পদ প্রকরণ: বিশেষ্য, বিশেষণ ও সর্বনাম প্রশ্নব্যাংক ও সমাধান
বিগত বিসিএস ও চাকরির পরীক্ষার ৩৩২টি প্রশ্ন নিয়ে স্টাডি ও অনুশীলন করুন
কিছু শব্দ আছে যা কেবল স্ত্রীবাচক এদেরকে নিত্য স্ত্রীবাচাক শব্দ বলে।
যেমন- এয়ো, সতীন, সৎমা, সধবা, কুলটা, বিধবা, অরক্ষণীয়া, সপত্নী ইত্যাদি।
নিত্য পুরুষবাচাক শব্দ:
কিছু শব্দ আছে তা কেবল পুরুষকে নির্দেশ করে এদেরকে নিত্য পুরুষবাচাক শব্দ বলে।
যেমন- কবিরাজ, কৃতদার, অকৃতদার, ঢাকী ইত্যাদি।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ নির্মিত, নবম-দশম শ্রেনি।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণপারিভাষিক শব্দ হলো:
'Invoice' এর বাংলা পারিভাষিক রূপ = চালান, প্রেরিতক-সূচি
'Edition' শব্দের পারিভাষিক অর্থ - সংস্করণ
'Appendix' শব্দের বাংলা পরিভাষা - পরিশিষ্ট
'Memorandum' শব্দের বাংলা পরিভাষা - স্মারকলিপি
উৎস: প্রশাসনিক পরিভাষা, বাংলা একাডেমি।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
যেমন-
- কবিরাজ
- ঢাকী
- কৃতদার
- অকৃতদার
[উৎস:বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি, সংস্করণ-২০১৯]
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
• মন (বিশেষ্য)
- সংস্কৃত শব্দ মনস্ শব্দ থেকে উদ্ভূত শব্দ
অর্থ: যে বৃত্তির সাহায্যে মানুষ বা অন্যান্য প্রাণী তার চারপাশের জগৎ ও অভিজ্ঞতা সম্পর্কে অবহিত হয় এবং কোনো বিষয়ে চিন্তা বা কোনো কিছু অনুভব করতে পারে, চিত্ত, হৃদয়, অন্তঃকরণ, অন্তরিন্দ্রিয়।
- স্মরণ,
- বোধ, ধারণা
- ইচ্ছা, প্রবৃত্তি।
- নিষ্ঠা
- মনোযোগ
- পছন্দ
• মানসিক (বিশেষণ)
- সংস্কৃত শব্দ
- প্রকৃতি প্রত্যয় = মানস+ইক
অর্থ: মনোগত, কল্পনাপ্রসূত
• মানস, মনন এবং মানুষ = বিশেষ্য
উৎস: আধুনিক বাংলা অভিধান, বাংলা একাডেমি।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
লবণ (বিশেষ্য) ১ ক্ষারযুক্ত দ্রব্য।
২ নুন; salt (অগ্নিদাহে গায়ে যেন লাগিল লবণ-সৈয়দ আলাওল)।
লবণাক্ত (বিশেষণ) ১ লবণমিশ্রিত; লবণযুক্ত; ক্ষারযুক্ত।
লাবণ্য (বিশেষ্য) চাকচিক্য; সৌন্দর্য; কান্তি; শ্রী; শোভা
লাবণ্যময় (বিশেষণ) কান্তিযুক্ত; সৌন্দর্যশালী; মাধুর্যমণ্ডিত।
লাবণ্যময়ী (বিশেষণ) (স্ত্রীলিঙ্গ)।
লাবণ্যার্জিত (বিশেষণ) - নববধূর মুখ দেখে শ্বশুর-শ্বাশুড়ি যে টাকা প্রদান করেন; গ্রাম্য ভাষায় বউয়ের মুখ-দেখা টাকা।
উৎস: বাংলা একাডেমী অভিধান।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
উৎসঃ বাংলা একাডেমি অভিধান।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
- Autumn, Church, Earth, Hope, Justice, Liberty, Mersy, Modesty, Moon, Night, Nature, Peace, Religion, Spring, Truth এদের সৌন্দর্য, নমনীয়তা, কোমলতা, পবিত্রতা ইত্যাদি নারীসুলভ গুণ থাকার কারণে এদেরকে Feminine gender হিসেবে গণ্য করা হয়।
- Death, Anger, Day, Fear, June, Love, Revenge, Sun, Summer, Thunder, Time, War, Winter এদের তেজ, শক্তি বা পুরুষোচিত গুণ থাকার কারণে এদেরকে Masculine gender হিসেবে গণ্য করা হয়।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
লিঙ্গ:
- ‘লিঙ্গ’ শব্দের অর্থ চিহ্ন।
- এটি সংস্কৃত শব্দ এবং এর ব্যুৎপত্তি হলো লিঙ্গ+অ = লিঙ্গ।
- লিঙ্গ শব্দের ভিন্ন অর্থ থাকলেও ব্যাকরণে এটি শব্দের শ্রেণীবিশেষ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
- যে সকল শব্দ দ্বারা বিশেষ্য ও সর্বনাম পদের মধ্যে পুরুষ, স্ত্রী বা ভিন্ন জাতি বোঝায়, তাকে লিঙ্গ বলে।
- বাংলা ব্যাকরণে লিঙ্গকে চার ভাগে ভাগ করা হয়েছে।
যথা-
ক) পুংলিঙ্গ:
- যে সব নামবাচক শব্দের সাহায্যে পুরুষজাতিকে বোঝায়, তাদেরকে বলা হয় পুংলিঙ্গ।
যেমন- কাকা, চাচা, ছেলে, বালক, নানা, বাবা, গোয়ালা, কিশোর, প্রবীণ ইত্যাদি।
খ) স্ত্রীলিঙ্গ:
- যে সব নামবাচক শব্দের সাহায্যে স্ত্রীজাতিকে বোঝায়, সেসব শব্দকে স্ত্রীলিঙ্গ বলে।
যেমন- কাকী, মামী, চাচী, মা, আম্মা, কিশোরী, প্রবীণা ইত্যাদি।
গ) ক্লীবলিঙ্গ:
- যে সব শব্দের সাহায্যে পুরুষ ও স্ত্রীজাতি কোনোটিই বোঝায় না, সেসব শব্দকে বলা হয় ক্লীবলিঙ্গ।
যেমন- গাছ, পাহাড়, পর্বত, বই, টেবিল, ফুল, ফল, চেয়ার ইত্যাদি।
ঘ) উভয় লিঙ্গ:
- যে সব শব্দের সাহায্যে স্ত্রী ও পুরুষজাতি উভয়ই বোঝায়, তাকে বলা হয় উভয়লিঙ্গ।
যেমন- শিল্পী, ডাক্তার, শিশু, মানুষ, কবি ইত্যাদি।
উৎস: বাংলা দ্বিতীয় পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
• নিত্য পুরুষবাচক শব্দ:
কিছু শব্দ আছে তা কেবল পুরুষকে নির্দেশ করে এদেরকে নিত্য পুরুষবাচক শব্দ বলে।
যেমন- কবিরাজ, কৃতদার, অকৃতদার, ঢাকী ইত্যাদি।
• নিত্য স্ত্রীবাচক শব্দ:
কিছু শব্দ আছে যা কেবল স্ত্রীবাচক এদেরকে নিত্য স্ত্রীবাচক শব্দ বলে।
যেমন- এয়ো, সতীন, সৎমা, সধবা, কুলটা, বিধবা, অরক্ষণীয়া, সপত্নী ইত্যাদি।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ নির্মিত, নবম-দশম শ্রেণি।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
- বিশেষণ পদ।
- সংস্কৃত শব্দ।
অর্থ:
- সতিনের সূত্রে সম্পর্কিত।
অন্যদিকে,
• 'মহত্ত্ব'
- বিশেষ্য পদ।
- সংস্কৃত শব্দ।
অর্থ:
- মহতের ভাব,
- উদারতা।
• 'সতীত্ব'
- বিশেষ্য পদ।
- সংস্কৃত শব্দ।
অর্থ:
- সতী স্ত্রীর ধর্ম।
• 'সৌন্দর্য'
- বিশেষ্য পদ।
- সংস্কৃত শব্দ।
অর্থ:
- শোভা।
উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
যে স্ত্রীলোক/নারী প্রিয় কথা বলে : প্রিয়ংবদা
যে রমনি/নারীর স্বামী বিদেশে থাকে : প্রোষিতভর্তৃকা
যে স্বামীর স্ত্রী প্রবাসে থাকে : প্রোষিতপত্নীক
সূর্যও যে নারীর মুখ দেখতে পারে না : অসূর্যস্পর্শ্যা
যে নারীর সন্তান বাঁচে না : মৃতবৎসা
যার স্ত্রী মারা গিয়াছে : বিপত্নীক
যে নারীর পতি/স্বামী নেই, পুত্রও নেই : অবীরা
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
কিছু শব্দ পুরুষ ও স্ত্রী দুই-ই বোঝায়। যেমন- জন, পাখি, শিশু, সন্তান, শিক্ষিত, গুরু।
কিছু শব্দ শুধু পুরুষ বোঝায়। যেমন- কবিরাজ, ঢাকী, কৃতদার, অকৃতদার।
কিছু শব্দ শুধু স্ত্রীবাচক হয়। যেমন- সতীন, সৎমা, সধবা।
বাংলায় বিশেষণ পদের স্ত্রীবাচক হয় না। যেমন- মেয়েটি পাগল হয়ে গেছে (পাগলি হবে না)।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
যে নারীর স্বামী ও পুত্র নেই - অবীরা
যে নারীর এখনো বিয়ে হয় নি - অনূঢ়া
যে নারীর সম্প্রতি বিয়ে হয়েছে - নবোঢ়া
যে নারী শারীরিক সম্পর্কে লিপ্ত হয় নি - কুমারী
যে নারীর হাসি বিশুদ্ধ - শুচিস্মিতা
সূত্রঃ বাংলা একাডেমি অভিধান
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
সৈন্য পুরুষ বাচক শব্দ।
টেবিল ক্লীবলিঙ্গ।
উৎসঃ ভাষা-শিক্ষা, ড.হায়াৎ মামুদ
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
যেমন -টা, -টি, -খানা, -খানি, -জন, -টুকু।
[উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি সংস্করণ ২০২১]
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
সর্বনামকে নিচের নয়টি শ্রেণিতে ভাগ করা যায়।
⇒ অন্যবাচক সর্বনাম: নিজ ভিন্ন অন্য কোনাে অনির্দিষ্ট ব্যক্তি বােঝাতে অন্যবাচক সর্বনাম ব্যবহৃত হয়।
যেমন- অন্য, অপর, পর, অমুক ইত্যাদি।
⇒ ব্যক্তিবাচক সর্বনাম: ব্যক্তিবাচক সর্বনাম ব্যক্তিনামের পরিবর্তে বসে।
এই সর্বনাম তিন ধরনের। যথা -
- বক্তা পক্ষের সর্বনাম: আমি, আমরা, আমাকে, আমাদের ইত্যদি।
- শ্রোতা পক্ষের সর্বনাম: তুমি, তােমরা, তুই, তােরা, আপনি, আপনারা, তােমাকে, তােকে, আপনাকে ইত্যাদি।
- অন্য পক্ষের সর্বনাম: সে, তারা, তিনি, তাঁরা, এ, এরা, ওর, ওদের ইত্যাদি।
⇒ আত্মবাচক সর্বনাম: কর্তা নিজেই কোনাে কাজ করেছে, এ ভাবটি জোর দিয়ে বােঝানাের জন্য এ ধরনের সর্বনাম ব্যবহার করা হয়।
যেমন – নিজে (সে নিজে অঙ্কটা করছে), স্বয়ং ইত্যাদি।
⇒ নির্দেশক সর্বনাম: যে সর্বনাম নৈকট্য বা দূরত্ব নির্দেশ করে, তাকে নির্দেশক সর্বনাম বলে।
যেমন – নিকট নির্দেশক: এ, এই, এরা, ইনি; দূর নির্দেশক: ও, ওই, ওরা, উনি।
⇒ অনির্দিষ্ট সর্বনাম: অনির্দিষ্ট বা পরিচয়হীন কিছু বােঝাতে যে সর্বনাম ব্যবহৃত হয়, তাকে অনির্দিষ্ট সর্বনাম বলে।
যেমন – কেউ, কোথাও, কিছু, একজন (একজন এসে খবরটা দেয়) ইত্যাদি।
⇒ প্রশ্নবাচক সর্বনাম: প্রশ্ন তৈরির জন্যে প্রশ্নবাচক সর্বনাম প্রয়ােগ করা হয়।
যেমন – কে, কারা, কাকে, কার, কী (কী দিয়ে ভাত খায়?) ইত্যাদি।
⇒ সাপেক্ষ সর্বনাম: পরস্পর নির্ভরশীল দুটি সর্বনামকে সাপেক্ষ সর্বনাম বলে।
যেমন – যারা-তারা, যে-সে, যেমন-তেমন (যেমন কর্ম তেমন ফল) ইত্যাদি।
⇒ পারস্পরিক সর্বনাম: দুই পক্ষের সহযােগিতা বা নির্ভরতা বোঝাতে পারস্পরিক সর্বনাম ব্যবহৃত হয়।
যেমন – পরস্পর, নিজেরা নিজেরা (যাবতীয় দ্বন্দ্ব নিজেরা নিজেরা মিটমাট করে) ইত্যাদি।
⇒ সকলবাচক সর্বনাম: ব্যক্তি, বস্তু বা ভাবের সমষ্টি বােঝাতে সকলবাচক সর্বনাম হয়।
যেমন – সবাই, সকলে, সকলকে, সবার, সমস্ত, সব ইত্যাদি।
উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ব্যাকরণ (২০২১ সংস্করণ)।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
- এ বাক্যে চেনা শব্দটি দ্বারা লোকটির পরিচিতি বা অবস্থা প্রকাশ করেছে তাই এটি বিশেষণ পদ।
- এছাড়াও, বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান অনুসারে ‘চেনা’ বিশেষণ পদ।
উৎস: বাংলা একাডেমী আধুনিক বাংলা অভিধান।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
• গুণবাচক বিশেষ্য:
যে বিশেষ্য দ্বারা কোনো বস্তুর দোষ বা গুণের নাম বোঝায়, তা-ই গুণবাচক বিশেষ্য।
যথা -
→ মধুর মিষ্টত্বের গুণ - মধুরতা,
→ তরল দ্রব্যের গুণ - তারল্য,
→ তিক্ত দ্রব্যের দোষ বা গুণ - তিক্ততা,
→ তরুণের গুণ - তারুণ্য ইত্যাদি।
তদ্রূপ - সৌরভ, স্বাস্থ্য, যৌবন, সুখ, দুঃখ।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান অনুসারে,
• ‘সাথি’ শব্দের অর্থ: সঙ্গী, সহচর।
- সঙ্গী শব্দের স্ত্রীবাচক শব্দ হচ্ছে সঙ্গিনী। তবে সাথি শব্দের কোনো স্ত্রীবাচক শব্দ নেই।
বাংলা ব্যাকরণে লিঙ্গকে চার ভাগে ভাগ করা হয়েছে। এ চার প্রকার লিঙ্গ হলাে
ক) পুংলিঙ্গ
খ) স্ত্রীলিঙ্গ
গ) ক্লীবলিঙ্গ ও
ঘ) উভয়লিঙ্গ
⇒ যেসব শব্দের সাহায্যে পুরুষ ও স্ত্রী লিঙ্গ উভয়ই বোঝায় তাদেরকে উভয়লিঙ্গ বলে।
উভয়লিঙ্গের উদাহরণ- শিল্পী, সন্তান, শিশু, কবি ইত্যাদি।
⇒ 'সাথী' শব্দটি দ্বারা পুরুষ ও স্ত্রী উভয় বোঝানো যায়। সুতরাং সাথি/'সাথী' শব্দটি উভয় লিঙ্গ।
উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ২য় পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
--------------------
• উভয়লিঙ্গ:
- যে শব্দ দ্বারা স্ত্রী বা পুরুষ উভয় বোঝায়, তা উভয়লিঙ্গ।
বাংলা ভাষায় সর্বনাম শব্দে নারী-পুরুষবাচক পার্থক্য করা হয় না। আমি, তুমি, সে, তারা, এটা, ওটা ইত্যাদি সর্বনাম স্ত্রী-পুরুষ উভয় ক্ষেত্রেই একই রূপে ব্যবহৃত হয়।
--------------------------
• লিঙ্গ:
- লিঙ্গ শব্দের অর্থ চিহ্ন বা লক্ষণ।
- বাংলা ভাষায় এমন অনেক শব্দ আছে যেগুলো কোনোটি পুরুষ জাতীয়, কোনোটি স্ত্রী জাতীয়, কোনোটি আবার স্ত্রী-পুরুষ উভয়কেই বোঝায়।
- তাই যেসব চিহ্ন বা লক্ষণ দ্বারা শব্দকে পুরুষ, স্ত্রী বা অন্য জাতীয় হিসেবে আলাদা করা যায়, তাকে লিঙ্গ বলে।
লিঙ্গ চার প্রকার।
যথা:
১. পুংলিঙ্গ বা পুরুষবাচক শব্দ। যেমন: বাবা, ছেলে, বিদ্বান, সুন্দর।
২. স্ত্রীলিঙ্গ বা স্ত্রীবাচক শব্দ। যেমন: মা, মেয়ে, বিদুষী, সুন্দরী।
৩. উভয়লিঙ্গবাচক শব্দ। যেমন: মানুষ, গরু, শিশু, সন্তান, বাঙালি ।
৪. ক্লীবলিঙ্গ বা অলিঙ্গবাচক শব্দ। যেমন: বই, খাতা, চেয়ার, টেবিল ।
উৎস: বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, অষ্টম শ্রেণি এবং ভাষা-শিক্ষা, ড.হায়াৎ মামুদ।।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
পদ:
- শব্দে বিভক্তি যুক্ত হলেই তাকে পদ বলা হয়। অর্থাৎ, বিভক্তি যুক্ত শব্দকে পদ বলে।
- বাক্যে ব্যবহৃত প্রতিটি শব্দ বিভক্তিযুক্ত।
- যেসব শব্দে বিভক্তি দেখা যায় না সেসব শব্দে শূন্য বিভক্তি থাকে। তাই বাক্যের প্রতিটি শব্দই পদ।
পদগুলো প্রধানত দুই প্রকার।
যথা - সব্যয় পদ ও অব্যয় পদ।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ-নবম দশম শ্রেণী (২০১৯ সংস্করণ)।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
[অপশনে সঠিক উত্তর না থাকায় প্রশ্নটি বাতিল করা হলো।]
• বিশেষ্য:
যেসব শব্দ দিয়ে ব্যক্তি, প্রাণী, স্থান, বস্তু, ধারণা ও গুণের নাম বোঝায়, সেগুলোকে বিশেষ্য বলে। যেমন: নজরুল, বাঘ, ঢাকা, ইট, ভোজন, সততা ইত্যাদি।
বিশেষ্যপদ ছয় প্রকার:
১. সংজ্ঞা (বা নাম) বাচক বিশেষ্য,
২. জাতিবাচক বিশেষ্য,
৩. বস্তুবাচক বিশেষ্য,
৪. সমষ্টিবাচক বিশেষ্য,
৫. ভাববাচক/ক্রিয়া বিশেষ্য,
৬. গুণবাচক বিশেষ্য।
• ভাববাচক বিশেষ্য:
যে বিশেষ্য পদের কোনো ক্রিয়ার ভাব বা কাজের ভাব প্রকাশিত হয় তাকে ভাববাচক বিশেষ্য বলে।
যথা- গমন (যাওয়ার ভাব বা কাজ), দর্শন (দেখার কাজ), ভোজন (খাওয়ার কাজ), শয়ন(শোয়ার কাজ) দেখা, শোনা ইত্যাদি ভাববাচক বিশেষ্য।
অন্যদিকে,
• গুণবাচক বিশেষ্য:
যে বিশেষ্য দ্বারা কোনো বস্তুর দোষ বা গুণের নাম বোঝায়, তাই গুণবাচক বিশেষ্য। যথা -
মধুর মিষ্টত্বের গুণ = মধুরতা।
তদ্রূপ: সৌরভ, স্বাস্থ্য, যৌবন, তারুণ্য, তারল্য, তিক্ততা, সুখ, দুঃখ, উৎকর্ষ ইত্যাদি। অতএব আনন্দও গুণবাচক বিশেষ্য।
- ‘জনতা’ সমষ্টিবাচক বিশেষ্য।
- ‘বাঙালি’ জাতিবাচক বিশেষ্য।
- ‘সৌন্দর্য’ গুণবাচক বিশেষ্য।
উল্লেখ্য, ভাববাচক বিশেষ্য (২০২৩ সংস্করণ) অনুসারে ক্রিয়া-বিশেষ্য নামে পরিচিত।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ ও ২০২৩ সংস্করণ) এবং মাধ্যমিক বাংলা ২য় পত্র, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
