বিশিষ্ট পঙ্ক্তি, উক্তি ও চরিত্র প্রশ্নব্যাংক ও সমাধান
বিগত বিসিএস ও চাকরির পরীক্ষার ৯৯টি প্রশ্ন নিয়ে স্টাডি ও অনুশীলন করুন
• সবার উপরে মানুষ সত্য তাহার উপর নাই' বলেছেন- 'চণ্ডীদাস'।
• চন্ডীদাসের বিখ্যাত উক্তি:
- 'শুনহ মানুষ ভাই, সবার উপর মানুষ সত্য তাহার উপরে নাই।'
- 'সই কেবা শুনাইল শ্যাম নাম।',
- 'সখি কেমনে ধরিব হিয়া, আমার বধূয়া আনবাড়ী যায় আমার আঙিনা দিয়া।'
• চন্ডীদাস:
- চন্ডীদাস মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের প্রসিদ্ধ কবি।
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর চণ্ডীদাসকে দুঃখের কবি বলেছিলেন।
- চণ্ডীদাসকে বাংলা ভাষার প্রথম মানবতাবাদী কবি বলা হয়।
- এ নামে চারজন কবির পরিচয় পাওয়া যায়; তাঁরা হলেন: বড়ু চন্ডীদাস, দ্বিজ চন্ডীদাস, দীন চন্ডীদাস ও চন্ডীদাস।
- চণ্ডীদাস বৈষ্ণব কবি ছিলেন।
- তিনি চৈতন্যপূর্ব যুগের কবি ছিলেন এবং জাতিতে ছিলেন ব্রাহ্মণ।
উৎস: বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল আলম এবং বাংলাপিডিয়া, বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
- 'অমিত্রাক্ষর' ছন্দের বৈশিষ্ট্য হলো এর অন্ত্যমিল বা অন্ত্যানুপ্রাস নেই।
- অমিত্রাক্ষর ছন্দ ইংরেজি হচ্ছে Blank verse।
- উনিশ শতকে অমিত্রাক্ষর ছন্দ প্রবর্তনের মধ্য দিয়ে মাইকেল মধুসূদন দত্তের হাতে এ ছন্দের সুরমুক্তি ঘটে।
- অর্থাৎ, 'অমিত্রাক্ষর ছন্দ’ প্রকৃত পক্ষে বাংলা অক্ষরবৃত্ত ছন্দের নব সংস্করণ।
- তিনি 'পদ্মাবতী' নাটকে (দ্বিতীয় অঙ্ক দ্বিতীয় গর্ভাঙ্কে) প্রথম অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রয়োগ করেন।
- উৎপত্তির বিচারে যে ছন্দটিকে খাঁটি বাংলা অর্থাৎ 'তদ্ভব ছন্দ' নামে আখ্যায়িত করা হয়, তাকেই প্রচলিত ভাষায় বলা হয় অক্ষরবৃত্ত ছন্দ।
- অক্ষরবৃত্ত ছন্দ বাংলা কাব্যের প্রধান ছন্দ।
- অক্ষরবৃত্ত ছন্দকে তানপ্রধান ছন্দও বলে।
- পয়ার হচ্ছে অক্ষরবৃত্ত ছন্দের ৮/৬ মাত্রার বৈশিষ্ট্যপূর্ণ একটি শ্রেণিবিভাগ।
উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড হায়াৎ মামুদ এবং বাংলাপিডিয়া; বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
- গীতিকবিতার মধ্যে কবিহৃদয়ের বিশেষ কোন অনুভূতি, সঙ্গীতমাধুর্য সহকারে রূপায়িত হয়ে ওঠে। কবির ব্যক্তিগত অনুভূতি এর উপজীব্য, সঙ্গীতের ব্যঞ্জনা নিয়ে তার প্রকাশ।
- যে শ্রেণির কবিতায় কবির হৃদয়ের অনুভূতি বা একান্ত ব্যক্তিগত বাসনাকামনা ও আনন্দবেদনা প্রাণের অন্তস্তল থেকে আবেগকম্পিত সুরে অখণ্ড ভাবমূর্তিতে আত্মপ্রকাশ করে, তাকেই গীতিকবিতা বলে অভিহিত করা হয়।
- আন্তরিকতাপূর্ণ অনুভূতি, অবয়বের স্বল্পতা, সঙ্গীতমাধুর্য ও গতিস্বাচ্ছন্দ্য-এই কয়টি বৈশিষ্ট্য গীতিকবিতার মধ্যে বিদ্যমান।
- বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের মতে, বক্তার ভাবোচ্ছ্বাসের পরিস্ফুটন মাত্র যার উদ্দেশ্য সেই কাব্যই গীতিকাব্য। হৃদয়ের অনুভূতি সাধারণত দীর্ঘস্থায়ী নয় বলে তা অবলম্বনে লেখা গীতিকবিতাও দীর্ঘ আকারের হয় না।
- গীতিকবিতায় ভাববস্তু সংক্ষিপ্ত বা বিস্তৃত উভয় রূপই হতে পারে। আর একারণেই গীতিকবিতার আকার তথা দৈর্ঘ্য সম্পর্কে সঠিক পরিমাণ নির্ধারণ অসম্ভব।
- বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগে বৈষ্ণব পদাবলিতে গীতিকবিতার বৈশিষ্ট্য প্রথম বারের মত ফুটে উঠেছিল। তবে কবিতা প্রাচীন ও মধ্য যুগের সৃষ্টি হলেও গীতিকবিতা আধুনিক যুগের সৃষ্টি।
- আধুনিক যুগে সৃষ্ঠ এই গীতি কবিতাই এই যুগের সবচেয়ে সমৃদ্ধ ধারা।
----------------------
উল্লেখ্য,
- মধ্যযুগের সবচেয়ে সমৃদ্ধ সাহিত্য ধারা - বৈষ্ণব সাহিত্যধারা।
উৎস: বাংলাপিডিয়া; বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও লাল নীল দীপাবলী, হুমায়ুন আজাদ।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
- বাংলা ভাষার সাধু ও চলিত রূপের মধ্যে তুলনামূলক গবেষণা করেন প্রমথ চৌধুরী।
- বাংলা গদ্যে চলিত রীতির প্রবর্তক ও বিদ্রূপাত্মক প্রাবন্ধিক হলেন প্রমথ চৌধুরী।
- প্রমথ চৌধুরীর সাহিত্যিক ছদ্মনাম 'বীরবল।'
- প্রমথ চৌধুরী রচিত 'বীরবলের হালখাতা' ১৯০২ সালে ভারতী পত্রিকায় প্রথম প্রকাশিত হয়।
- এ গদ্য/প্রবন্ধ রচনায় তিনি প্রথম চলিত রীতির প্রয়োগ ঘটান।
- বাংলা কাব্য সাহিত্যে তিনিই প্রথম ইতালীয় সনেটের প্রবর্তন করেন।
• প্রমথ চৌধুরী প্রবন্ধগ্রন্থ:
- নানা কথা,
- আমাদের শিক্ষা,
- রায়তের কথা,
- প্রবন্ধ সংগ্রহ,
- বীরবলের হালখাতা,
- তেল-নুন-লকড়ি ইত্যাদি।
• তাঁর রচিত গল্পগ্রন্থ:
- চার ইয়ারী কথা,
- নীললোহিত ও
- আহুতি ইত্যাদি।
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
Source: LiveMCQ Lecture
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা-ড. সৌমিত্র শেখর।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
শহীদ মুনির চৌধুরী বাংলা ভাষার অর্জন সম্পর্কে বলতে গিয়ে লিখেছেন, 'আমার মাতৃভাষা কী? বাংলা ভাষা। সমগ্র বাংলা ভাষা। বিচিত্র রূপিণী বাংলা ভাষা। অভিধানে আছে ষোড়শ রমণী মাতৃ সম্বোধনীযোগ্যা। শ্মশ্রু থেকে তনয়া, গর্ভধারিণী থেকে পিতৃরমণী। ষোল নয়, আমার মাতৃভাষার ষোলশত রূপ। তার সব পদ্মিনীর সহচরী। আমার মাতৃভাষা তিব্বতের গুহাচারী, মনসার দর্পচূর্ণকারী, আরাকানের রাজসভার মণিময় অলঙ্কার, বরেন্দ্রভূমির বাউলের উদাস আহ্বান, মাইকেল-রবীন্দ্রনাথ-নজরুল ইসলাম আমার মাতৃভাষা। আমার মাতৃভাষা বাংলা ভাষা।'
উৎসঃ দৈনিক সমকাল
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
- 'গোরা' রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত বৃহত্তম এবং অনেকের মতে তাঁর সর্বশ্রেষ্ঠ উপন্যাস৷
- 'বিদ্রোহী' কবিতাটি কবি কাজী নজরুল ইসলাম রচিত একটি কবিতা যা 'অগ্নি-বীণা' কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত।
-'পথের দাবী' শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত একটি রাজনৈতিক উপন্যাস। এক গুপ্ত বিপ্লবী দলের নায়ক 'সব্যসাচী' এই উপন্যাসের প্রধান চরিত্র৷
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া৷
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
যেমনঃ হৃদয়ের মাঝে মেঘ উদয় করি। নয়নের মাঝে ঝরিল বারি।
‘শ্রাবণের কালো মেঘ ছাইল গগনে / আঁখি জল বরষিল রাধিকা নয়নে।’
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা-ড. সৌমিত্র শেখর।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
স্বদেশে পূজ্যতে রাজা বিদ্বান সর্বত্র পূজ্যতে।
---বিদ্বান এবং রাজা কখনােই সমান নয়, কারণ রাজা শুধুমাত্র তার দেশেই পূজ্য কিন্তু বিদ্বান সর্বত্র পূজ্য।বিদ্বানের সহিত রাজার কখনাে তুলনা চলে না।বিদ্বান শ্রেয় এবং শ্রেষ্ঠ।
উৎস: বৈদিক সনাতন হিন্দুত্ববাদ
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
এই গল্পে রতন নামের এক বালিকার স্নেহময়তা ও পোস্ট মাস্টারের প্রতি মাতৃত্বসুলভ আচরণ লক্ষ্য করা যায়।
প্রশ্নোল্লিখিত উদ্ধৃতিতে অনুপস্থিত সেমিকোলন ও ড্যাসের সংখ্যা ১ টি করে।
উৎস: রবীন্দ্র রচনাবলী
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
(১) আনন্দ প্রকাশে - আ মরি বাংলা ভাষা!-অতুলপ্রসাদ সেন);
(২) সুখবোধে - আ কি আরাম!;
(৩) বিদ্রূপে - আ মরণ আর কী!;
(৪) প্রশংসায় - আ মরি! আ মরি! কী শোভা!;
(৫) স্বস্তিতে - আ! বাঁচা গেল।;
(৬) স্মরণে - আ, তাই বটে! ইত্যাদি।
উৎস: বাংলা একাডেমি অনলাইন ডিকশনারি।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
প্রশ্নে উল্লেখিত অন্য অপশন গুলোর মধ্যে -
The days are getting worse = দিনকাল খারাপ যাচ্ছে।
Time is being wasted = সময় নষ্ট হচ্ছে।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
- চমৎকার এ কথাটি সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় লিখেছিলেন 'পালামৌ' নামের ভ্রমণকাহিনীতে।
এর মূলভাব হলো সৌন্দর্য্য সর্বত্র বিকশিত হয় না । প্রাকৃতিক নিয়মে যার যথা স্থান সেখানেই তার সৌন্দর্য ফুটে উঠে।
- 'পালামৌ' সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের শ্রেষ্ঠ রচনা।
- ছোটনাগপুরের আদিম গিরিদরী অরণ্যানী ও আরণ্যক পশু ও মানব লেখকের বর্ণনাগুণে উচ্চ সাহিত্যমূল্য লাভ করে।
- ''বন্যেরা বনে সুন্দর, শিশুরা মাতৃক্রোড়ে'' এই গ্রন্থের যুগোত্তীর্ণ বাক্য।
- এই বাক্য সৃষ্টির মাধ্যমে লেখক স্মরনীয় হয়ে থাকবেন।
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
- জসীমউদ্দীন গ্রাম্য পরিবেশের অভিজ্ঞতা কে কাজে লাগিয়ে তাঁর কবিতার মাঝে চিত্রকল্পের সূচনা করেন।
চিত্রকল্প
সাধারণভাবে কবির কল্পনা বা ভাবানুভূতির চিত্রকে শব্দবিন্যাসের মাধ্যমে বিভিন্ন প্যাটার্ন বা আকারে উপস্থাপন করাই হলো কবিতার চিত্রকল্প।
কবিতায় কবির উপলব্ধি অভিজ্ঞতাকে কখনো সঙ্গতি কখনো ব্যাপ্তি ও বৈচিত্র দানের প্রয়োজনে চিত্রকল্পের জন্ম।
চিত্রকল্প বিচ্ছিন্নভাবে কোন কবিতা নয়, তবে এটি কবিতার একটি গুরুত্ত্বপূর্ণ উপাদান।
প্রদত্ত চরণটিতে "গাছের পাতারা সেই বেদনায় বুনো পথে যেত ঝরে" বাক্যটিতে প্রকৃতির মাধ্যামে একটি আবেগময় ও নান্দনিক চিত্র ফুটে উঠেছে। এখানে পাতার ঝরে পড়াকে "বেদনা"র সঙ্গে যুক্ত করে মানবিক অনুভূতি আরোপ করা হয়েছে, যা পাঠকের মনে একটি স্পষ্ট mental image বা মনের চিত্র তৈরি করে। এই বিশেষত্বই চিত্রকল্প-এর বৈশিষ্ট্য।ক) উপমা: উপমা সরাসরি তুলনামূলক শব্দ (যেমন—যেমন, মত) ব্যবহার করে, যা এখানে অনুপস্থিত।
খ) রূপক: রূপকে একটি বস্তুকে অন্য বস্তুরূপে চিহ্নিত করা হয় (যেমন—"জীবন একটি যাত্রা"), যা এখানে প্রযোজ্য নয়।
ঘ) রূপকাভাস: এটি দীর্ঘ রূপক বা প্রতীকী বর্ণনা, যা পুরো কবিতার প্রেক্ষাপটে কাজ করে, একটি চরণে নয়।
এই চরণে কোনো প্রত্যক্ষ তুলনা বা অভেদ নেই, বরং একটি প্রাণবন্ত দৃশ্যচিত্র আছে।
উৎস: কবিতায় ভাষা ও চিত্রকল্প, মোঃ ফিরোজ হোসেন।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
» যমক:
একই শব্দ একই একই স্বরধ্বনিসমেত একই ক্রমানুসারে ভিন্ন ভিন্ন অর্থে একাধিকবার ব্যবহৃত হলে তাকে যমক অলঙ্কার বলে।
যমক শব্দের অর্থ যুগ্ম। এতে একই শব্দ বা প্রায় এক রকমের উচ্চার্য শব্দ দ্যু বার বা বেশি বার উচ্চারিত হয়। শব্দের অর্থও আলাদা হতে হবে। যেমন:
১. মাটির ভয়ে রাজ্য হবে মাটি/ দিবস রাতি রহিলে আমি বন্ধ।
২. ভারত ভারত খ্যাত আপনার গুণে।
» শ্লেষ:
একটি শব্দ একবার মাত্র ব্যবহৃত হয়ে বিভিন্ন অর্থ প্রকাশ করলে তাকে শ্লেষ অলঙ্কার বলে। যেমন:
কে বলে ঈশ্বর গুপ্ত ব্যাপ্ত চরাচর, /যাহার প্রভায় প্রভা পায় প্রভাকর।
– এখানে সমগ্র বাক্যের দুটি অর্থ। এক অর্থে ঈশ্বর চরাচরে ব্যাপ্ত, তাঁর আলোকে সূর্য আলোকিত হয়। অন্য অর্থে যার প্রতিভায় ‘সংবাদ প্রভাকর' পত্রিকা উজ্জ্বলরূপে প্রকাশিত হয় সেই ঈশ্বর গুপ্তকে অখ্যাতনামা কে বলবে? তাঁর খ্যাতি চরাচরে ব্যাপ্ত। এটা শ্লেষ অলঙ্কার।
যেমন :
আছিলাম একাকিনী বসিয়া কাননে।/আনিলা তোমার স্বামী বাঁধি নিজ গুণে।। —এখানে ‘গুণে' অর্থ ১. ধনুকের ছিলায়, ২. স্বভাবের উৎকর্ষে।
» বক্রোক্তি :
রচনার সৌন্দর্য প্রকাশের জন্য বক্রতা বা মনোহর ভঙ্গি দ্বারা উক্তি সম্পন্ন হলে তাকে বক্রোক্তি বলে। সোজাসুজি না বলে বাঁকাভাবে কোনো বক্তব্য প্রকাশ পেলে তা হয় বক্রোক্তি। যেমন:
গৌরী সেনের আবার টাকার অভাব কী। —এখানে টাকার অভাব নেই ভাবটি বাঁকাভাবে ব্যক্ত হয়েছে।
বক্রোক্তি দুই ধরনের- ১. শ্লেষ বক্রোক্তি ও ২. কাকু বক্রোক্তি।
» উপমা:
একই বাক্যে সাধারণ ধর্মবিশিষ্ট দুই ভিন্ন জাতয়ি পদার্থের মধ্যে সাদৃশ্য করা হলে তাকে উপমা বলে। উপমার চারটি অঙ্গ-
১. উপমেয়: যাকে তুলনা করা হয়।
২. উপমান: যার সঙ্গে তুলনা করা হয়।
৩. সাধারণ ধর্ম: যে বৈশিষ্ট্যের জন্য তুলনা দেওয়া হয়।
৪. সাদৃশ্যবাচক শব্দ: মতো, সম, হেন, সদৃশ, প্রায়, ন্যায় ইত্যাদি।
উদাহরণ: ‘পদ্মের কলিকাসম ক্ষুদ্র তব মুষ্টিখানি।’- এ বাক্যে উপমেয়-মুষ্টি; উপমান- পদ্মের কলিক; সাধারণ ধর্ম- ক্ষুদ্র; সাদৃশ্যমূলক শব্দ- সম।
উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
- বাঙালি মুসলমানের ভাষা নিয়ে সঙ্কটের সময় 'বাসনা' পত্রিকা বাংলা ভাষার স্বপক্ষে দাঁড়িয়েছিল।
- হিন্দু-মুসলমান মিলনাকাঙ্ক্ষা ছিল এ পত্রিকার প্রধান লক্ষ্য।
- হিন্দু-মুসলমান সঙ্কটের সময় শেখ ফজলল করিম রচনা করেন:
স্বর্গ ও নরক- কবিতা,
- শেখ ফজলল করিম।
কোথায় স্বর্গ, কোথায় নরক, কে বলে তা বহুদূর?
মানুষেরি মাঝে স্বর্গ নরক, মানুষেতে সুরাসুর!
রিপুর তাড়নে যখনই মোদের বিবেক পায় গো লয়,
আত্মগ্লানির নরক-অনলে তখনি পুড়িতে হয়।
প্রীতি ও প্রেমের পূণ্য বাঁধনে যবে মিলি পরষ্পরে,
স্বর্গ আসিয়া দাঁড়ায় তখন আমাদেরি কুঁড়ে ঘরে।
• শেখ ফজলল করিম:
- তিনি ১৮৮২ সালে রংপুর জেলার কাকিনা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি ছিলেন কবি, সাহিত্যিক, সম্পাদক।
- তিনি হযরত মুহম্মদ (স) এর চারিত্র্য-মাহাত্ম্য ও ধর্মজীবন অবলম্বনে রচনা করেন 'পরিত্রাণ' নামক কাব্য।
- সাহিত্য ক্ষেত্রে অবদানের জন্য নদীয়া সাহিত্য সভা তাঁকে সাহিত্যবিশারদ (১৯১৬) এবং কাব্যরত্নাকর (১৯১৭) উপাধি দিয়ে সম্মানিত করে।
- তাঁর মৃত্যু ২৮ সেপ্টেম্বর, ১৯৩৬।
• তাঁর রচিত উল্লেখযোগ্য কাব্য:
- ভগ্নবীণা,
- ভক্তি পুষ্পাঞ্জলি,
- গাঁথা,
- প্রেমের স্মৃতি,
- পথ ও পাথেয়,
- উচ্ছ্বাস।
• তাঁর রচিত উপন্যাস:
- লায়লী মজনু,
- হারুন-অর-রশিদ।
উৎস: বাংলাপিডিয়া; 'স্বর্গ ও নরক' কবিতা, শেখ ফজলল করিম।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
অন্যদিকে,
অন্নদাশংকর রায় - লীলাময় রায়,
নীহাররঞ্জন গুপ্ত - দাদাভাই,
বানভট্ট বিনয়কৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় - যাযাবর।
• জরাসন্ধ কারাগারের কাহিনি লিখে এক সময় পাঠক সমাজ মুগ্ধ করে রেখেছিলেন।
- তাঁর জন্ম বর্তমান বাংলাদেশের ফরিদপুর জেলার ব্রাহ্মণপাড়া গ্রামে।
তাঁর উল্লেখযোগ্য উপন্যাসগুলো হলো:
- লৌহকপাট,
- তামসী,–
- পাড়ি,
- ন্যায়দণ্ড
- মসিরেখা,
- মল্লিকা,
- আবরণ,
- আশ্রয়,
- অপর্ণা,
- তনুমন,
- নিঃসঙ্গ পথিক,
- মহাশ্বেতা ডায়রি ইত্যাদি।
উৎস: বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল হক এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
- জন্ম গ্রহণ করেন অধুনা বাংলাদেশের ঢাকা জেলার বিক্রমপুরের বানারি গ্রামে।
- ১৯০২ - ১৯০৩ মধ্যে তাঁর রচিত শতাধিক গান “সাধন সংগীত” নামে প্রকাশিত হয়। সেই কাব্যগ্রন্থের গানে তিনি “মুকুন্দ” ভণিতা দিয়েছিলেন।
- ১৯০৫ সালে লর্ড কার্জনের বাংলাকে ভাগ করার প্রচেষ্টা ব্যর্থ করতে বঙ্গভঙ্গ আন্দোলনের সময়কালে মুকুন্দদাস স্বদেশী যাত্রার মাধ্যমে ব্রিটিশ বিরোধী ভাবনাকে প্রচার করেন এবং চারণকবি মুকুন্দাস নামে খ্যাত হন। সেই কারণে তিনি ব্রিটিশ সরকারের চক্ষ্মুশূল হয়ে দেশদ্রোহিতার অভিযোগে কারাবরণ করেন।
- তার সম্পর্কে বলা হয়ে থাকে - গান গেয়েই তিনি ব্রিটিশ সরকারের ভিত কাঁপিয়ে দিয়েছিলেন।
মুকুন্দদাসের কয়েকটি বিখ্যাত গানঃ
- ‘হাসি হাসি পরব ফাঁসি/দেখবে জগৎ বাসী/একবার বিদায় দে মা ঘুরে আসি।’ (বিপ্লবী ক্ষুদিরামের ফাঁসির পর রচিত)
- 'ছেড়ে দেও কাঁচের চুড়ি বঙ্গনারী' (স্বদেশী আন্দোলন বিশেষ করে বিদেশী পন্য বর্জনের সময়)
- ‘ভয় কি মরণে থাকিতে সন্তানে
মাতঙ্গী মেতেছে আজ সমর রঙ্গে।'
উৎসঃ বাংলাপিডিয়া ও বাংলা-কবিতা ব্লগ।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
- তিনি শাক্ত পদাবলীর আদি ও শ্রেষ্ঠ কবি।
- তার গানের সুর 'রামপ্রসাদি সুর' নামে পরিচিত।
- তার রচিত শ্যামাসঙ্গীতের সংখ্যা প্রায় তিনশ।
• 'আমি কি দুঃখেরে ডরাই’- তার উক্তি।
- তাঁর বিখ্যাত গান:
"মনরে কৃষি কাজ জান না
এমন মানবজমিন রইল পতিত
আবাদ করলে ফলতো সোনা।"
- তার গান শুনে বাংলার শেষ নবাব সিরাজঊদৌলা অভিভূত হয়েছিলেন।
- রামপ্রসাদ সেনকে রাজা কৃষ্ণচন্দ্র 'কবিরঞ্জন' উপাধি দিয়েছিলেন।
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
- 'শুনহ মানুষ ভাই, সবার উপর মানুষ সত্য তাহার উপরে নাই।',
- এ পঙ্কতিটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম মানবতাবাদী বাণী।
- এই জাত-পাতযুক্ত সমাজে প্রথম মানবতার বাণী কাব্যে ধারন করেছেন বলে চণ্ডীদাসকে মানবতাবাদী কবি বলা হয়।
- অনেকে বলে থাকেন, মানবতার বাণী আনরা ইউরোপ থেকে পেয়েছি, চণ্ডীদাসের এই বাণী তা ভুল প্রমাণ করে।
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
• কুসুমকুমারী দাশ:
- শিশুদের জন্যে তিনি 'কবিতা মুকুল' নামে একটি পুস্তিকা রচনা করেন।
- তাঁর গদ্যগ্রন্থের নাম- পৌরাণিক আখ্যায়িকা।
- তাঁর কবিতা প্রকাশিত হত 'প্রবাসী, ব্রহ্মবাদী, মুকুল প্রভৃতি পত্রিকায়।
- কুসুমকুমারী দাশ হলেন জীবনানন্দ দাশের মাতা।
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
