শব্দ প্রকরণ ও প্রকারভেদ প্রশ্নব্যাংক ও সমাধান
বিগত বিসিএস ও চাকরির পরীক্ষার ৯৭৬টি প্রশ্ন নিয়ে স্টাডি ও অনুশীলন করুন
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
যেসব শব্দকে বিশ্লেষণ করা যায় না বা ভেঙ্গে আলাদা করা যায় না, সেগুলোকে মৌলিকশব্দ বলে।
যেমন-
- গোলাপ,
- নাক,
- লাল,
-তিন
সাধিত শব্দ:
যেসব শব্দকে বিশ্লেষণ করা হলে আলাদা অর্থবোধক শব্দ পাওয়া যায়, সেগুলোকে সাধিত শব্দ বলে।
সাধারণত একাধিক শব্দের সমাস হয়ে কিংবা প্রত্যয় উপসর্গ যোগ হয়ে সাধিত শব্দ গঠিত হয়ে থাকে।
উদাহরণ:
- চাঁদমুখ
- নীলাকাশ
- ডুবুরি
- চলন্ত
- প্রশাসন
- গরমলি ইত্যাদি।
[উৎস:বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি, সংস্করণ-২০১৯]
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
তদ্ভব বাংলা ভাষায় ব্যবহূত সংস্কৃতজাত শব্দ। ‘তদ্ভব’ শব্দের অর্থ সংস্কৃত থেকে জাত শব্দ। প্রাচীন ভারতীয় আর্যভাষার আদি রূপ হচ্ছে বৈদিক বা সংস্কৃত। কালে কালে ধ্বনিগত পরিবর্তনের ফলে এ ভাষার অনেক শব্দ প্রাকৃতের মধ্য দিয়ে বিভিন্ন আধুনিক ভারতীয় আর্যভাষায় অনুপ্রবেশ করে। বাংলা ভাষার উদ্ভব মাগধী প্রাকৃত থেকে।
সংস্কৃত শব্দগুলি পূর্বভারতে প্রথমে মাগধী প্রাকৃতের রূপ লাভ করে এবং পরে তা বাংলায় রূপান্তরিত হয়। যেমন: চাঁদ<চান্দ<চন্দ<চন্দ্র, দই<দহি<দধি, বৌ<বউ<বহু<বধূ, মাছি<মাচ্ছি মচ্ছি<মচ্ছিঅ<মচ্ছিআ<মক্ষিকা ইত্যাদি। এ তদ্ভব শব্দগুলি বাংলা ভাষার মূল উপাদান। বাঙালির দৈনন্দিন জীবনে যে শব্দগুলি ব্যবহূত হয় তার অধিকাংশই তদ্ভব শব্দ। সাহিত্যের ক্ষেত্রেও খ্যাতনামা লেখকদের রচনার শতকরা ৬০ ভাগ শব্দই তদ্ভব।(http://bn.banglapedia.org)
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
যেসব শব্দ বিশ্লেষণ করলে অর্থপূর্ণ কোনো অংশ থাকে না সেগুলোকে মৌলিক শব্দ বলে।
যেমন : মা, বউ, লতা, গাছ, পাখি, ফুল ইত্যাদি।
• সমাস নিষ্পন্ন যে সকল শব্দ সম্পূর্ণভাবে সমস্যমান পদসমূহের অনুগামী না হয়ে কোনো বিশিষ্ট অর্থ গ্রহণ করে তাদের যোগরূঢ় শব্দ বলে। - যেমনঃ
- জলধিঃ 'জল ধারণ করে এমন' অর্থ পরিত্যাগ করে একমাত্র 'সমুদ্র' অর্থেই ব্যবহৃত হয়।
• যে শব্দ প্রত্যয় বা উপসর্গ যগে মূল শব্দের অর্থের অনুগামী না হয়ে অন্য কোন বিশিষ্ট অর্থ জ্ঞাপন করে, তাকে রূঢ়ি বলে।
- যেমনঃ হস্তী = হস্ত + ইন, অর্থ - হস্ত আচে যার; কিন্তু হস্তী বলতে একটি পশুকে বোঝায়।
এছাড়াও সন্দেশ, প্রবীণ, তৈল, বাঁশি, গবেষণা, হস্তী ইত্যাদি রূঢ়ি শব্দ।
উৎসঃ ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ এবং বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
- সংস্কৃত বা তৎসম শব্দ।
- প্রকৃতি প্রত্যয় - নারিক+√ঈরি+অ
- বিশেষ্য পদ।
উৎস: আধুনিক বাংলা অভিধান, বাংলা একাডেমি।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
- 'গুজরাটি' ভাষার শব্দ।
অর্থ:
- ধর্মঘট;
- বিক্ষোভ প্রকাশ করার জন্য যানবাহন, হাট-বাজার, দোকান-পাট, অফিস-আদালত ইত্যাদি নির্দিষ্ট সময়ের জন্য বন্ধ করা।
উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
• দাম
- গ্রিক শব্দ।
অর্থ: মূল্য, দর, মর্যাদা, গুরুত্ব।
অন্যদিকে,
লুঙ্গি - ফারসি শব্দ।
তুফান - আরবি শব্দ।
কুপন - ফরাসি শব্দ।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
বাংলা ভাষায় কিছু সংস্কৃত শব্দ কিঞ্চিৎ পরিবর্তিত হয়ে ব্যবহৃত হয়। এগুলোকে অর্ধ-তৎসম শব্দ বলা হয়।
- তৎসম মানে সংস্কৃত৷ আর অর্ধ-তৎসম অর্থ আধা সংস্কৃত।
উদাহরণ:
বোষ্টম, জ্যোছনা, গিন্নি, কুচ্ছিত, ছেরাদ্দ— এ শব্দগুলো যথাক্রমে সংস্কৃত বৈষ্ণব, জ্যোৎস্না, গৃহিণী, কুৎসিত, শ্রাদ্ধ থেকে আগত।
মাধ্যমিক বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি (২০২২ সংস্করণ) বইয়ে অর্ধ-তৎসম কে শব্দের শ্রেনিবিভাগ থেকে বাদ দেয়া হয়েছে।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
- অর্থগতভাবে শব্দসমূহ তিন ভাগে বিভক্ত। যথা- যৌগিক শব্দ, রূঢ়ি শব্দ ও যোগরূঢ় শব্দ।
যৌগিক শব্দ: যে শব্দের ব্যুৎপত্তিগত অর্থ ও ব্যবহারিক অর্থ একই তা-ই যৌগিক শব্দ।
যেমন- কর্তব্য, দৌহিত্র, গায়ক।
রূঢ়ি শব্দ: প্রত্যয় বা উপসর্গযোগে গঠিত যে শব্দ মূল শব্দের অনুগামী না হয়ে অন্য কোন অর্থ বোঝাবে।
যেমন- হস্তী, গবেষণা, সন্দেশ।
যোগরূঢ় শব্দ: ব্যাসবাক্যের অর্থের সাথে সমস্তপদেও অর্থের মিল নেই।
যেমন- পঙ্কজ, মহাযাত্রা, জলধি।
অর্থাৎ, অপশনে কোন যৌগিক শব্দ নেই।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ - নবম দশম শ্রেণী
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
যেসব শব্দ বিশ্লেষণ করা যায় না বা ভেঙ্গে আলাদা করা যায় না, সেগুলোকে মৌলিক শব্দ বলে।
যেমন - গোলাপ, নাক, তিল, হাত, ফুল ইত্যাদি।
অন্যদিকে, গায়ক শব্দটি একটি যৌগিক শব্দ।
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণির বাংলা ব্যাকরণ বই।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
- পর্তুগিজ ভাষা থেকে আগত শব্দ।
অর্থ: ক্রান্তীয় বা উপক্রান্তীয় অঞ্চলে চাষ করা হয় এমন মাঝারি আকৃতির চিরহরিৎ উদ্ভিদের অসংখ্য ছোট বীজবিশিষ্ট গোলাকৃতির ফল।
-------------------
• পর্তুগিজ ভাষা থেকে আগত কিছু গুরুত্বপূর্ণ শব্দ হলো:
- আনারস, র্গীজা, চাবি, বালতি, গুদাম, পাউরুটি, পাদ্রি, বালতি, কামরা, বোতল জানালা, বোতাম, গামলা, সাবান, তোয়ালে।
উৎস: আধুনিক বাংলা অভিধান, বাংলা একাডেমি।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা-ড. সৌমিত্র শেখর
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
⇒ প্রাতিপদিক:
- ‘লাজ’, ‘বড়’, ‘ঘর’- এ শব্দগুলাের সঙ্গে কোনো বিভক্তি যুক্ত হয় নি। আর বিভক্তিহীন নাম শব্দকে প্রাতিপদিক বলা হয়।
- প্রাতিপদিক তদ্ধিত প্রত্যয়ের প্রকৃতি বলে প্রাতিপদিককে নাম-প্রকৃতিও বলা হয়।
- ধাতু যেমন কৃৎ-প্রত্যয়ের প্রকৃতি, তেমনি প্রাতিপদিকও তদ্ধিত প্রত্যয়ের প্রকৃতি প্রত্যয় যুক্ত হলে ধাতুকে বলা হয় ক্রিয়া- প্রকৃতি এবং প্রাতিপদিককে বলা হয় নাম-প্রকৃতি।
⇒ বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান অনুসারে ‘লাঙল’ শব্দে কোনো বিভক্তি যুক্ত হয় নি। সুতরাং লাঙ্গল প্রাতিপাদিক শব্দ।
অন্যদিকে,
সাধিত = √সাধি + ত।
লেখা = √লিখ্ + অ + আ।
দম্পতি = দম্ + পতি।
উপরে উল্লেখিত শব্দগুলো বিভক্তি যোগে গঠিত হয়েছে।
উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
- লাল, গোলাপ, হাত, পা মৌলিক শব্দ।
• সাধিত শব্দ: যে শব্দকে বিশ্লেষণ করলে তার মধ্যে এক বা একাধিক অর্থপূর্ণ অংশ থাকে, সেগুলোকে সাধিত শব্দ বলে। উপসর্গ বা প্রত্যয় যোগ করে অথবা সমাস প্রক্রিয়ায় সাধিত শব্দ তৈরি হয়। যেমন: পরিচালক, সম্পাদকীয়, গরমিল, নীলাকাশ ইত্যাদি।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ- নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
যোগরুঢ় শব্দ: সমাস নিষ্পন্ন যে সকল শব্দ সম্পূর্ণ ভাবে সমস্যমান পদসমূহের অনুগামী না হয়ে কোন বিশিষ্ট অর্থ গ্রহণ করে।
রাজপুত বলতে রাজার পুত্র না বুঝিয়ে 'জাতি বিশেষ'(ভারতের সুশান্ত সি রাজপুত) বোঝায়।
রাজপুত্র, পঙ্কজ, সরোজ, জলধি, মহাযাত্রা।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ-নবম দশম শ্রেণী
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
- বিশেষ্য পদ।
- তুর্কি শব্দ।
অর্থ:
- মূর্খ ব্যক্তি।
অন্যদিকে,
- 'নক্ষত্র' সংস্কৃত শব্দ।
- 'দোয়াত' আরবি শব্দ।
- 'আলপিন' পর্তুগিজ শব্দ।
উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
• রিকশা/ রিক্সা (বিশেষ্য):
- জাপানি ভাষা থেকে আগত শব্দ
অর্থ: মানুষ্যবাহিত দুই বা তিন চাকার সড়কযান; rickshaw
জাপানি শব্দগুলো হলো- সুনামি, ক্যারাটে, হাসনাহেনা, জুতো, রিক্সা, প্যাগোডা ইত্যাদি।
উৎস: আধুনিক বাংলা অভিধান, বাংলা একাডেমি।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
অপশনে একাধিক সঠিক উত্তর থাকায় উত্তর তুলে দেয়া হয়েছে।
• কোনো কোনো সময় দেশি ও বিদেশি শব্দের মিলনে শব্দদৈত্ব সৃষ্টি হয়।
- ‘শাকসবজি’ একটি মিশ্র শব্দ।
• বাংলা ভাষায় শাক শব্দটি তৎসম (সংস্কৃত) শব্দ থেকে এসেছে এবং সবজি শব্দটি ফারসি শব্দ থেকে এসেছে।
- 'হাটবাজার' একটি মিশ্র শব্দ।
• হাট শব্দটি তৎসম বা সংস্কৃত শব্দ হট্ট> থেকে উৎপন্ন। অর্থাৎ এটি একটি তদ্ভব শব্দ ।
আর তদ্ভব শব্দগুলো বাংলা ভাষার নিজস্ব শব্দ হিসাবে বিবেচিত হয়। অর্থ্যাৎ হাট শব্দটি বাংলা শব্দও বটে।
আবার, বাজার শব্দটি ফারসি শব্দ থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে।
• 'হাটবাজার' শব্দটি তদ্ভব/বাংলা ও ফারসি ভাষার শব্দের সমন্বয়ে গঠিত।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
