পদ প্রকরণ: অব্যয় ও ক্রিয়াপদ প্রশ্নব্যাংক ও সমাধান
বিগত বিসিএস ও চাকরির পরীক্ষার ৩৩৯টি প্রশ্ন নিয়ে স্টাডি ও অনুশীলন করুন
এবং সংস্কৃত ধাতু- কৃ, মাগ্, গম্, ধৃ, গঠ্, স্থা ইত্যাদি।
ফির্, চাহ্, ঠেল্, ডাক্, ভিজ্ ইত্যাদি বিদেশি ধাতু।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি এবং বাংলা প্রশ্নের টীকা-ভাষ্য, অধ্যাপক ড. সৌমিত্র শেখর।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
আদেশ, অনুরোধ, অনুমতি, প্রার্থনা, অনুনয় প্রভৃতি অর্থে বর্তমান এবং ভবিষ্যত কালে মধ্যম পুরুষে ক্রিয়াপদের যেরূপ হয় তাকে অনুজ্ঞা পদ বলে।
যেমনঃ
- তুমি যাও
- কাজটি করে ফেল।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
যেমন -
- সে ঘুমাচ্ছে। এখানে, 'ঘুম্' থেকে নাম ধাতু 'ঘুমা'।
- রাসেল ধমকাচ্ছে। এখানে 'ধমক্' থেকে নাম ধাতু 'ধমকা'
তেমনিভাবে,
অপশনের 'বেতা' একটি নাম ধাতু। 'বেত্' এর সাথে 'আ' প্রত্যয়যুক্ত হয়ে বেতা নাম ধাতু গঠিত হয়েছে।
উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ব্যাকরণ বই (২০১৯ সংস্করণ)।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
ধাতু ৩ প্রকার। যথা:
১. মৌলিক ধাতু,
২. সাধিত ধাতু ও
৩. যৌগিক বা সংযোগমূলক ধাতু।
⇒ মৌলিক ধাতু:
যেসকল ধাতুকে বিশ্লেষণ করা যায় না, সেগুলোই মৌলিক ধাতু। এগুলোকে সিদ্ধ বা স্বয়ংসিদ্ধ ধাতুও বলা হয়।
যেমন- চল্, পড়্, কর্ ইত্যাদি।
• মৌলিক ধাতু আবার ৩ প্রকার। যথা:
ক) বাংলা ধাতু,
খ) সংস্কৃত ধাতু ও
গ) বিদেশি ধাতু।
⇒ সাধিত ধাতু:
মৌলিক ধাতু কিংবা কোনো কোনো নাম-শব্দের সঙ্গে ‘আ’ প্রত্যয় যোগে সাধিত ধাতু গঠিত হয়। আবার যেসব ধাতু বিশ্লেষণ করলে এক বা একাধিক প্রত্যয় পাওয়া যায় তাকেও সাধিত ধাতু বলা হয়।
যেমন:
- দেখ্ + আ = দেখা।
- পড়+আ = পড়া।
- বল+আ =বলা।
• সাধিত ধাতু আবার ৩ প্রকার। যথা:
১. নাম ধাতু,
২. প্রযোজক (নিজন্ত) ধাতুি ও
৩. কর্মবাচ্যের ধাতু।
⇒ সংযোগমূলক ধাতু:
বিশেষ্য, বিশেষণ বা ধ্বন্যাতক অব্যয়ের সাথে কর্, দে, পা, খা, ছাড় ইত্যাদি মৌলিক ধাতু সংযুক্ত হয়ে যে নতুন ধাতু গঠিত হয় তাই সংযোগমূলোক ধাতু।
যেমন: যোগ (বিশেষ্য) + কর্ (ধাতু) = 'যোগ কর' (সংযোগমূলোক ধাতু)।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
• অনন্বয়ী অব্যয়:
যে সকল অব্যয় বাক্যের অন্য পদের সঙ্গে কোনাে অন্বয় বা সম্বন্ধ না রেখে স্বাধীনভাবে ভাব প্রকাশ করে তাদেরকে অনন্বয়ী অব্যয় বলে।
- অনন্বয়ী অব্যয় বক্তার আনন্দ, উচ্ছ্বাস, বিষাদ প্রভৃতি মনােভাব প্রকাশে সহায়তা করে।
যেমন: মরি মরি, উঃ, বটে, ছিঃ প্রভৃতি।
• বাক্যে ব্যবহার: 'মরি মরি! কী সুন্দর প্রভাতের রূপ!' - এখানে 'মরি মরি' অনন্বয়ী অব্যয়।
• প্রশ্নে আলোচিত বাক্য- 'তুমি তাে ভারি সুন্দর ছবি আঁক!’
- বাক্যটিতে 'তো' অব্যয়টি অনন্বয়ী অব্যয় হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে, যা বাক্যের অন্য পদের সাথে সরাসরি সম্বন্ধ না রেখে একটি বিশেষ ভাব (এখানে প্রশংসা বা জোর) প্রকাশ করে।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
ক্রিয়াপদ:
- ক্রিয়াপদের মূল অংশকে বলা হয় ধাতু বা ক্রিয়ামূল।
- ক্রিয়াপদ থেকে ক্রিয়া বিভক্তি বাদ দিলে যা থাকে তাই ধাতু।
- ক্রিয়াপদকে বিশ্লেষণ করলে দুটো অংশ পাওয়া যায়।
যথা:
(১) ধাতু বা ক্রিয়ামূল এবং
(২) ক্রিয়া বিভক্তি।
ধাতু বা ক্রিয়ামূল:
- বাংলা ভাষায় বহু ক্রিয়াপদ রয়েছে। এসকল ক্রিয়াপদেরমূল অংশকে বলা হয় ধাতু বা ক্রিয়ামূল।
ধাতু ৩ প্রকার। যথা-
- মৌলিক ধাতু,
- সাধিত ধাতু ও
- যৌগিক সংযোগমূলক ধাতু।
ক্রিয়া বিভক্তি:
- ক্রিয়ামূলের সঙ্গে যেসব লগ্নক যুক্ত হয়ে ক্রিয়ার কাল ও পক্ষ নির্দেশিত হয়, সেগুলোকে ক্রিয়াবিভক্তি বলে।
যেমন,
- পড়ছি (পড়্ + ছি); এটা দিয়ে ঘটমান বর্তমান কালের পড়া ক্রিয়াকে বোঝায়।
- পড়বেন (পড়্ + বেন); এখানে সাধারণ ভবিষ্যৎ কালের পড়া ক্রিয়াকে বোঝায়।
- পড়ছিল (পড়্ + ছিল); একাহ্নে সাধারণ অতীত কালের পড়া ক্রিয়াকে বোঝায়।
উপরের উদাহরণগুলোতে '-ছি', '-বেন', '-ছিল'- এগুলো হলো ক্রিয়াবিভক্তি।
উৎস:
১) বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ ও ২০২১ সংস্করণ)।
২) মাধ্যমিক বাংলা ২য় পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
শব্দের সাথে 'আ' প্রত্যয় যোগে গঠিত ধাতুকে নামধাতু বলে।
যেমন: ঠ্যাঙা+আ= √ঠ্যাঙা (ঠ্যাঙানো)
লাঠি+আ=√লাঠা (লাঠানো/ লাঠিপেটা করা)
জুতা+আ=√জুতা (জুতানো/জুতাপেটা করা)
রাঙা+আ=√রাঙা (রাঙানো/ রঙ করা)
ঘুম+আ=√ঘুমা (ঘুমানো)
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
ক্রিয়ার মূল অংশ হল ধাতু। ধাতু বা শব্দের সাথে বিভক্তিযুক্ত বর্ণ বা বর্ণসমষ্টি হল প্রত্যয়।
প্রত্যয় দুই প্রকার- কৃৎ প্রত্যয় এবং তদ্ধিত প্রত্যয়।
উৎসঃ শীকর বাংলা প্রশ্ন-পাঠ, মোহসীনা নাজিলা।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
বাক্যে উদ্দেশ্য বা কর্তা কী করে বা কর্তার কী ঘটে বা হয়, তা নির্দেশ করা হয় যে পদ দিয়ে তাকে ক্রিয়া বলে।
- যে পদের দ্বারা কোনো কার্য সম্পাদন করা বোঝায় তাকে ক্রিয়াপদ বলে৷ ক্রিয়ামূল বা ধাতুর সঙ্গে পুরুষ অনুযায়ী কালসূচক ক্রিয়াবিভক্তি যোগ করে ক্রিয়াপদ গঠন করতে হয়।
- ক্রিয়াপদ বাক্যগঠনের অপরিহার্য অঙ্গ। ক্রিয়াপদ ভিন্ন কোন মনোভাবই সম্পূর্ণরূপে প্রকাশ করা যায় না৷ তবে কখনো কখনো বাক্যে ক্রিয়াপদ উহ্য বা অনুক্ত থাকতে পারে৷
বাক্যের মধ্যে কর্মের উপস্থিতির ভিত্তিতে ক্রিয়া তিন প্রকার।
যথা:
১. অকর্মক ক্রিয়া: বাক্যে ক্রিয়ার কোনাে কর্ম না থাকলে সেই ক্রিয়াকে অকর্মক ক্রিয়া বলে।
যেমন:
- সে ঘুমায়।
- সে মাটিতে শোয়।
- সে ভালো দৌড়ায়।
[এই বাক্যেগুলোতে কোনাে কর্ম নেই।]
২. সকর্মক ক্রিয়া: বাক্যের মধ্যে ক্রিয়ার কর্ম থাকলে সেই ক্রিয়াকে সকর্মক ক্রিয়া বলে।
যেমন:
- সে বই পড়ছে।
- বাবা আমাকে একটি কলম কিনে দিয়েছেন।
৩. দ্বিকর্মক ক্রিয়া: বাক্যের মধ্যে ক্রিয়ার দুটি কর্ম থাকলে সেই ক্রিয়াকে দ্বিকর্মক ক্রিয়া বলে।
যেমন:
- তপু দীপুকে বলটি দিল।
- শিক্ষক ছাত্রকে বই দিলেন।
[এই বাক্যে ‘দিলেন একটি দ্বিকর্মক ক্রিয়া। কী দিলেন প্রশ্নের উত্তর দেয় মুখ্য কর্ম (বই), আর কাকে দিলেন প্রশ্নের উত্তর দেয় গৌণ কর্ম (ছাত্রকে)।]
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ ও ২০২২ সংস্করণ), ভাষা শিক্ষা- ড. হায়াৎ মামুদ।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
এর আলোচ্য বিষয় হলো:
- শব্দগঠন,
- প্রত্যয়,
- উপসর্গ,
- পদপরিচয়,
- লিঙ্গ,
- পুরুষ,
- বচন,
- শব্দ ও ধাতুরূপ,
- সমাস,
উৎসঃ ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
ক. পুরুষভেদে ক্রিয়ার রূপের পার্থক্য দেখা যায়।
যেমন:
আমি যাই।
তুমি যাও। আপনি যান।
সে যায়। তিনি যান। (সাধারণ ভবিষ্যৎ কালে নাম পুরুষ ও মধ্যম পুরুষের রূপ অভিন্ন।)
খ. বচনভেদে ক্রিয়ার রূপের পার্থক্য হয় না।
যেমন:
আমি (বা আমরা) যাই।
তুমি (বা তোমরা) যাও।
সে (বা তারা) যায়।
গ. সাধারণ, সম্ভ্রমাত্মক, তুচ্ছার্থকভেদে মধ্যম ও নাম পুরুষের ক্রিয়ার রূপের পার্থক্য হয় হয়ে থাকে (উত্তম পুরুষের হয় না)।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ - নবম-দশম শ্রেণি।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
- ক্রিয়ার কাল তিন প্রকার।
যথা-
- বর্তমান কাল,
- অতীত কাল ও
- ভবিষ্যৎ কাল।
উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি (২০২২ সংস্করণ)।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
সঠিক উত্তর: খ) সম্বোধন পদ।
• সম্বোধন পদ:
- সম্বোধন’ অর্থ — আহবান।
- যাকে সম্বোধন বা আহবান করে কিছু বলা হয়, তাকে সম্বোধন পদ বলে।
- সম্বোধন পদের পর অনেক বিস্ময়সূচক চিহ্ন দেওয়া হয়। এই ধরনের বিস্ময়সূচক চিহ্নকে সম্বোধন চিহ্ন বলা হয়ে থাকে। তবে আধুনিক নিয়মে সম্বোধন চিহ্ন স্থানে কমা (,) চিহ্নের প্রয়োগ বেশি।
- যেমন: ওহে মাঝি, আমাকে পার করো। ওগো, আজ তোরা যাস নে ঘরের বাহিরে।
- সাধু ও চলিত— উভয় রীতিতেই সম্বোধনের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত পদ সাধারণত একই রূপে থাকে।
- যেমন: হে বন্ধু, ওরে ছেলে, মা, ভাই, ইত্যাদি। এদের রীতিভেদে সাধারণত রূপান্তর ঘটে না।
- তাই সাধু ও চলিত রীতিতে অভিন্নরূপে ব্যবহৃত পদ হিসেবে 'সম্বোধন পদ' গ্রহণযোগ্য।
- বাংলা ব্যাকরণে প্রচলিত মূল পদপ্রকার হলো বিশেষ্য, সর্বনাম, বিশেষণ, ক্রিয়া, অব্যয়; আর 'সম্বোধন পদ' এই মূল পদপ্রকারের অন্তর্ভুক্ত নয়, কিন্তু বাক্যে ব্যবহৃত হলে তখন 'সম্বোধন পদ' হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
অন্যদিকে,
• অব্যয় পদ:
- অব্যয় পদকে সাধারণভাবে অপরিবর্তনীয় বলা হলেও সাধু ও চলিত রীতিতে অনেক ক্ষেত্রে এর শব্দরূপ বা ব্যবহারগত পার্থক্য দেখা যায়।
- অর্থাৎ, অব্যয় শব্দের সাথে কোনাে বিভক্তিচিহ্ন যুক্ত হয় না, সেগুলাের একবচন বা বহুবচন হয় না এবং সেগুলাের স্ত্রী ও পুরুষবাচকতা নির্ণয় করা যায় না। কিন্তু রীতিভেদে এর রূপ পরিবর্তীত হতে পারে।
- যেমন: সহিত > সঙ্গে, হইতে > থেকে।
- তাই একে নিরঙ্কুশভাবে অভিন্নরূপে ব্যবহৃত বলা যায় না।
--------------------------
• সাধু ও চলিত ভাষারীতির পার্থক্য:
- সাধুভাষা বা সাধুরীতির গদ্যের বৈশিষ্ট্য:
- সাধুভাষায় তৎসম বা সংস্কৃত শব্দের প্রাধান্য, যেমন-গলদঘর্ম, নিরীক্ষণ, দিবাকর প্রভৃতি অসংখ্য শব্দ।
- ক্রিয়ার পূর্ণাঙ্গরূপ, যেমন-করিলে, করিয়া, বলিয়া, হইয়া, তুলিয়া, বদলাইয়া, হইলেন, করিলেন ইত্যাদি।
- সর্বনাম পদের পূর্ণাঙ্গরূপ, যেমন-তাহারা, তাহাদিগের ইত্যাদি।
- অনুসর্গের (অব্যয়) পূর্ণাঙ্গরূপ, যেমন-হইতে।
- চলিত ভাষা বা চলিত রীতির গদ্যের বৈশিষ্ট্য:
- চলিত ভাষায় তদ্ভব, দেশি ও বিদেশি শব্দের প্রাধান্য।
- ক্রিয়ার সংক্ষিপ্তরূপ, যেমন-করে (< করিয়া), বসে (‹ বসিয়া), চেয়ে (< চাহিয়া) ইত্যাদি।
- সর্বনাম পদের সংক্ষিপ্তরূপ, যেমন-তাঁর (‹ তাঁহার), তার (‹ তাহার), তারা (< তাহারা) ইত্যাদি।
- অনুসর্গের (অব্যয়) সংক্ষিপ্তরূপ, যেমন: বাইরের (‹ বাহিরের), কাছে (‹ নিকটে), থেকে (< থাকিয়া) ইত্যাদি।
• উল্লেখ্য যে,
- সাধুরীতিতে বিভিন্ন পদ-বিশেষত ক্রিয়া, সর্বনাম ও নঞর্থক অব্যয় পদের পূর্ণরূপ ব্যবহৃত হয়।
- যেমন : 'যাহাকে তাহাকে মারিতে যাওয়া তোমার উচিত হয় নাই'।
- এখানে- 'যাহাকে', 'তাহাকে'-সর্বনাম পদ; 'মারিতে'-ক্রিয়া পদ এবং 'নাই'-নঞর্থক অব্যয় (যোজক) পদের পূর্ণরূপ ব্যবহৃত হয়েছে।
- চলিত ভাষারীতিতে ক্রিয়া, সর্বনাম এবং নঞর্থক অব্যয় (যোজক) পদের সংক্ষিপ্ত রূপ ব্যবহৃত হয়।
- যেমন: যাকে তাকে যা তা শোনাতে যাওয়া তোমার উচিত হয়নি।
- এখানে 'যাকে', 'তাকে', 'যা', 'তা' যথাক্রমে 'যাহাকে', 'তাহাকে'-সর্বনাম পদ; 'যাহা' 'তাহা'-অব্যয় পদ (যোজক) এবং 'শোনাতে' ও 'নি' যথাক্রমে 'শুনাইতে'-ক্রিয়া ও 'নাই' নঞর্থক অব্যয় (যোজক) পদের সংক্ষিপ্ত রূপ ব্যবহৃত হয়েছে।
উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ভাষার ব্যাকরণ (২০১৯ সংস্করণ) ও ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
ভাবপ্রকাশের দিক দিয়ে ক্রিয়া দুই প্রকার:
⇒ সমাপিকা ক্রিয়া: যে ক্রিয়া দিয়ে ভাব সম্পূর্ণ হয়, তাকে সমাপিকা ক্রিয়া বলে।
যেমন – ভালাে করে পড়াশােনা করবে।
⇒ অসমাপিকা ক্রিয়া: যে ক্রিয়া ভাব সম্পূর্ণ করতে পারে না, তাকে অসমাপিকা ক্রিয়া বলে।
যেমন – ভালাে করে পড়াশােনা করলে ভালাে ফল হবে।
অসমাপিকা ক্রিয়া তিন ধরনের:
- ভূত অসমাপিকা
- ভাবী অসমাপিকা
- শর্ত অসমাপিকা
যথা:
ভূত অসমাপিকা: সে গান করে আনন্দ পায়।
ভাবী অসমাপিকা: সে গান শিখতে রাজশাহী যায়।
শর্ত অসমাপিকা: গান করলে তার মন ভালো হয় ৷
উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি (২০২২ সংস্করণ)।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
-Interjection is a big name for a little word. Interjections are short exclamations like Oh!, Um or Ah! They have no real grammatical value but we use them quite often, usually more in speaking than in writing.
• It is a word or phrase used in exclamation (such as Heavens! Dear me!)
মোট কথা আবেগ, অনূভুতি, কিংবা বিরক্তি, হতাশা, দু:খ,, আশ্চর্যান্বিত হওয়া ইত্যাদি বোঝাতে Interjection ব্যাবহৃত হয়।
- এটি Formal লেখায় ব্যবহৃত হয়না, কেবল Informal কথোপকথন, মুভি বা সিনেমার ডায়লগ, কিংবা উপন্যাসে ব্যবহৃত হয়।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
যে অব্যয় পদ একটি বাক্যের সঙ্গে অন্য একটি বাক্যের অথবা বাক্যস্থিত একটি পদের সঙ্গে অন্য একটি পদের সংযোজন, বিয়োজন এবং সংকোচন ঘটায় তাকে সমুচ্চয়ী অব্যয় বলে।
যেমন:
- 'লেখাপড়া কর নতুবা ফেল করবে' বাক্যের ‘নতুবা' সমুচ্চয়ী অব্যয়।
সমুচ্চয়ী অব্যয় তিন প্রকার।
যথা:
• বিয়োজক অব্যয়:
মন্ত্রের সাধন কিংবা শরীর পাতন।
এখানে ''কিংবা'' বিয়োজক' অব্যয়।
এরকম- কিংবা, বা, অথবা, নতুবা, না হয়, নয়তো, ইত্যাদি।
• সংযোজক অব্যয়:
ক. উচ্চপদ ও সামাজিক মর্যাদা সকলেই চায়। বাক্যে ‘ও’ সংযোজক অব্যয়।
খ. তিনি সৎ, তাই তাঁকে সকলেই শ্রদ্ধা করে। বাক্যে ‘তাই’ সংযোজক অব্যয়।
তাছাড়া আর, অধিকন্তু, সুতরাং সংযোজক অব্যয়।
• সংকোচক অব্যয়:
- তিনি বিদ্বান, অথচ সৎ ব্যক্তি নন। বাক্যে ‘অথচ’ সংকোচক অব্যয়। কিন্তু, বরং শব্দগুলোও সংকোচক অব্যয়।
• অনুগামী সমুচ্চায়ী অব্যয়:
যে, যদি, যদিও, যেন প্রভৃতি কয়েকটি শব্দ সংযোজক অব্যয়ের কাজ করে থেকে।
তাই তাদের অনুগামী সমুচ্চায়ী অব্যয় বলে।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
• যৌগিক কাল:
- ক্রিয়ার যে কালরূপ একাধিক ধাতুর দ্বারা গঠিত, তাকে যৌগিক কাল বলে।
- যৌগিক কালের ক্রিয়া গঠনের জন্য মূল ধাতুর সাথে 'ইয়া' বা 'ইতে' প্রত্যয় যোগ করার পর '√আছ্', '√থাক্' প্রভৃতি ধাতুকে সহায়ক হিসেবে ব্যবহার করতে হয়।
- বাংলায় ঘটমান ও পুরাঘটিত কালগুলো যৌগিক কাল হিসেবে গণ্য হয়।
- সুতরাং পুরাঘটিত বর্তমান, ঘটমান বর্তমান, পুরাঘটিত অতীত, ঘটমান অতীত, পুরাঘটিত ভবিষ্যৎ, ঘটমান ভবিষ্যৎ কালগুলো যৌগিক কাল।
অপশনে প্রদত্ত,
- করছিলাম ও করছি - ঘটমান কাল নির্দেশ করে।
- করেছি - পুরাঘটিত কাল নির্দেশ করে।
সুতরাং, এগুলো যৌগিক কালের উদাহরণ।
- করব সাধারণ ভবিষ্যৎ কালের উদাহরণ। অর্থাৎ এটি সরল কালের উদাহরণ।
উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ এবং বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯-সংস্করণ); মাধ্যমিক বাংলা দ্বিতীয় পত্র বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
• সাধু ভাষারীতির বৈশিষ্ট্য:
- সাধু ভাষার রূপ অপরিবর্তনীয়। অঞ্চলভেদে বা কালক্রমে এর কোনো পরিবর্তন হয় না।
- সাধু ভাষারীতিতে তৎসম বা সংস্কৃত শব্দের ব্যবহার বেশি বলে এ ভাষায় এক প্রকার আভিজাত্য ও গাম্ভীর্য আছে।
- এ ভাষারীতি ব্যাকরণের সুনির্ধারিত নিয়ম অনুসরণ করে চলে। এর পদবিন্যাস সুনিয়ন্ত্রিত ও সুনির্দিষ্ট।
- সাধু ভাষারীতি শুধু লেখায় ব্যবহার হয়। তাই কথাবার্তা, বক্তৃতা, ভাষণ ইত্যাদির উপযোগী নয়।
- সাধু ভাষারীতিতে সর্বনাম ও ক্রিয়াপদের পূর্ণরূপ ব্যবহৃত হয়।
--------------------------
• প্রমিত বা চলিত রীতি:
• বিশ শতকের মাঝামাঝি নাগাদ চলিত রীতি সাধু রীতির জায়গা দখল করে। ক্রমে জীবনের সব ক্ষেত্রে সাধু রীতিকে সরিয়ে চলিত রীতি আদর্শ লেখ্য রতিতে পরিণত হয়। একুশ শতকের সূচনা নাগাদ এই চলিত রীতিরই নতুন নাম হয় ‘প্রমিত রীতি’। এটি ‘নাম রীতি’ নামেও পরিচিত।
• বর্তমান বাংলাদেশ, পশ্চিমবঙ্গ ও ত্রিপুরায় যাবতীয় দাপ্তরিক কাজ, বিদ্যাচর্চা, সাংবাদিকতা ও যোগাযোগের ভাষা হিসাবে প্রমিত রীতির লেখ্য বাংলা ভাষার প্রধান রীতিতে পরিণত হয়েছে।
প্রমিত রীতির সাধারণ বৈশিষ্ট্য:
- প্রমিত রীতিতে ক্রিয়া, সর্বনাম ও অনুসর্গ হ্রস্বতর।
- প্রমিত রীতিতে প্রয়োজন অনুযায়ী সব ধরনের শব্দ ব্যবহার করা যায়। যেমন: তৎসম ‘বৎসর’-ও লেখা যায় আবার তদ্ভব ‘বছর’-ও লেখা যায়।
- প্রমিত রীতিতে কথ্য রীতির বহু শব্দ বর্জনীয়।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১ সংস্করণ)।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
- যে পদ দ্বারা কোনো কার্য সম্পাদন করা বোঝায়, তাকে ক্রিয়াপদ বলে।
- ক্রিয়াপদের মূল অংশকে বলা হয় ধাতু বা ক্রিয়ামূল।
- ধাতু তিন প্রকার:
i) মৌলিক ধাতু,
ii) সাধিত ধাতু,
iii) যৌগিক বা সংযোগমূলক ধাতু।
ক্রিয়াপদ:
- ক্রিয়াপদ থেকে ক্রিয়া বিভক্তি বাদ দিলে যা থাকে তাই ধাতু।
- ক্রিয়াপদকে বিশ্লেষণ করলে দুটো অংশ পাওয়া যায়।
যথা:
(১) ধাতু বা ক্রিয়ামূল এবং
(২) ক্রিয়া বিভক্তি।
অন্যদিকে,
কর্ম:
- যা ক্রিয়ার উপর কাজের লক্ষ্য বা ফল বোঝায় (যেমন, রানা বই পড়ে—এখানে বই কর্মকারক)।
বিভক্তি:
- ক্রিয়ার কাল নির্দেশের জন্য এবং কারক বোঝাতে পদের সঙ্গে যেসব শব্দাংশ যুক্ত থাকে, সেগুলোকে বিভক্তি বলে।
বিভক্তি দুই প্রকার:
১. ক্রিয়া-বিভক্তি ও
২. কারক-বিভক্তি।
- ‘করলাম’ ক্রিয়াপদের ‘লাম’ শব্দাংশ হলো ক্রিয়া-বিভক্তি এবং ‘কৃষকের’ পদের ‘এর’ শব্দাংশ কারক-বিভক্তির উদাহরণ।
• প্রত্যয়:
- শব্দ ও ধাতুর পরে অর্থহীন যেসব শব্দাংশ যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ তৈরি হয়, সেগুলোকে প্রত্যয় বলে।
যেমন -
→ বাঘ + আ = বাঘা,
→ দিন + ইক = দৈনিক।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
[50th BCS preli]
সঠিক উত্তর হলো— খ) Business confidence is on the up.
• এই বাক্যে 'up' একটি noun হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। "on the up" একটি idiomatic expression যার অর্থ "improving" বা "getting better" (উন্নতির দিকে যাচ্ছে)।
এখানে 'up' এর আগে article 'the' আছে, যা প্রমাণ করে এটি noun. Preposition 'on' এর object হিসেবে 'the up' কাজ করছে।
• up: [noun]
- on the up [idiom]
English meaning: increasing or improving.
Bangla meaning: উন্নতির দিকে / উন্নতি হচ্ছে / বৃদ্ধি পাচ্ছে।
Example:
- Business confidence is on the up.
- House prices are still on the up.
অন্যান্য অপশনগুলোতে 'up' এর ভূমিকা:
ক) He turned the volume up.
- এখানে 'up' হলো adverb.
- এটি 'turned' verb-কে modify করছে, নির্দেশ করছে কীভাবে volume পরিবর্তন করা হয়েছে (উপরের দিকে/বাড়ানো হয়েছে)।
গ) We live just up the road.
- এখানে 'up' হলো preposition.
- এটি 'the road' এর সাথে যুক্ত হয়ে স্থান নির্দেশ করছে।
- "up the road" = রাস্তার উপরের দিকে/সামনে।
ঘ) Our system should be up by afternoon.
- এখানে 'up' হলো adjective বা predicate adjective। এটি 'system' কে describe করছে, অর্থ হলো চালু/কার্যকর (operational/running).
Source:
- Oxford Dictionary.
- Cambridge Dictionary.
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
• অব্যয় পদ:
যে পদ সর্বদা অপরিবর্তনীয় থেকে বাক্যের শোভা বর্ধন করে, কখনো একাধিক পদের, বাক্যাংশের বা বাক্যের সংযোগ বা বিয়োগ সম্বন্ধ ঘটায়, তাকে অব্যয় পদ বলে।
যথা-
১. বাংলা,
২. তৎসম,
৩. বিদেশি।
বাংলা অব্যয় শব্দ - আর, আবার, ও, হ্যাঁ।
তৎসম অব্যয় শব্দ - যদি, যথা, সহসা, আপাতত, বরং।
বিদেশী অব্যয় শব্দ - আলবত, বহুত, খুব, শাবাশ, খাসা, মাইরি।
সংযোজক অব্যয়:
সংযোজক অব্যয়গুলো হলো- ও, এবং, তাই, আর, অধিকন্তু, সুতরাং ইত্যাদি। যেমন- সে রূপবান ও গুণবান।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, ৯ম-১০ম শ্রেণি (২০১৯-সংস্করণ) এবং বাংলা দ্বিতীয় পত্র, নবম-শ্রেণি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
