সুলতানি ও মুঘল আমল প্রশ্নব্যাংক ও সমাধান
বিগত বিসিএস ও চাকরির পরীক্ষার ৪২০টি প্রশ্ন নিয়ে স্টাডি ও অনুশীলন করুন
- হুমায়ুন (১৫৩০-১৫৫৬) মুগল সম্রাট বাবরের জ্যেষ্ঠ পুত্ৰ ।
- ১৫৩০ খ্রিস্টাব্দে পিতার উত্তরাধিকারী হিসেবে দিল্লির সিংহাসনে আরোহণ করেন।
- সম্রাট হুমায়ুন বাংলার রাজধানীর নতুন নামকরণ করেন ‘জান্নাতাবাদ'।
- হুমায়ূন এখানে ছয়মাস অবস্থান করেন।
তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
লালবাগ কেল্লা পুরাতন ঢাকার লালবাগে অবস্থিত।
সতের শতকে ১৬৭৮ সালে সুবাদার আজম শাহ এটির নির্মাণ কাজ শুরু করেন।
মাঝে এর কাজ বন্ধ হয়ে গেলে ১৬৮০ সালে শায়েস্তা খান পুনরায় এর কাজ শুরু করে এটি নির্মাণ করেন।
এর অভ্যন্তরে শায়েস্তা খানের কন্যা পরীবিবির মাজার অবস্থিত।
১৯১০ সালে লালবাগ কেল্লা কে প্রত্নতত্ত্ব নির্দশন হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। এর আদি নাম কেল্লা আওরঙ্গবাদ।
লালবাগে অবস্থিত হওয়ায় পরে এর নামকরণ করা হয় লালবাগ কেল্লা।
সূত্রঃ প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর ওয়েবসাইট।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
সোনারগাঁও - বাংলার প্রাচীন রাজধানী
ত্রয়োদশ শতাব্দীর শেষভাগে হিন্দু আমলের রাজধানী এখানেই অবস্থিত ছিল বলে ধারণা করা হয়। পরবর্তীকালে মুসলিম শাসকদের পুর্ববঙ্গের প্রাদেশিক কেন্দ্র হিসেবে গড়ে উঠেছিল। প্রাচীন সুবর্ণগ্রাম থেকে সোনারগাঁও নামের উদ্ভব বলে কারো কারো ধারণা রয়েছে। অন্য ধারণামতে বারো ভূঁইয়া প্রধান ঈশা খাঁ’র স্ত্রী সোনাবিবি’র নামানুসারে সোনারগাঁও নামকরণ করা হয়।
আনুমানিক ১২৮১ খ্রিস্টাব্দে এ অঞ্চলে মুসলিম আধিপত্যের সূচনা হয়। মধ্যযুগে এটি মুসলিম সুলতানদের রাজধানী ছিল।
১৬১০ খ্রিস্টাব্দে দিল্লির সম্রাট আওরঙ্গজেবের আমলে ঢাকা সুবে বাংলার রাজধানী হিসেবে ঘোষিত হবার পূর্ব পর্য়ন্ত সোনারগাঁও ছিল পূর্ববঙ্গের রাজধানী। ঈশা খাঁ ও তাঁর বংশধরদের শাসনামলে সোনারগাঁও ছিল পূর্ববঙ্গের রাজধানী।
সূত্রঃ বাংলাদেশ সরকারের ওয়েবসাইট (parjatan.gov.bd)।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
(সূত্রঃ প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর ওয়েবসাইট)
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
- শায়েস্তা খান ছিলেন বাংলার মুঘল সুবাদার।
- ১৬৭৮-৭৯ খ্রিস্টাব্দে এক বছরের সামান্য বেশি সময়ের বিরতিসহ দীর্ঘ ২৪ বছর তিনি এ পদে অধিষ্ঠিত ছিলেন।
- তিনি ছিলেন মুঘল সম্রাট আওরঙ্গজেবের মামা।
- তিনি যখন ঢাকায় পৌঁছেন তখন তাঁর বয়স ছিল ৬৩ বছর।
- ১৬৬৩ খ্রিস্টাব্দে মীরজুমলার মৃত্যুর পর শায়েস্তা খান বাংলার সুবাহদার নিযুক্ত হন।
- প্রধানত চট্টগ্রাম জয়ের জন্যই বাংলায় শায়েস্তা খানের বিশাল খ্যাতি।
- ১৬৬৬ সালে বাংলার মোঘল শাসক শায়েস্তা খান তাঁর পুত্র বুজুর্গ ওমেদখানের মাধ্যমে চট্টগ্রাম বিজয় সম্পন্ন করেন।
- তিনি এ অঞ্চলের নাম রাখেন ইসলামাবাদ।
উল্লেখ্য,
- ১৫১৭ সালে প্রথম পর্তুগিজ বণিকদের আগমন ঘটে এই বন্দর চট্টগ্রামে।
- ১৭৬১ সাল পর্যন্ত ৩২ জন নবাব বা শাসনকর্তা চট্টগ্রাম শাসন করেন।
উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) ইতিহাস - চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন, ccc.gov.bd.
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
- একদম শুরুর দিকে এই কেল্লার নাম ছিল “আওরঙ্গবাদ দুর্গ”।
- সর্বপ্রথম লালবাগ কেল্লার নির্মাণ কাজ শুরু করেন আজম শাহ।
- লালবাগ কেল্লার নির্মাণ কাজ শুরু হয় ১৬৭৮ সালে।
- তৎকালীন মুঘল সম্রাট আজম শাহ এর নির্মাণ কাজ শুরু করেন।
- আজম শাহ ছিলেন মুঘল সম্রাট আওরঙ্গজেব এর পুত্র আর সম্রাট শাহ জাহানের নাতি।
- কেল্লার চত্বরে তিনটি স্থাপনা রয়েছে-
১। কেন্দ্রস্থলের দরবার হল ও হাম্মাম খানা।
২। পরীবিবির সমাধি।
৩। উত্তর পশ্চিমাংশের শাহী মসজিদ।
তথ্যসূত্র - ঢাকা জেলা অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
উৎসঃ বাংলাপিডিয়া
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
উৎসঃ বাংলাপিডিয়া
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
উৎসঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
উৎসঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
উৎসঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
১৩৩৮ খ্রিস্টাব্দে বাহরাম খানের মৃত্যু হয়। তাঁর মৃত্যুতে তাঁরই বর্ম-রক্ষক ফখরুদ্দীন সোনারগাঁও-এ ক্ষমতা দখল করে স্বাধীনতা ঘোষণা করেন এবং সুলতান ফখরুদ্দীন মোবারক শাহ উপাধি গ্রহণ করেন। এ ঘটনা ক্ষমতা দখলের নতুন ধারাবাহিক দ্বন্দ্বের জন্ম দেয় যার ফলে বাংলায় ইলিয়াসশাহী শাসন প্রতিষ্ঠিত হয়। এ শাসন বাংলার স্বাধীন সুলতানি যুগের সূচনা করে যা দুশ বছর অব্যাহত ছিল (১৩৩৮-১৫৩৮)।
শের শাহ ১৫৩৮ সালে শেষ সুলতান মাহমুদ শাহকে পরাজিত করে স্বাধীন সুলতানী যুগের অবসান ঘটান।
উৎসঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণীর বোর্ড বই ও বাংলাপিডিয়া
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
ইবনে বতুতা ১৩০৪ খ্রি. মরক্কোয় জন্মগ্রহন করেন। ১৩৩৩ খ্রিষ্টাব্দে সুলতান মুহাম্মদ বিন তুঘলকের রাজত্বকালে সিন্ধুর পাঞ্জাবে (ভারতবর্ষে) পৌঁছান।
১৩৪৬ খ্রিষ্টাব্দের ৯ জুলাই ফখরুদ্দিন মুবারক শাহের রাজত্বকালে ইবনে বতুতা বাংলায় আসেন।
তার বিখ্যাত গ্রন্থের নাম - ‘কিতাবুল রেহালা (সফরনামা)। তিনি বাংলার নামকরণ করেন ‘দোযখ-ই-পুর নিয়ামত’ বা প্রাচুর্যপূর্ণ নরক।
উৎসঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
উৎসঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী এবং বিবিসি
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
• আকবর নামা গ্রন্থে ঢাকা একটি থানা (সামরিক ফাঁড়ি) হিসেবে এবং আইন-ই- আকবরী গ্রন্থে সরকার বাজুহার একটি পরগনা হিসেবে ঢাকা বাজু উল্লিখিত হয়েছে।
• ১৬১০ খ্রিষ্টাব্দে ইসলাম খান চিশতি সুবাহ বাংলার রাজধানী রাজমহল থেকে ঢাকায় স্থানান্তর করেন এবং সম্রাটের নামানুসারে এর নামকরণ করে জাহাঙ্গীরনগর।
• প্রশাসনিকভাবে জাহাঙ্গীরনগর নামকরণ হলেও সাধারণ মানুষের মুখে ঢাকা নামটিই থেকে যায়। সকল বিদেশী পর্যটক এবং বিদেশী কোম্পানির কর্মকর্তারাও তাদের বিবরণ এবং চিঠিপত্রে ঢাকা নামটি ব্যবহার করেন।
• ঢাকার সমৃদ্ধি ও স্থাপত্য সমূহ মূলত মোঘল যুগেই শুরু হয়।
তথ্যসূত্র:- ঢাকা জেলার ওয়েবসাইট ও মাধ্যমিক বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা বই।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
- বাংলায় মুসলিম শাসনের প্রতিষ্ঠাতা হলেন ইখতিয়ার উদ্দিন মুহাম্মদ-বিন-বখতিয়ার খলজি।
- বখতিয়ার খলজি ১২০৪ খ্রিস্টাব্দে বাংলার বয়োঃবৃদ্ধ রাজা লক্ষণ সেনকে পরাজিত করে বাংলা দখল করেন।
তিনি অশ্ব বিক্রেতার বেশে ১৭/১৮ জন অশ্বারোহীসহ লক্ষণ সেনের রাজধানী নদীয়ায় প্রবেশ করে অতর্কিত আক্রমণ করেন। এই আক্রমণে লক্ষণ সেন পালিয়ে পূর্ববঙ্গের বিক্রমপুরে আশ্রয় নেন।
লক্ষণ সেন পলায়ন করলে বখতিয়ার খলজি বিনা বাধায় নদীয়া দখল করেন এবং গৌড়ের নাম পরিবর্তন করে লক্ষণাবতী রাখেন। তাঁর প্রচেষ্টার ফলেই এদেশে প্রথম মুসলমানদের শাসন প্রতিষ্ঠিত হয়।
[সূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, ৯ম-১০ম শ্রেণি]
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
- ১৬১০ খ্রিষ্টাব্দে ইসলাম খান চিশতি সুবাহ বাংলার রাজধানী রাজমহল থেকে ঢাকায় স্থানান্তর করেন এবং সম্রাটের নামানুসারে এর নামকরণ করে জাহাঙ্গীরনগর।
- প্রশাসনিকভাবে জাহাঙ্গীরনগর নামকরণ হলেও সাধারণ মানুষের মুখে ঢাকা নামটিই থেকে যায়। সকল বিদেশী পর্যটক এবং বিদেশী কোম্পানির কর্মকর্তারাও তাদের বিবরণ এবং চিঠিপত্রে ঢাকা নামটি ব্যবহার করেন।
অর্থাৎ, ঢাকা ১৬১০ সালে সর্বপ্রথম বাংলার রাজধানী হয়েছিল।
উৎসঃ ঢাকা জেলার ওয়েবসাইট ও মাধ্যমিক বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা বই।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
- সুলতানি আমলে বাংলায় মুসলিম শাসন বিস্তৃতি লাভ করে।
- শামসুদ্দিন ইলিয়াস শাহ হলেন `ইলিয়াস শাহী’ বংশের প্রতিষ্ঠাতা।
- তার রাজত্বকাল ছিল ১৩৪২ সাল থেকে ১৩৫৮ সাল পর্যন্ত। এ সময়ে তিনি সমগ্র বাংলাকে একত্র করে বাঙ্গালাহ নাম দেন এবং এর অধিবাসীদের বাঙ্গালি নাম দেন।
- লখনৌতি, সাতগাঁও এবং এর সাথে সোনারগাঁও অধিকার করে ইলিয়াস শাহ সমগ্র বাংলার একচ্ছত্র অধিপতির মর্যাদা লাভ করেন। ইতিপূর্বে এই বিরল গৌরব আর কোন মুসলমান শাসক অর্জন করতে পারেন নি।
- এ কারণে ঐতিহাসিক শামস-ই-সিরাজ আফীফ তাঁকে ‘শাহ-ই-বাঙ্গালাহ’’ এবং ‘সুলতান-ই-বাঙ্গালাহ’ উপাধিতে ভূষিত করেন।
- শামসুদ্দিন ইলিয়াস শাহকে বাংলার প্রথম প্রকৃত স্বাধীন সুলতান হিসেবে অভিহিত করা হয় ।
- তিনি ১৩৫২ খ্রিস্টাব্দে সোনারগাঁওয়ের শাসনকর্তা ফখরুদ্দিন মুবারক শাহের পুত্র ইখতিয়ার উদ্দিন গাজি শাহকে পরাজিত করে দুই বাংলা একত্র করে বৃহত্তর বা অখণ্ড বাংলা প্রতিষ্ঠা করেন।
- তার সময় থেকেই বাংলায় বসবাসকারী জনগোষ্ঠী ‘বাঙালি’ নামে পরিচিত পায়।
তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণি।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
- প্রশাসনিকভাবে জাহাঙ্গীরনগর নামকরণ হলেও সাধারণ মানুষের মুখে ঢাকা নামটিই থেকে যায়। সকল বিদেশী পর্যটক এবং বিদেশী কোম্পানির কর্মকর্তারাও তাদের বিবরণ এবং চিঠিপত্রে ঢাকা নামটি ব্যবহার করেন।
অর্থাৎ, ঢাকা ১৬১০ সালে সর্বপ্রথম বাংলার রাজধানী হয়েছিল।
উৎস: ঢাকা জেলার ওয়েবসাইট।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
- ইরানি বংশোদ্ভূত শায়েস্তা খান মোগল আমলে বাংলার একজন বিখ্যাত সুবাদার ছিলেন।
- তাঁর প্রকৃত নাম ছিল আবু তালিব।
- মোগল সম্রাট জাহাঙ্গীর তাঁকে শায়েস্তা খান নাম দেন।
- শায়েস্তা খান সম্রাট আওরঙ্গজেবের মামা ছিলেন।
- ১৬৬৩ সালে বাংলার সুবাদার মীর জুমলার মৃত্যু হলে ১৬৬৪ সালে আওরঙ্গজেব তাঁকে বাংলার সুবাদার হিসেবে নিযুক্ত করেন।
- শায়েস্তা খান ৬৩ বছর বয়সে প্রথম বাংলায় আসেন।
- তাঁর শাসনামলে তিনি কুচবিহার বিদ্রোহ দমন করেন, চট্টগ্রাম জয় ও মগ দস্যুদের বিতাড়িত করেন (১৬৬৬ সালে)।
- তাঁর শাসনামলে টাকায় আট মণ চাল পাওয়া যেত।
- তিনি লালবাগ কেল্লা, শায়েস্তা খান মসজিদ, ছোট কাটরা, সাত গম্বুজ মসজিদ প্রভৃতি নির্মাণ করেন।
- ১৬৯৪ সালে তিনি ৯৪ বছর বয়সে মারা যান।
উৎস: বাংলাপিডিয়া।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
- এই নাম সম্রাট জীবিত থাকা পর্যন্ত বহাল ছিল।
- এরপর ১৬৫০ সালে সুবাদার শাহ সুজা পুনরায় বাংলার রাজধানী বিহারের রাজমহলে নিয়ে যান।
- কিন্তু ১৬৬০ সালে মীর জুমলা পুনরায় ঢাকায় রাজধানী স্থানান্তর করেন যা ১৭১৭ সাল পর্যন্ত বজায় ছিল।
- ১৭১৭ সালে মুর্শিদকুলি খান বাংলার রাজধানী ঢাকা থেকে মুর্শিদাবাদে স্থানান্তর করেন।
- পরবর্তী ১৯০৫ থেকে ১৯১১ এবং ১৯৪৭ সাল থেকে ঢাকা বাংলার রাজধানী হিসেবে ছিলো।
- ১৯৭১ সাল থেকে ঢাকা স্বাধীন বাংলাদেশের রাজধানী।
উৎস: ঢাকা জেলার ওয়েবসাইট।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
- সর্বপ্রথম লালবাগ কেল্লার নির্মাণ কাজ শুরু করেন যুবরাজ মোহাম্মদ আযম।
- মাঝে এর কাজ বন্ধ হয়ে গেলে ১৬৮০ সালে শায়েস্তা খান পুনরায় এর কাজ শুরু করে এটি নির্মাণ করেন।
- একদম শুরুর দিকে এই কেল্লার নাম ছিল “কেল্লা আওরঙ্গবাদ”।
- লালবাগ কেল্লার নির্মাণ কাজ শুরু হয় ১৬৭৮ সালে।
- তৎকালীন মুঘল সম্রাট আজম শাহ এর নির্মাণ কাজ শুরু করেন।
- আজম শাহ ছিলেন মুঘল সম্রাট আওরঙ্গজেব এর পুত্র আর সম্রাট শাহ জাহানের নাতি।
- কেল্লার চত্বরে তিনটি স্থাপনা রয়েছে-
১. কেন্দ্রস্থলের দরবার হল ও হাম্মাম খানা।
২. পরীবিবির সমাধি।
৩. উত্তর পশ্চিমাংশের শাহী মসজিদ।
তথ্যসূত্র - ঢাকা জেলা অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
• রাজধানী হিসেবে ঢাকা:
- এটি বাংলাদেশের বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে অবস্থিত বৃহত্তম শহর।
- মুঘল সম্রাট আকবরের সময় বাংলার রাজধানী ছিল বিহারের রাজমহল।
- মোঘল সম্রাট জাহাঙ্গীরের ইচ্ছানুযায়ী ১৬১০ সালে ঢাকাকে সর্বপ্রথম সুবাহ বাংলার রাজধানী ঘোষণা করা হয়।
- সম্রাট জাহাঙ্গীর-এর নাম অনুসারে রাজধানীর নাম 'জাহাঙ্গীরনগর' রাখা হয়।
উল্লেখ্য,
- ১৬৫০ খ্রিষ্টাব্দে সুবেদার শাহ সুজা রাজধানী আবার রাজমহলে স্থানান্তর করেছিলেন। শাহ সুজার পতনের পর ১৬৬০ খ্রিষ্টাব্দে সুবেদার মীর জুমলা আবার রাজধানী ঢাকায় স্থানান্তর করেন।
- ১৭১৭ খ্রিষ্টাব্দে সুবেদার মুর্শিদ কুলি খান রাজধানী মুর্শিদাবাদে স্থানান্তর করেন।
- বঙ্গভঙ্গের পর ১৯০৫ সালে ঢাকাকে আসাম ও বাংলার রাজধানী করা হয়।
- কংগ্রেসের বাধার মুখে ব্রিটিশ রাজ আবার ১৯১১ সালে রাজধানী কলকাতায় ফিরিয়ে নেয়। ১৯৪৭ সালে ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসনের অবসান এবং স্বাধীন পাকিস্তান রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠার পর পূর্ব বাংলা নামে নতুন প্রদেশের রাজধানী হওয়ায় ঢাকার উথানে অধিকতর স্থায়ী উন্নয়ন সাধিত হয়।
- ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশ চূড়ান্ত বিজয় অর্জন করে। একটি স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্রের রাজধানী হিসেবে ঢাকা রাজনৈতিক , প্রশাসনিক কার্যকলাপ এবং অর্থনৈতিক, সামাজিক, শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক কার্যক্রমের সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্ররূপে মর্যাদা লাভ করে।
উৎস: ঢাকা জেলা, dhaka.gov.bd.জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
------------------
ধোলাই খাল:
- এটি পুরানো ঢাকায় বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে অবস্থিত একটি বাণিজ্যিক আবাসিক এলাকা।
- তৎকালীন ঢাকার প্রধান জলপথ ও নগর রক্ষা পরিখা ছিল এ ধোলাই খাল।
- নগর রক্ষার পরিখা নির্মাণ ও জলপথ হিসেবে ব্যবহারের জন্য ঢাকার প্রথম সুবেদার ইসলাম খান ধোলাই খাল খনন করিয়েছিলেন।
- অতীতে ধোলাই খাল শহরের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ ছিল এবং ঐতিহাসিক লালবাগ দুর্গ, আহসান মঞ্জিল ও বড় কাটরা এবং ছোট কাটরাসহ অনেক গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা এর চারপাশে গড়ে ওঠে।
- খালটি শহরকে সুরক্ষার পাশাপাশি অভ্যন্তরীণ নৌ যোগাযোগের সুবিধা প্রদানের উদ্দেশ্যে খনন করা হয়।
- ১৮৩২ সালে মি. ওয়াল্টার নামে ঢাকার একজন কালেক্টর নারায়ণগঞ্জ যাতায়াতের সুবিধার্থে খালটির উপর একক স্প্যানের একটি ঝুলন্ত সেতু নির্মাণ করেন।
- এটি ছিল সে সময়ের প্রকৌশল সাফল্যের একটি উল্লেখযোগ্য নিদর্শন।
- ১৮৬৭ সালে খালে চলাচলকারী যানবাহনের ওপর টোল আরোপ করা হয়।
- সময়ের বিবর্তনে কৌশলগত ও বাণিজ্যিকভাবে গুরুত্ববহ জলপথটি পার্শ্ববর্তী বাড়িঘর থেকে নিক্ষিপ্ত ময়লা-আবর্জনা দিয়ে স্থানে স্থানে ভরাট হয়ে যায়।
- খালটির কিছু অংশ এখনও উন্মুক্ত স্থান হিসেবে দেখা যায়।
- কিন্তু পুরানো ঢাকায় এটিকে একটি ভূগর্ভস্থ নর্দমায় রূপান্তর করা হয়েছে।
উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণি, বাংলাপিডিয়া।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
বাংলার স্থানীয় প্রধান ও জমিদার, যাঁরা আকবর ও জাহাঙ্গীর এর রাজত্বকালে মুগলবিরোধী প্রতিরোধ গড়ে তুলেছিলেন।
বাংলার ইতিহাসে ষোড়শ শতক থেকে সপ্তদশ শতকের মধ্যবর্তী সময়ে বাংলায় যেসব বড় বড় জমিদার মুঘলদের অধীনতা মেনে নেননি এবং শক্তিশালী সৈন্য ও নৌ-বহর নিয়ে স্বাধীনতা রক্ষার জন্য একজোট হয়ে মুঘল সেনাপতির বিরুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়তেন তারাই বাংলার ইতিহাসে 'বারো ভুঁইয়া' নামে পরিচিত।
- যশোরের রাজা প্রতাপাদিত্য বারো ভুঁইয়াদের মধ্যে সর্বাধিক সম্পদশালী ও প্রভাবশালী ছিলেন।
- ১৬০০ খ্রিষ্টাব্দে প্রতাপের ক্ষমতা ও খ্যাতি পুরো ভারতবর্ষে ছড়িয়ে পড়েছিল।
- বারো ভূঁইয়াদের নেতা ছিলেন সোনার গাঁয়ের জমিদার ঈসা খাঁ।
- তার মৃত্যুর পর মোগলদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ স্তিমিত হয়ে যায়।
আকবরনামা’য় প্রাপ্ত ভাটিতে মুগলদের যুদ্ধবিগ্রহের বিবরণ অনুযায়ী ভূঁইয়াদের নিম্নলিখিত তালিকা প্রস্ত্তত করা যেতে পারে:
(১) ঈসা খান মসনদ-ই-আলা, (২) ইবরাহিম নরল, (৩) করিমদাদ মুসাজাই, (৪) মজলিস দিলওয়ার, (৫) মজলিস প্রতাপ, (৬) কেদার রায়, (৭) শের খান, (৮) বাহাদুর গাজী, (৯) তিলা গাজী, (১০) চাঁদ গাজী, (১১) সুলতান গাজী, (১২) সেলিম গাজী, (১৩) কাসিম গাজী।
উৎস: বাংলাপিডিয়া।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
• বাংলার প্রাচীন রাজধানী হিসেবে সোনারগাঁও ও গৌড়:
- নারায়ণগঞ্জ জেলার অন্তর্গত ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে মোগড়াপাড়া ক্রসিং থেকে প্রায় আড়াই কিলোমিটার উত্তরে সোনারগাঁও অবস্থিত।
- সবুজ বন-বনানী আর অনুপম স্থাপত্যশৈলীর প্রাকৃতিক সৌন্দর্য়ের নান্দনিক ও নৈসর্গিক পরিবেশে ঘেরা বাংলার প্রাচীন রাজধানী সোনারগাঁও।
- ত্রয়োদশ শতাব্দীর শেষভাগে হিন্দু আমলের রাজধানী এখানেই অবস্থিত ছিল বলে ধারণা করা হয়।
- পরবর্তীকালে মুসলিম শাসকদের পুর্ববঙ্গের প্রাদেশিক কেন্দ্র হিসেবে গড়ে উঠেছিল।
- প্রাচীন সুবর্ণগ্রাম থেকে সোনারগাঁও নামের উদ্ভব বলে কারো কারো ধারণা রয়েছে।
- অন্য ধারণামতে বারো ভূঁইয়া প্রধান ঈশা খাঁ’র স্ত্রী সোনাবিবি’র নামানুসারে সোনারগাঁও নামকরণ করা হয়।
- বাংলাদেশের প্রাচীন জনপদের মধ্যে শিল্পকলা, সংস্কৃতি ও সাহিত্যের ক্ষেত্রে সোনারগাঁও একটি গৌরবময় জনপদ।
- আনুমানিক ১২৮১ খ্রিস্টাব্দে এ অঞ্চলে মুসলিম আধিপত্যের সূচনা হয়।
- সুলতানী আমলে বাংলার রাজধানী ছিল প্রথমে সোনারগাঁও (১৩৩৮-১৩৫২ খ্রি.)।
- পরে রাজধানী স্থানান্তরিত হয় গৌড়ে (১৪৫০-১৫৬৫ খ্রি.)।
- সুলতানি আমলে সবচেয়ে বেশি সময় ধরে এবং সর্বশেষ রাজধানী গৌড় ছিল। সে আলোকে গৌড় উত্তর নেওয়া হয়েছে।
এছাড়াও,
- ১৬১০ খ্রিস্টাব্দে দিল্লির সম্রাট আওরঙ্গজেবের আমলে ঢাকা সুবে বাংলার রাজধানী হিসেবে ঘোষিত হবার পূর্ব পর্য়ন্ত সোনারগাঁও ছিল পূর্ববঙ্গের রাজধানী।
- ঈশা খাঁ ও তাঁর বংশধরদের শাসনামলে সোনারগাঁও ছিল পূর্ববঙ্গের রাজধানী।
- সোনারগাঁও-এর আরেকটি নাম ছিল পানাম।
- পানাম নগরের নির্মিত ভবনগুলো ছোট লাল ইট দ্বারা তৈরী।
- ইমারতগুলো কোথাও একে অপর থেকে বিচ্ছিন্ন, আবার কোথাও সন্নিহিত।
- অধিকাংশ ভবনই আয়তাকার এবং উত্তর দক্ষিণে বিস্তৃত।দীর্ঘ একটি সড়কের উভয় পাশে দৃষ্টিনন্দন ভবন স্থাপত্যের মাধ্যমে পানামনগর গড়ে উঠেছিল।
- উভয় পাশে মোট ৫২টি পুরোনো বাড়ী এই ক্ষুদ্র নগরীর মূল আকর্ষণ।
উল্লেখ্য,
- ফখরুদ্দিন মুবারক শাহ সোনারগাঁওকে স্বাধীন বাংলার প্রথম রাজধানী করেন।
- জালালউদ্দিন মাহমুদ শাহ তার রাজধানী গৌড়ে স্থানান্তরিত করেন।
- আলাউদ্দিন হোসেন শাহ সিংহাসনে আরোহণ করে রাজধানী গৌড় থেকে একডালাতে স্থানান্তরিত করেন।
উৎস: বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশনের ওয়েবসাইট ও বাংলাপিডিয়া (লিংক)।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
→ বখতিয়ার খলজি প্রথম মুসলিম হিসেবে বাংলা জয় করেন।
বাংলায় মুসলিম শাসন:
- বখতিয়ার খলজি আফগানিস্তানের গরমশীর অঞ্চল (দস্ত-ই-মার্গ) এর অধিবাসী ছিলেন।
- তিনি ১২০৪–১২০৫ সালের শীতকালে নদীয়া আক্রমণ করেন।
- নদীয়া আক্রমণের মাধ্যমে তিনি বাংলার সেন রাজা লক্ষণ সেনকে পরাজিত করেন।
- এর ফলে বাংলায় মুসলিম শাসনের সূচনা ঘটে।
- নদীয়া বিজয়ের পর তিনি গৌড় বা লক্ষ্মণাবতীর দিকে অগ্রসর হন।
- পরবর্তীতে লক্ষ্মণাবতী দখল করে সেখানে রাজধানী স্থাপন করেন।
- মুসলিম শাসনকালে এই অঞ্চল লখনৌতি নামে পরিচিত হয়।
- তাঁর শাসনাধীন এলাকা উত্তরে তিস্তা ও করতোয়া, দক্ষিণে পদ্মা পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল।
- পূর্বদিকে দিনাজপুরের দেবকোট থেকে রংপুর অঞ্চল পর্যন্ত তাঁর নিয়ন্ত্রণ ছিল।
- তিনি প্রশাসনিকভাবে বিজিত অঞ্চলগুলো তুর্কি খলজি আমীরদের মধ্যে ভাগ করে শাসন পরিচালনা করেন।
তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা,এসএসসি প্রোগ্রাম,বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
