী ফোরামের মতে ৪৫টি এবং
- আদমশুমারি-২০১১ অনুসারে ২৭টি।
- উপরের তথ্য এবং প্রশ্নের অপশন গুলো বিশ্লেষণ করলে বাংলাদেশে বসবাসকারী উপজাতির সংখ্যা ৪৮ টি কে সঠিক উত্তর হিসেবে বিবেচনা করা যায়।
তথ্যসূত্র:- সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রনালয় প্রকাশিত গেজেট,২০১৯।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
- পাহাড়ের ঢালু এলাকায় জঙ্গল কেটে বা পুড়িয়ে পাহাড়িরা সাধারণত চাষাবাদ করে থাকে।
- বাংলাদেশের পার্বত্য চট্টগ্রামের রাঙামাটি, বান্দরবান ও খাগড়াছড়ি জেলায় ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীদের মাঝে জুম চাষ পদ্ধতি প্রচলিত রয়েছে।
তথ্যসূত্র:- ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর ভাষা ও সংস্কৃতি : সপ্তম শ্রেণি এবং বাংলাপিডিয়া।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
- বাংলাদেশের সিলেট অঞ্চলে ও ভারতের আসামে এই জনগোষ্ঠী বাস করে।
- এরা মঙ্গোলীয় বংশোদ্ভূত।
- সিলেটের খাসিয়ারা সিনতেং গোত্রভুক্ত জাতি।
- খাসিয়া গ্রাম পুঞ্জি এবং পুঞ্জি প্রধান সিয়েম নামে পরিচিত।
- এদের আদি নিবাস ছিলো তিব্বতে।
- খাসিয়াদের পরিবার মাতৃতান্ত্রিক।
- খাসিয়াদের ধর্ম খ্রিস্টান।
- প্রধান দেবতার নাম উব্লাই নাংথউ।
- তারা প্রচুর পান ও মধুর চাষ করে।
উৎস: বাংলাপিডিয়া।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
- চাকমারা বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে পার্বত্য চট্টগ্রাম তথা রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবান জেলায় বসবাস করে।
- সবচেয়ে বেশি সংখ্যক চাকমা বসবাস করে রাঙামাটি জেলায়।
- পিতৃসূত্রীয় পরিবারে চাকমারা প্রধানত জুমচাষে অভ্যস্ত।
- গ্রামের হেডম্যান এবং সার্কেলের রাজা (চাকমা রাজা) তাদের রাজনৈতিক সংগঠনে নেতৃত্ব প্রদান করেন।
- বৌদ্ধধর্মে বিশ্বাসী চাকমা সম্প্রদায়ে সাম্প্রতিককালে দৃশ্যমান সামাজিক পরিবর্তনের ছোঁয়া লেগেছে।
উৎস : সমাজ বিজ্ঞান ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশবিদ্যালয়।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
- অস্ট্রোলয়েড প্রাচীন বাংলায় একটি নৃ-গোষ্ঠী। নৃতত্ত্ববিদগণ এদেরকে আদি অস্ট্রেলীয় বলে মনে করেন। এ জনগোষ্ঠীকে অস্ট্রিক বা অস্ট্রো-এশীয়ও বলা হয়।
- প্রাচীন সাহিত্যে এরা নিষাদ নামে পরিচিত। পন্ডিতদের মতে, অস্ট্রোলয়েডদের আদি বাসস্থান মধ্য ভারত থেকে শুরু করে দক্ষিণ ভারত এবং সিংহল থেকে অস্ট্রেলিয়া পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল।
- কাল পরিক্রমায় তাদের একটি দল আদি বাসস্থান ত্যাগ করে বাংলায় অভিবাসন করে।
এছাড়াও,
- নেগ্রিটো: প্রস্তরযুগে প্রাচীন ভারতের আদিম মানুষ। বাংলার প্রাচীনতম বং জনগোষ্ঠীর পরবর্তীতে আসে নেগ্রিটো জনগোষ্ঠী।
- বাংলাদেশে বসবাসকারী উপজাতির বড় অংশ হলো মঙ্গোলয়েড।
- প্রাচীনকালে আর্যপূর্ব জনগোষ্ঠীর যে চারটি শাখা এখানে বাস করতো তারা হলো- অস্ট্রিক, দ্রাবিড়, নেগ্রিটো ও ভোটচীনীয়।
তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
- বাংলাদেশের বিখ্যাত মনিপুরী নাচ সিলেট অঞ্চলের।
- বর্তমানে মণিপুরীরা বৃহত্তর সিলেটে বসবাস করছে। সিলেট শহর ও শহরতলি, মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ, শ্রীমঙ্গল, কুলাউড়া ও বড়লেখা থানা, হবিগঞ্জের চুনারঘাট এবং সুনামগঞ্জের ছাতকে এদের বসবাস লক্ষ্য করা যায়।
- মণিপুরী সংস্কৃতি অত্যন্ত সমৃদ্ধশালী ও ঐতিহ্যবাহী। নৃত্য ও সঙ্গীত মণিপুরীদের জীবনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে।
- মণিপুরী সংস্কৃতির সবচেয়ে সমৃদ্ধ শাখা হচ্ছে মণিপুরী নৃত্য।
- মণিপুরী ভাষায় নৃত্যের প্রতিশব্দ হচ্ছে জাগই (Jagoi)।
- এই নৃত্যে শারীরিক অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ চালনার মাধ্যমে বৃত্ত বা উপবৃত্ত সৃষ্টি করা হয়।
- মণিপুরী সংস্কৃতির সবচেয়ে উৎকৃষ্ট নিদর্শন হচ্ছে রাসা (Rasa) নৃত্য।
- ভারতীয় সংস্কৃতিতে রাসার অবদান অত্যন্ত উল্লেখযোগ্য।
তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
- বাংলাদেশে প্রথম উপজাতীয় কালচারাল একাডেমি অবস্থিত - বিরিশিরি, নেত্রকোনা।
- এটি নেত্রকোনা জেলার দুর্গাপুর উপজেলার বিরিশিরিতে অবস্থিত যা ১৯৭৭ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- বিরিশিরি ব্যতীত কক্সবাজার, রাঙামাটি, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি, মৌলভীবাজার ও রাজশাহী জেলায় সরকারি উপজাতীয় সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান রয়েছে।
উৎস: সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
- গম্ভীরা গান এক প্রকার জনপ্রিয় লোকসঙ্গীত।
- সাধারণত বৃহত্তর রাজশাহী অঞ্চলে এ গান প্রচলিত।
- ‘গম্ভীরা’ হচ্ছে এক প্রকার উৎসব।
- ধারণা করা হয় যে, গম্ভীরা উৎসবের প্রচলন হয়েছে শিবপূজাকে কেন্দ্র করে।
- শিবের এক নাম ‘গম্ভীর’, তাই শিবের উৎসব গম্ভীরা উৎসব এবং শিবের বন্দনাগীতিই হলো গম্ভীরা গান।
তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
খাসিয়া:
- বাংলাদেশের সিলেট অঞ্চলে ও ভারতের আসামে এই জনগোষ্ঠী বাস করে।
- এরা মঙ্গোলীয় বংশোদ্ভূত।
- সিলেটের খাসিয়ারা সিনতেং গোত্রভুক্ত জাতি।
- খাসিয়া গ্রাম পুঞ্জি এবং পুঞ্জি প্রধান সিয়েম নামে পরিচিত।
- এদের আদি নিবাস ছিলো তিব্বতে।
- খাসিয়াদের পরিবার মাতৃতান্ত্রিক।
- খাসিয়াদের ধর্ম খ্রিস্টান।
- প্রধান দেবতার নাম উব্লাই নাংথউ।
- তারা প্রচুর পান ও মধুর চাষ করে।
অন্যদিকে,
- চাকমাদের গ্রামকে বলে আদাম বা পাড়া।
- চাকমাদের কয়েকটি পাড়া নিয়ে গঠিত হয় মৌজা।
উৎস: বাংলাপিডিয়া।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
- সেই হিসেবে 'বাঙ্গালি' উপভাষা বাংলাদেশের মধ্য ও দক্ষিণ অঞ্চলে যেসকল জেলা রয়েছে,সেই সব অঞ্চলের ভাষা হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে থাকে।
• কয়েকটি উপভাষার নাম :
- বাঙ্গালি (বাংলাদেশের মধ্য ও দক্ষিণ অঞ্চল),
- পূর্বি (বাংলাদেশের পূর্ব অঞ্চল, ত্রিপুরা এবং আসামের বরাক অঞ্চল),
- বরেন্দ্রি (বাংলাদেশের উত্তর-পশ্চিম অঞ্চল),
- কামরূপি (বিহারের পূর্ব অঞ্চল, পশ্চিমবঙ্গের উত্তর অঞ্চল এবং বাংলাদেশের রংপুর অঞ্চল),
- রাঢ়ি (পশ্চিমবঙ্গ),
- ঝাড়খণ্ডি (পশ্চিমবঙ্গের পশ্চিম অঞ্চল ও ঝাড়খণ্ডের পূর্ব অঞ্চল) প্রভৃতি।
• উপর্যুক্ত আলোচনার প্রেক্ষিতে বলা যায়,
প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে ''বরিশাল''ই সবচেয়ে যুক্তিসঙ্গত উত্তর।
উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি (২০২২ সংস্করণ)।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
সাঁওতাল:
- সাঁওতাল বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ আদিবাসী জনগোষ্ঠী।
- তাদের বাসস্থান মূলত রাজশাহী, দিনাজপুর, রংপুর ও বগুড়া জেলায়।
- প্রধান নিবাস রাঢ়বঙ্গ, বিহার ও উড়িষ্যার অরণ্য অঞ্চল এবং ছোটনাগপুর; পরে সরকার কর্তৃক নির্ধারিত সাঁওতাল পরগনায়।
- সাঁওতালরা অস্ট্রিক ভাষাভাষী আদি-অস্ট্রেলীয় (প্রোটো-অস্ট্রালয়েড) জনগোষ্ঠীর বংশধর।
- সাঁওতালরা ভারতীয় উপমহাদেশের অন্যতম আদি বাসিন্দা, এরা কৃষি উৎপাদন ব্যবস্থা এবং কৃষিসংস্কৃতির জনক ও ধারক হিসেবে স্বীকৃত।
সাঁওতালরা খুবই উৎসবপ্রিয় জাতি। বাঙালিদের মতো এদেরও বারো মাসে তেরো পার্বণ। তাদের বছর শুরু হয় ফাল্গুন মাসে। প্রায় প্রতিমাসে বা ঋতুতে রয়েছে পরব বা উৎসব যা নৃত্যগীতবাদ্য সহযোগে মহাসমারোহে অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে।
নববর্ষের মাস ফাল্গুনে অনুষ্ঠিত হয় স্যালসেই উৎসব,
- চৈত্রে বোঙ্গাবোঙ্গি,
- বৈশাখে হোম,
- আশ্বিনে দিবি,
- পৌষ শেষে সোহরাই উৎসব পালিত হয়।
উৎস: বাংলাপিডিয়া।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
খাসিয়া:
- খাসিয়া বাংলাদেশে বসবাসকারী একটি মাতৃতান্ত্রিক ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী।
- এরা মূলত মঙ্গোলীয় বংশোদ্ভূত জনগোষ্ঠী হিসেবে পরিচিত।
- তারা প্রায় পাঁচ শতাধিক বছর আগে ভারতের আসাম অঞ্চল থেকে বাংলাদেশে আসে।
- আসামে আসার আগে তাদের আদি উৎস তিব্বত অঞ্চল বলে ধারণা করা হয়।
- বাংলাদেশে তাদের বসতি মূলত সিলেট ও সুনামগঞ্জ অঞ্চলে বিস্তৃত।
- সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুর, তাহিরপুর, ছাতক ও সদর এলাকায় তাদের বসতি রয়েছে।
- খাসিয়ারা তাদের বসতিকে ‘পুঞ্জি’ নামে অভিহিত করে।
- প্রতিটি পুঞ্জির প্রধানকে ‘সিয়েম’ বলা হয়।
- তাদের প্রধান উৎসব হলো ‘খাসি সেং কুটস্নেম’, যা নতুন বছরের আগমনকে স্বাগত জানায়।
- বর্তমানে খাসিয়াদের বড় একটি অংশ (প্রায় ৮০–৯০%) খ্রিস্টধর্ম অনুসরণ করে।
তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া ও জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
• মনিপুরী নৃগোষ্ঠী:
- মনিপুরী এর পূর্ব পুরুষরা হলো পাখাংবা এর বংশধর।
- ৩৩ সালে মণিপুরী রাজা পাখাংবা-র (Pakhangba) সিংহাসনে আরোহণ করেন।
- মণিপুরী (The Manipuris) বাংলাদেশের অন্যতম আদিবাসী সম্প্রদায়।
- প্রাচীনকালের সার্বভৌম রাষ্ট্র এবং এখনকার ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য মণিপুর এদের আদি বাসস্থান।
- সিলেট শহর ও শহরতলি, মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ, শ্রীমঙ্গল, কুলাউড়া ও বড়লেখা থানা, হবিগঞ্জের চুনারঘাট এবং সুনামগঞ্জের ছাতকে এদের বসবাস লক্ষ্য করা যায়।
- তবে তারা অধিক সংখ্যক বাস করে মৌলভীবাজার জেলায়।
তথ্যসূত্র: সংশ্লিষ্ট জেলার সরকারি ওয়েবসাইট ও বাংলাপিডিয়া।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
