বাচ্য ও বাচ্য পরিবর্তন প্রশ্নব্যাংক ও সমাধান
বিগত বিসিএস ও চাকরির পরীক্ষার ৫২টি প্রশ্ন নিয়ে স্টাডি ও অনুশীলন করুন
ভাববাচ্য:
যে বাক্যে কর্ম থাকে না, ক্রিয়ার অর্থই বিশেষভাবে ব্যক্ত হয় তাকে ভাববাচ্য বলে।
• ভাববাচ্যের ক্রিয়া সর্বদাই নাম পুরুষের হয়। ভাববাচ্যের কর্তায় ষষ্ঠী, দ্বিতীয়া অথবা তৃতীয়া বিভক্তি হয়ে থাকে।
যেমন:
- আমার (কর্তায় ষষ্ঠী) বাড়ি যাওয়া হলাে না (নাম পুরুষের ক্রিয়া)।
• কখনাে কখনাে ভাববাচ্যে কর্তা উহ্য থাকে, কর্মের দ্বারাই ভাববাচ্য গঠিত হয়।
যেমন
- কোথা থেকে আসা হচ্ছে?
• মূলক্রিয়ার সঙ্গে সহযােগী ক্রিয়ার সংযােগ ও বিভিন্ন অর্থে বাচ্যের ক্রিয়া গঠিত হয়।
যেমন:
- এ ব্যাপারে আমাকে দায়ী করা অনুচিত।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ- ৯ম ও ১০ম শ্রেণি, ২০১৯ সংস্করণ।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
যে বাক্যে কর্মপদই কর্তৃস্থানীয় বাক্য গঠন করে, তাকে কর্মকর্তৃবাচ্যের বাক্য বলে।
যেমন:
বিষয়টি ভালো শোনায় না।
বাঁশি বাজে এ মধুর লগনে।
সুতি কাপড় অনেক দিন টেকে।
অন্যদিকে,
- ভাববাচ্য - তোমাকে ভাবতে হবে। এবং তার যেন আসা হয়।
- কর্মবাচ্য - আসামিকে জরিমানা করা হয়েছে।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
যথা:
- মূখ্য কর্তা,
- প্রযোজক কর্তা,
- প্রযোজ্য কর্তা,
- ব্যতিহার কর্তা।
⇒ ব্যতিহার কর্তা:
কোনো বাক্যে দুটো কর্তা একত্রে একজাতীয় ক্রিয়া সম্পাদন করে, তাদের ব্যতিহার কর্তা বলে।
যেমন:
- রাজায়-রাজায় লড়াই চলছে।
- বাঘে-মহিষে একঘাটে জল খায়।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
এছাড়াও বাংলায় আরো এক ধরনের প্রকাশভঙ্গির বাক্য দেখা যায়। এ ধরনের বাক্যের বাচ্যকে বলা হয় কর্মকর্তৃবাচ্য।
- এ ধরনের বাক্যে কর্তাপদ উহ্য থাকে, তবে কর্মপদ থাকে। আর ওই কর্মপদই কর্তার কাজ করে।
- অর্থাৎ, যে বাক্যে কর্তা থাকে না, কর্মই কর্তার কাজ করে, তাকে কর্মকর্তৃবাচ্য বলে।
যেমন:
- কাজটা ভাল দেখায় না।
[এখানে কর্তা নেই। এখানে কর্ম হল ‘কাজ’। কিন্তু ‘কাজ’ নিজেই কর্তার মত বাক্যকে নেতৃত্ব দিচ্ছে।]
- বাঁশি বাজে এ মধুর লগনে।
- সুতি কাপড় অনেক দিন টেকে।
• এরূপ, এ জিনিস বেশিদিন টেকে না।- বাক্যটিও কর্মকর্তৃবাচ্যের উদাহরণ।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
যে বাক্যে কর্তা থাকে না, কর্মপদই কতৃস্থানীয় হয়ে কাজ করে, তাকে কর্মকর্তৃবাচ্য বলে।
যেমন- কাজটা ভাল দেখায় না এখানে কর্তা নেই। কর্ম হল ‘কাজ’। কিন্তু ‘কাজ’ নিজেই কর্তার মত বাক্যকে নেতৃত্ব দিচ্ছে।
এরকম- বাঁশি বাজে ঐ মধুর লগনে, সুতি কাপড় অনেক দিন টেকে।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ-নবম দশম শ্রেণী
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
বাক্যের বাচ্য বা প্রকাশভঙ্গি অনুসারে কর্তা ৩ রকম হতে পারে।
যেমন-
১/ কর্মবাচ্যের কর্তা (পুলিশ দ্বারা চোর ধৃত হয়েছে),
২/ ভাববাচ্যের কর্তা (আমার যাওয়া হবে না) এবং
৩/ কর্ম-কর্তৃবাচ্যের কর্তা (কলমটা লেখে ভালো)।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণী
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
যে বাক্যে কর্মপদই কর্তৃস্থানীয় হয়ে বাক্য গঠন করে, তাকে কর্মকর্তৃবাচ্যের বাক্য বলে।
যেমন -
কাজটা ভালো দেখায় না।
বাঁশি বাজে ঐ মধুর লগনে।
তেমনিভাবে, এ পোশাকটি মানায়নি - এটিও কর্মকর্তৃবাচ্যের উদাহরণ।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণঃ নবম-দশম শ্রেণী
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
ভাববাচ্যঃ
যে বাচ্যে কর্ম থাকে না এবং বাক্যের ক্রিয়ার অর্থই বিশেষভাবে ব্যক্ত হয়, তাকে ভাববাচ্য বলে।
ভাববাচ্যের বৈশিষ্ঠ্যঃ
- ভাববাচ্যে ক্রিয়া সর্বদা নাম পুরুষের হয়। ভাববাচ্যের কর্তায় ষষ্ঠী, দ্বিতীয়া অথবা তৃতীয় বিভক্তি প্রযুক্ত হয়।
যেমন - আমার খাওয়া হলো না। (কর্তায় ষষ্ঠী)
- কখনো কখনো ভাববাচ্যে কর্তা উহ্য থাকে, কর্ম দ্বারাই ভাববাচ্য গঠিত হয়।
যেমন - এ পথে চলা যায় না; এবার ট্রেনে ওঠা যাক।
তেমনিভাবে,
ডিঙি টেনে বের করতে হবে।
- মূল ক্রিয়ার সঙ্গে সহযোগী ক্রিয়ার সংযোগ ও বিভিন্ন অর্থে ভাববাচ্যের ক্রিয়া গঠিত হয়।
যেমন - এ রাস্তা আমার চেনা নেই।
উৎসঃ মাধ্যমিক বাংলা ব্যাকরণ বই।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
- যে বাচ্যে কর্ম থাকে না এবং বাক্যে ক্রিয়ার অর্থই বিশেষভাবে ব্যক্ত হয়, তাকে ভাববাচ্য বলে।
যেমন -
- ''কোথায় থাকা হয়'',
- “আমার খাওয়া হলো না”,
- “কোথা থেকে আসা হচ্ছে”,
- ''আমাকে এখন যেতে হবে''।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ-নবম দশম শ্রেণী
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
বাক্যের বাচ্য বা প্রকাশভক্তি অনুসারে কর্তা তিন রকম হতে পারে।
যথা:
১.কর্মবাচ্যের কর্তা (কর্মের প্রাধান্যসূচক বাক্যে): পুলিশ দ্বারা চোর ধৃত হয়েছে।
২. ভাববাচ্যের কর্তা (ক্রিয়ার প্রাধান্যসূচক বাক্য): আমার যাওয়া হবে না।
৩. কর্ম-কর্তৃবাচ্যের কর্তা ( বাক্যে কর্মপদই কর্তৃস্থানীয়): বাঁশি বাজে। কলমটা লেখে ভালো।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ-নবম দশম শ্রেণি।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
কর্মকর্তৃবাচ্য : এছাড়াও বাংলায় আরো এক ধরনের প্রকাশভঙ্গির বাক্য দেখা যায়। এ ধরনের বাক্যের বাচ্যকে বলা হয় কর্মকর্তৃবাচ্য।
- এ ধরনের বাক্যে কর্তাপদ উহ্য থাকে, তবে কর্মপদ থাকে। আর ওই কর্মপদই কর্তার কাজ করে।
- অর্থাৎ, যে বাক্যে কর্তা থাকে না, কর্মই কর্তার কাজ করে, তাকে কর্মকর্তৃবাচ্য বলে।
যেমনঃ
- কাজটা ভাল দেখায় না।
- এখানে কর্তা নেই।
এখানে কর্ম হল ‘কাজ’।
কিন্তু ‘কাজ’ নিজেই কর্তার মত বাক্যকে নেতৃত্ব দিচ্ছে।
- বাঁশি বাজে এ মধুর লগনে।
- সুতি কাপড় অনেক দিন টেকে।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
ভাববাচ্যঃ
যে বাচ্যে কর্ম থাকে না এবং বাক্যে ক্রিয়ার অর্থই বিশেষভাবে ব্যক্ত হয় তাকে ভাববাচ্য বলে।
যেমন -
- আমার খাওয়া হলো না।
- আমাকে এখন যেতে হবে।
- এ পথে চলা যায় না।
- এ রাস্তা আমার চেনা নেই।
- এ ব্যাপারে আমাকে দায়ী করা চলে না।
- তোমার দ্বারা এ কাজ হবে না।
তেমনিভাবে,
- তোমাকে দিয়ে এ সমস্যার সমাধান হবে, তা আশা করা যায়নি।
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণির বাংলা ব্যাকরণ বই।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
কর্মকর্তৃবাচ্য : এছাড়াও বাংলায় আরো এক ধরনের প্রকাশভঙ্গির বাক্য দেখা যায়। এ ধরনের বাক্যের বাচ্যকে বলা হয় কর্মকর্তৃবাচ্য।
- এ ধরনের বাক্যে কর্তাপদ উহ্য থাকে, তবে কর্মপদ থাকে। আর ওই কর্মপদই কর্তার কাজ করে।
- অর্থাৎ, যে বাক্যে কর্তা থাকে না, কর্মই কর্তার কাজ করে, তাকে কর্মকর্তৃবাচ্য বলে।
যেমনঃ
- কাজটা ভাল দেখায় না।
- এখানে কর্তা নেই।
এখানে কর্ম হল ‘কাজ’।
কিন্তু ‘কাজ’ নিজেই কর্তার মত বাক্যকে নেতৃত্ব দিচ্ছে।
- বাঁশি বাজে ঐ মধুর লগনে।
- সুতি কাপড় অনেক দিন টেকে।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
• কর্মবাচ্যের ধাতু:
- মৌলিক ধাতুর সাথে 'আ' প্রত্যয় যোগে কর্মবাচ্যের ধাতু সাধিত হয়।
- এটি বাক্য মধ্যস্ত কর্মপদের অনুসারী ক্রিয়ার ধাতু।
- যেমন: দেখ্ + আ = দেখা; কাজটি ভালো দেখায় না।
- হার্ + আ = হারা; যা কিছু হারায় গিন্নী বলেন কেষ্টা বেটাই চোর।
উৎসঃ ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
ভাববাচ্যঃ
যে বাচ্যে কর্ম থাকে না এবং বাক্যে ক্রিয়ার অর্থই বিশেষভাবে ব্যক্ত হয় তাকে ভাববাচ্য বলে।
যেমন -
- আমার খাওয়া হলো না।
- আমাকে এখন যেতে হবে।
- এ পথে চলা যায় না।
- এ রাস্তা আমার চেনা নেই।
- এ ব্যাপারে আমাকে দায়ী করা চলে না।
- তোমার দ্বারা এ কাজ হবে না।
তেমনিভাবে,
- তোমাকে দিয়ে এ সমস্যার সমাধান হবে, তা আশা করা যায়নি।
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণির বাংলা ব্যাকরণ বই।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
যে বাক্যে কর্ম থাকে না, ক্রিয়ার অর্থই বিশেষভাবে ব্যক্ত হয় তাকে ভাববাচ্য বলে।
১. ভাববাচ্যের ক্রিয়া সর্বদাই নাম পুরুষের হয়।
- ভাববাচ্যের কর্তায় ষষ্ঠী, দ্বিতীয়া অথবা তৃতীয়া বিভক্তি হয়ে থাকে।
যেমন- ক) আমার (কর্তায় ষষ্ঠী) বাড়ি যাওয়া হলাে না (নাম পুরুষের ক্রিয়া)।
খ) আমাকে (কর্তায় দ্বিতীয়া) ঢাকা যেতে হবে। (নাম পুরুষের ক্রিয়া)।
গ) তােমার দ্বারা (কর্তায় তৃতীয়া) এ কাজ হবে না। (নাম পুরুষের ক্রিয়া)।
প্রদত্ত বাক্য- 'তোমাকেই(কর্তায় দ্বিতীয়া) ঢাকা যেতে হবে(নাম পুরুষের ক্রিয়া)।'
২. কখনাে কখনাে ভাববাচ্যে কর্তা উহ্য থাকে, কর্মের দ্বারাই ভাববাচ্য গঠিত হয়।
যেমন- ক) এ পথে চলা দুষ্কর।
খ) এবার ওঠা যাক।
গ) কোথা থেকে আসা হচ্ছে?
৩. মূলক্রিয়ার সঙ্গে সহযােগী ক্রিয়ার সংযােগ ও বিভিন্ন অর্থে বাচ্যের ক্রিয়া গঠিত হয়।
যেমন— ক) এ ব্যাপারে আমাকে দায়ী করা অনুচিত।
খ) এ পথ আমার চেনা নেই।
গ) মরণরে উঁহু মম শ্যাম সমান।
ঘ) জিজ্ঞাসিলে কহিবারে পারি, জানাে তাে স্বামীর নাম নাহি ধরে নারী।
উৎস: উচ্চমাধ্যমিক বাংলা ২য় পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
- ভাববাচ্যের ক্রিয়া সর্বদাই নাম পুরুষের হয় ভাবভাচ্যের কর্তায় ষষ্ঠী, দ্বিতীয়া অথবা তৃতিয়া বিভক্তি প্রযুক্ত হয়।
যেমন, আমার খাওয়া হলো না ।
অনুরূপভাবে,তােমাকে হাঁটতে হবে।
- কখনো কখনো ভাববাচ্যে কর্তা উহ্য থাকে, কর্ম দ্বারাই ভাববাচ্য গঠিত হয়।
যেমন, এ পথে চলা যায় না।
- মূল ক্রিয়ার সঙ্গে সহযোগী ক্রিয়ার সংযোগ ও বিভিন্ন অর্থে ভাববাচ্য ক্রিয়া গঠিত হয়।
যেমন, এ ব্যাপারে আমাকে দায়ী করা চলে না।
উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি (২০১৯ সংস্করণ)।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
কর্তাবাচ্যের বাক্যকে ভাবাচ্যে রূপান্তরিত করতে হলে একটি ক্রিয়াবিশেষ্যকে নিয়ন্ত্রকের ভূমিকায় নিয়ে আসতে হয়।
যেমন -
কর্তাবাচ্য: তুমি কখন এলে?
ভাববাচ্য: কখন আসা হলাে?
কর্তাবাচ্য: ওখানে কেন গেলে?
ভাববাচ্য: ওখানে কেন যাওয়া হলাে?
উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ২য় পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
যে বাক্যে কর্মেরই প্রাধান্য এবং ক্রিয়াটি কর্মের অনুগামী অর্থাৎ কর্ম যে পুরুষের, ক্রিয়াটিও যদি সেই পুরুষের হয়, তবে তাকে কর্মবাচ্য বলে।
যেমন- পাহারাদার কর্তৃক চোর ধরা পড়েছে।
১. কর্মবাচ্যে, কর্মে প্রথমা, কর্তায় তৃতীয়া বিভক্তি ও দ্বারা, দিয়া (দিয়ে) কর্তৃক অনুসর্গের ব্যবহার হয়।
যেমন—
ক) আলেকজান্ডার কর্তৃক পারস্য দেশ বিজিত হয়।
খ) চোরটা ধরা পড়েছে।
গ) আমাকে আবৃত্তি করতে হবে।
ঘ) আজ গান শােনা হবে।
২. কখনাে কখনাে কর্মে দ্বিতীয়া বিভক্তি হতে পারে।
যেমন—
ক) আসামিকে জরিমানা করা হয়েছে।
খ) আলমকে ডাক।
গ) আমাকে আবৃত্তি করতে হবে।
উৎস: উচ্চমাধ্যমিক বাংলা ২য় পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
কর্মকর্তৃবাচ্যে
যে বাক্যে কর্মপদই কর্তৃস্থানীয় বাক্য গঠন করে, তাকে কর্মকর্তৃবাচ্যের বাক্য বলে।
যেমন-
কাজটা ভালো দেখায় না।
বাঁশি বাজে এ মধুর লগনে।
সুতি কাপড় অনেক দিন টেকে।
উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি (২০১৯সংস্করণ)।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
বাচ্য তিন প্রকার: কর্তাবাচ্য, কর্মবাচ্য ও ভাববাচ্য।
১. কর্তাবাচ্য
যে বাক্যের ক্রিয়া কর্তাকে অনুসরণ করে, তাকে কর্তাবাচ্য বলে। এক্ষেত্রে ক্রিয়ার রূপটি কর্তার পক্ষ অনুযায়ী। হয়।
যেমন - ঝরনা ছবি আঁকে।
আমি আগামীকাল বাড়ি ফিরব।
অজীব বিশেষ্যও অনেক সময়ে কর্তার ভূমিকা গ্রহণ করে।
যেমন - ফ্যানটা অনেক জোরে ঘুরছে। শরতে শিউলি ফোটে।
২. কর্মবাচ্য
যে বাক্যের ক্রিয়া কর্মকে অনুসরণ করে, তাকে কর্মবাচ্য বলে।
যেমন - পুলিশ কর্তৃক ডাকাত ধৃত হয়েছে।
চিঠিটা পড়া হয়েছে।
৩. ভাববাচ্য
যে বাক্যের ক্রিয়া-বিশেষ্য বাক্যের ক্রিয়াকে নিয়ন্ত্রণ করে, তাকে ভাববাচ্য বলে।
যেমন - আমার যাওয়া হলাে না।
কোথা থেকে আসা হলাে।
উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি (২০২২ সংস্করণ)।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
যে বাক্যে কর্ম থাকে না এবং বাক্যে ক্রিয়ার অর্থই বিশেষভাবে ব্যক্ত হয় তাকে ভাববাচ্য বলে।
যেমন:
• আমার খাওায়া হলো না।
• আমাকে এখন যেতে হবে।
• তোমার দ্বারা এই কাজ হবে না।
• কোথায় থাকা হয়।
• তার যেন সেখানে যাওয়া হয়।
উৎস: বাংলা দ্বিতীয় পত্র, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৮ সংস্করণ)।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
যেমন:
- কাজটা ভালো দেখায় না।
- বাঁশি বাজে ঐ মধুর লগনে।
অনুরূপ, জল পড়ে পাতা নড়ে। বাক্যে কর্মপদই কর্তৃস্থানীয় হয়ে বাক্য গঠন করেছে।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (সংস্করণ ২০১৯)।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
- যে বাচ্যে কর্ম থাকে না এবং বাক্যের ক্রিয়ার অর্থই বিশেষভাবে ব্যক্ত হয়, তাকে ভাববাচ্য বলে।
• ভাববাচ্যের বৈশিষ্ঠ্য:
- ভাববাচ্যে ক্রিয়া সর্বদা নাম পুরুষের হয়। ভাববাচ্যের কর্তায় ষষ্ঠী, দ্বিতীয়া অথবা তৃতীয় বিভক্তি প্রযুক্ত হয়।
যেমন - আমার খাওয়া হলো না। (কর্তায় ষষ্ঠী)
- কখনো কখনো ভাববাচ্যে কর্তা উহ্য থাকে, কর্ম দ্বারাই ভাববাচ্য গঠিত হয়।
যেমন - এ পথে চলা যায় না; এবার ট্রেনে ওঠা যাক।
তেমনিভাবে,
কোথা থেকে আসা হচ্ছে?
- মূল ক্রিয়ার সঙ্গে সহযোগী ক্রিয়ার সংযোগ ও বিভিন্ন অর্থে ভাববাচ্যের ক্রিয়া গঠিত হয়।
যেমন - এ রাস্তা আমার চেনা নেই।
উৎসঃ মাধ্যমিক বাংলা ব্যাকরণ বই।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
১. কর্তাবাচ্য:
যে বাক্যের ক্রিয়া কর্তাকে অনুসরণ করে, তাকে কর্তাবাচ্য বলে। এক্ষেত্রে ক্রিয়ার রূপটি কর্তার পক্ষ অনুযায়ী। হয়।
যেমন :
- ঝরনা ছবি আঁকে।
- আমি আগামীকাল বাড়ি ফিরব।
অজীব বিশেষ্যও অনেক সময়ে কর্তার ভূমিকা গ্রহণ করে।
যেমন:
- ফ্যানটা অনেক জোরে ঘুরছে।
- শরতে শিউলি ফোটে।
২. কর্মবাচ্য:
যে বাক্যের ক্রিয়া কর্মকে অনুসরণ করে, তাকে কর্মবাচ্য বলে।
যেমন:
- পুলিশ কর্তৃক ডাকাত ধৃত হয়েছে।
- বিদ্বান সকলের দ্বারা সমাদৃত হন।
- চিঠিটা পড়া হয়েছে।
৩. ভাববাচ্য:
যে বাক্যের ক্রিয়া-বিশেষ্য বাক্যের ক্রিয়াকে নিয়ন্ত্রণ করে, তাকে ভাববাচ্য বলে।
যেমন:
- আমার যাওয়া হলাে না।
-কোথা থেকে আসা হলাে।
উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি (২০২২ সংস্করণ)।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
- যে বাক্যের ক্রিয়া-বিশেষ্য বাক্যের ক্রিয়াকে নিয়ন্ত্রণ করে, তাকে ভাববাচ্য বলে। যেমন -
- আমার যাওয়া হলো না।
- কোথা থেকে আসা হলো।
- কোথায় থাকা হয়?
এখানে ‘যাওয়া’, ‘আসা', ‘থাকা’ - এগুলো হলো ক্রিয়া-বিশেষ্য ।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১ সংস্করণ)।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
- যে বাক্যে কর্ম থাকে না এবং বাক্যে ক্রিয়ার অর্থই বিশেষভাবে ব্যক্ত হয় তাকে ভাববাচ্য বলে।
যেমন:
- আমার খাওায়া হলো না।
- আমাকে এখন যেতে হবে।
- তোমার দ্বারা এই কাজ হবে না।
- কোথায় থাকা হয়।
অন্যদিকে,
কর্তৃবাচ্য:
- যে বাক্যে কর্তার অর্থ-প্রধান্য রক্ষিত হয় এবং ক্রিয়াপদ কর্তার অনুসারী হয়, তাকে কর্তৃবাচ্য বলে।
যেমন:
- ছাত্ররা অঙ্ক করছে।
- কর্তৃবাচ্যে ক্রিয়াপদ সর্বদাই কর্তার অনুসারী হয়।
- কর্তৃবাচ্যে কর্তায় প্রথমা বা শূন্য বিভক্তি এবং কর্মে দ্বিতীয়া, ষষ্ঠী বা শূন্য বিভক্তি হয়।
যেমন:
- শিক্ষক ছাত্রদের পড়ান।
- রোগী পথ্য সেবন করে।
কর্মবাচ্য:
- যে বাক্যে কর্মের সাথে ক্রিয়ার সম্বন্ধ প্রধানভাবে প্রকাশিত হয়, তাকে কর্মবাচ্য বলে।
যেমন:
- আলেকজান্ডার কর্তৃক পারস্য দেশ বিজিত হয়।
- চোরটা ধরা পড়েছে।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
কর্মকর্তৃবাচ্য:
যে বাক্যে কর্মপদই কর্তৃস্থানীয় বাক্য গঠন করে, তাকে কর্মকর্তৃবাচ্যের বাক্য বলে।
- যে বাক্যে কর্মকারক কর্তার মতো প্রতীয়মান হয় অর্থ্যাৎ ক্রিয়ার কর্তার মনোযোগ ব্যতীত সম্পাদিত হয়, তাকে কর্মকর্তৃবাচ্য বলে।
যেমন:
- বিষয়টি ভালো শোনায় না।
- বাঁশি বাজে এ মধুর লগনে।
- সুতি কাপড় অনেক দিন টেকে।
- এসিটা চালু হলো।
- ফুল ফোটে।
উল্লেখ্য,
- সাধারণত প্রাকৃতিক ঘটনামূলক ক্রিয়ায় এই বাচ্যের প্রয়োগ দেখা যায়।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
