আধুনিক যুগ: ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ ও গদ্যের সূচনা প্রশ্নব্যাংক ও সমাধান
বিগত বিসিএস ও চাকরির পরীক্ষার ৩০৩টি প্রশ্ন নিয়ে স্টাডি ও অনুশীলন করুন
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
- এটি প্রকাশিত হয় ১৯২৯ সালে।
- এটিকে কাব্যোপন্যাসও বলা হয়।
- শেষের কবিতা উপন্যাস বিংশ শতকের বাংলার নবশিক্ষিত অভিজাত সমাজের জীবনকথা।
• এই উপন্যাসের অন্যতম চরিত্র:
- অমিত,
- কেতকী ও
- লাবণ্য।
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
স্যার চার্লস উইলকিন্স (১৭৪৯-১৮৩৬: প্রাচ্য ভাষাবিদ, কলকাতাস্থ এশিয়াটিক সোসাইটির প্রতিষ্ঠাতা-সদস্য এবং বাংলা ও ফারসি মুদ্রাক্ষরের আধুনিক আকৃতির উদ্ভাবক।
- শিক্ষানবিশ কারণিক হিসেবে ১৭৭০ সালে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি সার্ভিসে যোগদান করেন।
- বাংলা বর্ণমালার মুদ্রাক্ষর দ্বারা মুদ্রিত প্রথম বই হলো এন.বি. হ্যালহেডের ‘A Grammar of the Bengali Language (১৭৭৮)।
সোর্সঃ বাংলাপিডিয়া।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
বাংলা ভাষার প্রথম ব্যাকরণ গ্রন্থ রচয়িতা নাথিনিয়েল ব্রাশি হ্যালহ্যাড৷
তার রচিত গ্রন্থটির নাম 'এ গ্রামার অফ দি বেঙ্গল ল্যাঙ্গুয়েজ' (১৭৭৮)। গ্রন্থটি মূলত ইংরেজী ভাষায় রচিত। তবে দৃষ্টান্ত দেবার সময় এর কিছু অংশ বাংলা লিপিতে মুদ্রিত হয়৷
রামমােহন রায় প্রথম বাঙালি যিনি বাংলা ভাষায় প্রথম বাংলা ব্যাকরণ রচনা করেন।
রামমােহন রচিত ব্যাকরণ গ্রন্থের নাম 'গৌড়ীয় ব্যাকরণ' (১৮৩৩)।
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
১৮০০ সালে প্রতিষ্ঠিত ফোর্ট উইলিয়াম কলেজে বাংলা বিভাগ চালু হয় ১৮০১ সালে এবং এর দায়িত্ব দেয়া হয় উইলিয়াম কেরিকে।
উৎসঃ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় পাঠ্যবই - এইচএসসি প্রোগ্রাম।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
• রাজা রামমোহন রায়:
- বাংলার নবজাগরণের আদি পুরুষ রাজা রামমোহন রায় এর জন্ম ১৭৭২ সালের ২২শে মে হুগলী জেলার রাধানগর গ্রামে এক সম্ভ্রান্ত ও ব্রাহ্মণ পরিবারে ।
- ১৮৩০ সালে খেতাবসর্বস্ব মুগল সম্রাট দ্বিতীয় আকবর (১৮০৬-১৮৩৭) রামমোহন রায়কে ‘রাজা’ উপাধিতে ভূষিত করেন এবং তাঁর পক্ষে ব্রিটিশ রাজ ও পার্লামেন্টে ওকালতি করার জন্য ইংল্যান্ডে পাঠান।
- রামমোহন রায় কলকাতায় ২০ আগস্ট, ১৮২৮ সালে প্রিন্স দ্বারকানাথ ঠাকুরের সহায়তায় 'ব্রাহ্মসমাজ' স্থাপন করেন।
- রাজা রামমোহন রায় শিব প্রসাদ রায় ছদ্মনামে একটি মাসিক পত্রিকা প্রকাশ করতেন।
- তিনি প্রায় ৩০ টি গ্রন্থ রচনা করেন।
তাঁর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো:
- বেদান্তগ্রন্থ,
- বেদান্তসার,
- ভট্টাচার্যের সহিত বিচার,
- গোস্বামীর সহিত বিচার,
- সহমরন বিষয়ক প্রবর্তক ও নিবর্তকের সম্বাদ,
- গৌড়ীয় ব্যাকরণ ইত্যাদি।
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
সূত্রঃ বাংলাপিডিয়া
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
- প্যারীচাঁদ মিত্রের প্রথম গ্রন্থ 'আলালের ঘরের দুলাল'।
- আলালের ঘরের দুলাল উপন্যাসটি ১৮৫৮ সালে গ্রন্থাকারে প্রকাশ পায়।
- তার আগে ১৮৫৪ সাল থেকে ‘মাসিক পত্রিকা’তে ধারাবাহিকভাবে এটি প্রকাশিত হতে থাকে।
- উপন্যাসটিতে দেশীয় শিক্ষা ব্যবস্থা, পাশ্চাত্য সভ্যতার অন্ধ অনুকরণ, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক বিশৃঙ্খলা নিয়ে লেখক তাঁর অভিমত প্রকাশ করেছেন।
- ধনী বাবুরামের পুত্র মতিলাল কুসঙ্গে পড়ে এবং শিক্ষার ব্যাপারে পিতার অবহেলা তাকে অধঃপতনে নিয়ে যায়।
- পিতার মৃত্যুর পর মতিলাল তার বাবার প্রাপ্ত সব সম্পত্তি নষ্ট করে ফেলে।
- উপন্যাসটিতে সর্বাপেক্ষা উল্লেখযোগ্য চরিত্র হলো মোকাজান মিয়া বা ঠকচাচা।
- 'দুনিয়া সাচ্চা নয়-মুই একা সাচ্চা হয়ে কি করবো?' উপন্যাসে উক্তিটি বলেছেন ঠকচাচা।
- এছাড়াও উপন্যাসের অন্যান্য চরিত্রে হচ্ছে- বাবুরাম, বাবুরামের পুত্র মতিলাল, ধূর্ত উকিল বটলর, অর্থলোভী বাঞ্ছারাম, তোষামোদকারী বক্রেশ্বর ইত্যাদি।
⇒ প্যারীচাঁদ মিত্র:
- প্যারীচাঁদ মিত্র লেখক, সাংবাদিক, সংস্কৃতিসেবী, ব্যবসায়ী।
- ১৮১৪ সালের ২২ জুলাই কলকাতায় তাঁর জন্ম।
- তিনি দি ইংলিশম্যান, ইন্ডিয়ান ফিল্ড, হিন্দু প্যাট্রিয়ট, ফ্রেন্ড অব ইন্ডিয়া এবং বেঙ্গল স্পেক্টেটর পত্রিকার নিয়মিত লেখক ছিলেন।
তাঁর রচিত উল্লেখযোগ্য সাহিত্যকর্মের মধ্যে রয়েছে :
- আলালের ঘরের দুলাল,
- মদ খাওয়া বড় দায় জাত থাকার কি উপায়,
- রামারঞ্জিকা,
- কৃষিপাঠ,
- ডেভিড হেয়ারের জীবনচরিত এবং
- বামাতোষিণী।
- প্যারীচাঁদ মিত্র ‘টেকচাঁদ ঠাকুর’ ছদ্মনামে সাহিত্য রচনা করতেন।
- প্যারীচাঁদ মিত্র ২২শে জুলাই ১৮১৪ সালে জন্ম গ্রহণ করেন এবং ২৩শে নভেম্বর ১৮৮৩ সালে মৃত্যবরণ করেন।
উৎস: ‘আলালের ঘরের দুলাল’ উপন্যাস এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা ড. সৌমিত্র শেখর।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
রামরাম বসু রচিত গ্রন্থ 'রাজা প্রতাপাদিত্য চরিত্র' (১৮০১)।
- এই গ্রন্থটি ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ থেকে প্রকাশিত প্রথম কোন গ্রন্থ।
- তার রচিত আরেকটি গ্রন্থ হচ্ছে - লিপিমালা।
- তাকে 'কেরী সাহেবের মুনশী' বলা হয়।
উৎসঃ লাল নীল দীপাবলি ও বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের সম্পাদনায় ১৮৭২ সালে মাসিক 'বঙ্গদর্শন' পত্রিকা প্রকাশিত হয়।
এ পত্রিকার মাধ্যমে বাংলা গদ্যের প্রভূত উন্নতি সাধনের লক্ষ্যে বঙ্কিমচন্দ্র একটি শক্তিশালী লেখকগােষ্ঠী গড়ে তুলেছিলেন।
এই পত্রিকার তিনি ছাড়া আরাে ৪ জন বিশিষ্ঠ লেখক – সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়, রামকৃষ্ণ মুখােপাধ্যায়, অক্ষয়চন্দ্র সরকার ও হরপ্রসাদ শাস্ত্রী।
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা - ড. সৌমিত্র শেখর।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
- বাংলা কথ্য ভাষার আদি নিদর্শন ‘কৃপার শাস্ত্রের অর্থভেদ'।
- গ্রন্থটি ১৭৪৩ সালে পর্তুগালের রাজধানী লিসবন থেকে রােমান হরফে প্রকাশিত হয়।
- এটি ১৭৩৫ সালে গাজীপুরের ভাওয়ালে অবস্থানকালে লেখা হয়েছে বলে এর ভূমিকায় উল্লেখ করা হয়।
উৎস: বাংলাপিডিয়া
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
সাধারণত একটি ব্যক্তিগত চিঠিতে ছয়টি অংশ বিদ্যমান থাকে।
যথা:
১. মঙ্গল সূচক শব্দ।
২. স্থান ও তারিখ।
৩. সম্বোধন ও সম্ভাষণ।
৪. চিঠির বক্তব্য।
৫. লেখকের স্বাক্ষর, বিদায় সম্ভাষণ।
৬. শিরোনাম- প্রেরক ও প্রাপকের নাম ঠিকানা।
উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
• বাংলা গদ্যে চলিত রীতির প্রবর্তক ও বিদ্রূপাত্মক প্রাবন্ধিক হলো প্রমথ চৌধুরী।
- প্রমথ চৌধুরীর সাহিত্যিক ছদ্মনাম 'বীরবল।'
- প্রমথ চৌধুরী রচিত 'বীরবলের হালখাতা' ১৯০২ সালে ভারতী পত্রিকায় প্রথম প্রকাশিত হয়।
- এ গদ্য/প্রবন্ধ রচনায় তিনি প্রথম চলিত রীতির প্রয়োগ ঘটান।
- বাংলা কাব্য সাহিত্যে তিনিই প্রথম ইতালীয় সনেটের প্রবর্তন করেন।
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
• বাংলা সাহিত্যে চলিত গদ্যরীতির প্রবর্তক হলেন প্রমথ চৌধুরী।
- প্রমথ চৌধুরীর সাহিত্যিক ছদ্মনাম ছিল বীরবল।
- 'বীরবলের হালখাতা' তাঁর প্রথম চলিত রীতিতে লিখিত গ্রন্থ।
- এটি ১৯০২ সালে প্রথম 'ভারতী' পত্রিকায় প্রকাশিত হয়।
- প্রমথ চৌধুরীর সম্পাদনায় প্রকাশিত সবুজপত্র পত্রিকা (১৯১৪) চলিত রীতি প্রবর্তনে মূল ভূমিকা পালন করে।
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
- ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় বাংলা ভাষার শ্রেষ্ঠ ভাষাবিজ্ঞানী।
- ১৯৩৬ সালে কলকাতার রয়েল এশিয়াটিক সোসাইটির ফেলো নির্বাচিত হন।
- তাঁর বিখ্যাত রচনা হলো অরিজিন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অব দি বেঙ্গলি ল্যাংগুয়েজ, দি (ওডিবিএল, ১৯২৬)।
• তাঁর রচিত গ্রন্থ:
- অরিজিন এন্ড ডেভলেপমেন্ট অব বেঙ্গলি ল্যাঙ্গুয়েজ,
- ভাষা প্রকাশ বাঙালা ব্যাকরণ,
- পশ্চিমের যাত্রী,
- বাংলা ভাষাতত্ত্বের ভূমিকা,
- ভারতের ভাষা ও ভাষা সমস্যা।
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
- প্রথম বাংলা ভাষার ব্যাকরণ রচনা করেন - মানোএল দ্য আস্সুম্পসাঁও।
- পর্তুগালের রাজধানী লিসবন থেকে ১৭৪৩ সালে পর্তুগীজ ভাষায় এটি প্রকাশিত হয়।
- গ্রন্থের নাম ছিলো - Vocabulario em Idioma Bengalla E Portugues।
- কিন্তু সেটা বাংলা ভাষার ব্যাকরণের কোনো গ্রন্থ ছিল না, একটা অধ্যায়ে বাংলা ভাষার ব্যাকরণ নিয়ে কিছু আলোচনা করেছিলেন মাত্র।
অন্যদিকে,
- বাংলা ভাষার প্রথম ব্যাকরণ গ্রন্থ রচনা করেন - নাথায়িল ব্রাসি হ্যালহেড।
- এই বইয়ের নাম ছিল - A Grammar of the Bengal Language।
- গ্রন্থটি হুগলী থেকে প্রকাশিত হয় - ১৭৭৮ সালে।
- এটি ছিলো ইংরেজি ভাষায় রচিত গ্রন্থ।
আবার,
- বাংলা ভাষায় বাংলা ব্যাকরণগ্রন্থ রচনা করেন - রাজা রামমোহন রায়।
- তার রচিত বইয়ের নাম ছিল - ‘গৌড়ীয় ব্যাকরণ’।
- গৌড়ীয় ব্যাকরণ প্রকাশিত হয় ১৮৩৩ সালে।
এছাড়া,
- বাংলা ভাষায় প্রথম সুবৃহৎ অভিধান রচনার কৃতিত্ব হেনরি পিটস ফরস্টারের (Henry Pitts Forster)।
- তাঁর অভিধানের নাম এ ভোকাবুলারি ইন টু পার্টস: ইংলিশ অ্যান্ড বেঙ্গলি অ্যান্ড ভাইস ভার্সা (A Vocabulary in Two Parts: English and Bongalee and Vice Versa) ।
- অভিধানটির প্রথম খণ্ড ১৭৯৯ সালে এবং দ্বিতীয় খণ্ড ১৮০২ সালে প্রকাশিত হয়।
- দু-খণ্ডে প্রায় ২০,০০০ বাংলা শব্দের ইংরেজি প্রতিশব্দ সংকলিত হয়।
উৎস: ভাষা শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ এবং বাংলাপিডিয়া।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
রাজা রামমোহন রায় প্রথম বাঙালি যিনি বাংলা ভাষায় প্রথম বাংলা ব্যাকরণ রচনা করেন।
- বই টি প্রকাশিত হয় ১৯৩৩ সালে।
• রাজা রামমোহন রায় ছিলেন একাধারে সমাজ, শিক্ষা ও ধর্ম সংস্কারক ।
- সতীদাহ প্রথা নিষিদ্ধকরণে তিনি জোর প্রচারণা চালান ।
তার রচিত অন্যান্য গ্রন্থ:
- বেদান্ত গ্রন্থ
- বেদান্তসার
- পথ্য প্রদান
- গোস্বামীর সহিত বিচার ( সতীদাহ প্রথার অযৌক্তিকতা প্রসঙ্গে)
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
- প্রমথ চৌধুরীর সাহিত্যিক ছদ্মনাম ছিল বীরবল।
- 'বীরবলের হালখাতা' তাঁর প্রথম চলিত রীতিতে লিখিত গ্রন্থ।
- এটি ১৯০২ সালে প্রথম 'ভারতী' পত্রিকায় প্রকাশিত হয়।
- প্রমথ চৌধুরীর সম্পাদনায় প্রকাশিত সবুজপত্র পত্রিকা (১৯১৪) চলিত রীতি প্রবর্তনে মূল ভূমিকা পালন করে।
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
• প্রমথ চোধুরী:
- বাংলা ভাষার সাধু ও চলিত রূপের মধ্যে তুলনামূলক গবেষণা করেন প্রমথ চৌধুরী।
- বাংলা গদ্যে চলিত রীতির প্রবর্তক ও বিদ্রূপাত্মক প্রাবন্ধিক হলেন প্রমথ চৌধুরী।
- প্রমথ চৌধুরীর সাহিত্যিক ছদ্মনাম 'বীরবল।'
- প্রমথ চৌধুরী রচিত 'বীরবলের হালখাতা' ১৯০২ সালে ভারতী পত্রিকায় প্রথম প্রকাশিত হয়।
- এ গদ্য/প্রবন্ধ রচনায় তিনি প্রথম চলিত রীতির প্রয়োগ ঘটান।
- বাংলা কাব্য সাহিত্যে তিনিই প্রথম ইতালীয় সনেটের প্রবর্তন করেন।
- তেল নুন লকড়ি - প্রমথ চৌধুরীর একটি প্রবন্ধগ্রন্থ।
- বাংলা গদ্যে চলিত রীতির প্রবর্তক ও বিদ্রূপাত্মক প্রাবন্ধিক হলো প্রমথ চৌধুরী।
- প্রমথ চৌধুরীর সাহিত্যিক ছদ্মনাম 'বীরবল।'
-------------------------------------
• বাংলা সাহিত্যের চলতি রীতির প্রচলণের অগ্রণী ভূমিকা পালন করে- সবুজপত্র পত্রিকা।
• সবুজপত্র পত্রিকা:
- প্রমথ চৌধুরীর সম্পাদনায় ১৯১৪ সালে মাসিক 'সবুজপত্র' পত্রিকা প্রথম প্রকাশিত হয়।
- বাংলা বৈশাখ ১৩২১ বঙ্গাব্দে পত্রিকাটি প্রথম প্রকাশিত হয়।
- বাংলা গদ্যরীতির বিকাশে এই পত্রিকার গুরুত্ব অপরিসীম।
- সাধু গদ্যরীতির বদলে চলিত গদ্যরীতি এই পত্রিকা ব্যবহার ও প্রতিষ্ঠা করে।
- বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর নিজেও এই পত্রিকায় লেখার সুবাদে চলিত গদ্যরীতির স্বাচ্ছন্দ্য অনুভব এবং পরে তা চর্চা করেন।
- সাহিত্য জগতে এই পত্রিকা 'সবুজপত্র গোষ্ঠী' তৈরিতে সক্ষম হয়।
-----------------------------
• প্রমথ চৌধুরী রচিত প্রবন্ধগ্রন্থ:
- নানা কথা,
- আমাদের শিক্ষা,
- রায়তের কথা,
- প্রবন্ধ সংগ্রহ,
- বীরবলের হালখাতা,
- তেল-নুন-লকড়ি ইত্যাদি।
• প্রমথ চৌধুরী রচিত গল্পগ্রন্থ:
- চার ইয়ারী কথা,
- নীললোহিত ও
- আহুতি ইত্যাদি।
-----------------------------------------
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
- লর্ড ওয়েলেসলী ১৮০০ সালে কলকাতায় ফোর্ট উইলিয়ম কলেজ প্রতিষ্ঠা করেন।
- বাংলাসহ ভারতের অনেক ভাষা বিশেষজ্ঞ ও ধর্মপ্রচারক উইলিয়ম কেরীকে স্থানীয় ভাষা বিভাগের প্রধান নিয়োগ করা হয়।
- ১৮০১ সালের মে মাসে উইলিয়াম কেরী ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক নিযুক্ত হন।
- পরবর্তীতে ১৮০৫ সালের মধ্যে কলেজে মোট ১২টি অনুষদ খোলা হয়।
ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের পণ্ডিতগণ হলেন:
- উইলিয়াম কেরী,
- রামরাম বসু,
- গোলকনাথ শর্মা,
- মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কার,
- তারিণীচরণ মিত্র,
- রাজীবলােচন,
- চণ্ডীচরণ মুনশী,
- হরপ্রসাদ রায় ইত্যাদি।
উৎস: বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল হক, বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা- ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
• 'নীলদর্পণ' নাটক:
- দীনবন্ধু মিত্রের প্রথম ও সর্বশ্রেষ্ঠ নাটক নীলদর্পণ।
- এটি বাংলা সাহিত্যে একটি বিখ্যাত নাটক।
- ১৮৬০ সালে নাটকটি প্রথম ঢাকা থেকে প্রকাশিত হয়।
- এটি ঢাকা থেকে প্রকাশিত প্রথম নাটক এবং নাটকটি ঢাকায় প্রথম মঞ্চস্থ হয়।
- A Native ছদ্মনামে মাইকেল মধুসূদন দত্ত এর ইংরেজি অনুবাদ করেন। অনুবাদটি ১৮৬১ সালে Nil Darpan or The Indigo Planting Mirror নামে প্রকাশিত হয়।
অন্যদিকে,
--------------------
• ‘মেঘনাদবধ কাব্য’ দুখণ্ড ও নয় সর্গে রচিত মাইকেল মধুসূদন দত্তের মহাকাব্য। প্রথম খণ্ড ১৮৬১ সালের জানুয়ারি মাসে এবং দ্বিতীয় খণ্ড একই বছরের আগস্ট মাসে কলকাতা থেকে প্রকাশিত হয়।
• কপালকুণ্ডলা: বাংলা সাহিত্যের রোমাঞ্চধর্মী ও বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের দ্বিতীয় সার্থক উপন্যাস 'কপালকুণ্ডলা'৷ এটি প্রকাশিত হয় ১৮৬৬ সালে। অরণ্যে এক কাপালিক-পালিতা নারী কপালকুণ্ডলাকে কেন্দ্র করে উপন্যাসটির কাহিনী গড়ে উঠেছে। বষ্কিমের জীবৎকালেই এই উপন্যাসের আটটি সংস্করণ হয়।
• যতীন্দ্রনাথ সেনগুপ্ত রচিত কাব্য- মরুশিখা।
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা-ড. সৌমিত্র শেখর।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
