মধ্যযুগ: নাথ সাহিত্য, মায়না ও লোকসাহিত্য প্রশ্নব্যাংক ও সমাধান
বিগত বিসিএস ও চাকরির পরীক্ষার ১২৮টি প্রশ্ন নিয়ে স্টাডি ও অনুশীলন করুন
টপ্পা:
- 'টপ্পা' এক ধরনের গান। টপ্পা হলো ভারতীয় মার্গসঙ্গীতের চারটি প্রধান ধারার একটি।
- অপর তিনটি হলো ধ্রুপদ, খেয়াল এবং ঠুম্রি। টপ্পা দুই প্রকারে বিভক্ত: হিন্দুস্থানি ও বাংলা।
- হিন্দুস্থানি টপ্পাকে উচ্চাঙ্গ সঙ্গীতের মর্যাদা দেওয়া হয়েছিল অযোধ্যার নবাব-দরবারের সঙ্গীতজ্ঞ গোলাম নবী বা শোরী মিঞার দ্বারা।
- আর বাংলা টপ্পার সূচনাকারী হচ্ছে- রামনিধি গুপ্ত।
- কলকাতা ও তার শহরতলীতে সমসাময়িক কালে টপ্পাগান নামে রাগ-রাগিনী সংযুক্ত এক ধরনের ওস্তাদি গান প্রচলিত ছিল।
- এই গান মূলত হিন্দি টপ্পার আদর্শ অনুসরণ করত।
- বাংলা টপ্পাগানের প্রবর্তক নিধুবাবু চাকরির সময় একজন মুসলমান ওস্তাদের কাছে সঙ্গীত শিক্ষা নেন।
- এবং শোরী মিঞার হিন্দুস্থানি টপ্পার সঙ্গে পরিচিত হয়ে কলকাতায় এসে বাংলা টপ্পা গানের সৃষ্টিশীল রূপ দেন।
- নিধুবাবুর টপ্পা সংকলনের নাম ছিল 'গীতরত্ন'।
উৎস: বাংলাপিডিয়া।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
লোকসাহিত্য মৌখিক ধারার সাহিত্য যা অতীত ঐতিহ্য ও বর্তমান অভিজ্ঞতাকে আশ্রয় করে রচিত হয়। একটি নির্দিষ্ট ভৌগোলিক পরিমন্ডলে একটি সংহত সমাজমানস থেকে এর উদ্ভব। সাধারণত অক্ষরজ্ঞানহীন পল্লিবাসীরা স্মৃতি ও শ্রুতির ওপর নির্ভর করে এর লালন করে। মূলে ব্যক্তিবিশেষের রচনা হলেও সমষ্টির চর্চায় তা পুষ্টি ও পরিপক্কতা লাভ করে। এজন্য লোকসাহিত্য সমষ্টির ঐতিহ্য, আবেগ, চিন্তা ও মূল্যবোধকে ধারণ করে।
লোকসাহিত্য লোকসংস্কৃতির একটি জীবন্ত ধারা; এর মধ্য দিয়ে জাতির আত্মার স্পন্দন শোনা যায়। তাই রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর একে ‘জনপদের হৃদয়-কলরব’ বলে আখ্যায়িত করেছেন। লোকসাহিত্যকে প্রধানত লোকসঙ্গীত, গীতিকা, লোককাহিনী, লোকনাট্য, ছড়া, মন্ত্র, ধাঁধা ও প্রবাদ এই আটটি শাখায় ভাগ করা যায়।
উৎসঃ বাংলাপিডিয়া
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
- এন্টনি ফিরিঙ্গি শতকের বাংলা ভাষার কবিয়াল।
- তাঁর প্রকৃত নাম এন্টনি হেন্সম্যান
- আঠার শতকের শেষার্ধে ও উনিশ শতকের প্রথমার্ধে সামাজিক ও সাংস্কৃতিক বিপর্যয়ের মুখে কলকাতার হিন্দু সমাজে কবিওয়ালা ও মুসলিম সমাজে শায়েরের উদ্ভব ঘটে।
- কবিওয়ালাদের মধ্যে কয়েকটি উল্লেখযোগ্য নাম হলো;
গোঁজলা গুই,
হুরু ঠাকুর,
এন্টনি ফিরিঙ্গি
[উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর]
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
• খনার বচন:
- খনার বচন বিশেষ অর্থবোধক বাক্য বা উক্তি। ইংরেজি saying, proverb কিংবা বাংলা প্রবাদ শব্দ অনেকটা এর সমার্থক, কিন্তু বচনের তাৎপর্য আরও ব্যাপক ও ভিন্ন।
- শুভাশুভ, বিধিবিধান, নীতি ও উপদেশবাচক প্রতিপাল্য প্রাজ্ঞোক্তিই সাধারণ অর্থে বচন, যেমন গুরুর বচন, মহাপুরুষের বচন ইত্যাদি।
- বাংলায় ডাক ও খনার উক্তি বচনের প্রকৃষ্ট উদাহরণ।
- খনার বচনগুলো কৃষি, আবহাওয়া, ঋতু, জ্যোতিশাস্ত্র সম্পর্কিত। এছাড়াও স্বাস্থ্য, খাদ্য ও পুষ্টি বিষয়ের খনার বচন রয়েছে।
- ‘খনার বচন’ রচয়িতার প্রকৃত নাম লীলাবতী; লীলাবতী আর্যার প্রণেতা ও খনা একই ব্যক্তি।
- আনুমানিক ৮ম থেকে ১২শ শতাব্দীর মধ্যে রচিত।
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
সূত্রঃ বাংলাপিডিয়া।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
খনার বচন বিশেষ অর্থবোধক বাক্য বা উক্তি। ইংরেজি saying, proverb কিংবা বাংলা প্রবাদ শব্দ অনেকটা এর সমার্থক, কিন্তু বচনের তাৎপর্য আরও ব্যাপক ও ভিন্ন।
শুভাশুভ, বিধিবিধান, নীতি ও উপদেশবাচক প্রতিপাল্য প্রাজ্ঞোক্তিই সাধারণ অর্থে বচন, যেমন গুরুর বচন, মহাপুরুষের বচন ইত্যাদি। বাংলায় ডাক ও খনার উক্তি বচনের প্রকৃষ্ট উদাহরণ।
- ডাকের বচন ‘ডাকের কথা’ বা ‘ডাক পুরুষের কথা’ নামেও পরিচিত। ডাক তাঁর বচনকে ‘ডাকর কথা’ বলেছেন, চাকমা ভাষায় যা ‘দাগর কধা’ নামে পরিচিত।
- ‘খনার বচন’ রচয়িতার প্রকৃত নাম লীলাবতী; লীলাবতী আর্যার প্রণেতা ও খনা একই ব্যক্তি।
- বৌদ্ধ সমাজে যেমন ডাকের বচনের উৎপত্তি হয়েছিল তেমনি হিন্দু সমাজে খনার বচনের সৃষ্টি হয়েছিল। আনুমানিক ৮ম থেকে ১২শ শতাব্দীর মধ্যে রচিত।
- বচন লোকসাহিত্যের একটি জনপ্রিয় শাখা। এর স্বতন্ত্র একটা প্রকৃতি, কাব্যরস ও গীতিধর্মিতা আছে। ডাক ও খনার বচনে মাঝে মাঝে ভণিতা আছে, যা লোকসাহিত্যের অন্য শাখায় সচরাচর লক্ষ করা যায় না।
- বচনে প্রাত্যহিক জীবনের মূল্যবান নীতিমালা ও নির্দেশনা পাওয়া যায়। খনার বচনের বর্তমান ভাষা তার মূল ভাষা নয়, তবে লীলাবতী আর্যার ভাষা অনেকটা মূল ভাষার কাছাকাছি।
- বাংলা ও অন্যান্য ভাষার তুলনীয় বচন-প্রবচন বিশ্লেষণ করে একটি নব ভাষাতাত্ত্বিক দিগন্ত উন্মোচিত হতে পারে। অন্যান্য প্রাদেশিক ভাষায় খনার বচনের অনুপ্রবেশের প্রধান কারণ কৃষিবিজ্ঞান। কৃষিপ্রধান বঙ্গদেশে ডাকের কথা ও খনার বচন প্রাচীন বাংলা ও আসামের ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির বুনিয়াদ রচনা করেছিল।
- ডাকের কথায় নীতিকথা বেশি।
অন্যদিকে,
- খনার বচনগুলো কৃষি, আবহাওয়া, ঋতু, জ্যাতিশাস্ত্র সম্পর্কিত। এছাড়াও স্বাস্থ্য, খাদ্য ও পুষ্টি বিষয়ের খনার বচন রয়েছে।
উৎস: বাংলাপিডিয়া ও বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
- লোকসাহিত্য মৌখিক ধারার সাহিত্য যা অতীত ঐতিহ্য ও বর্তমান অভিজ্ঞতাকে আশ্রয় করে রচিত হয়।
- লোকসাহিত্য লোকসংস্কৃতির একটি জীবন্ত ধারা; এর মধ্য দিয়ে জাতির আত্মার স্পন্দন শোনা যায়।
- লােকসাহিত্যের উপাদান মূলত গ্রামীণ এলাকার অখ্যাত সাহিত্যিকদের রচনা।
- তাই রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর একে ‘জনপদের হৃদয়-কলরব’ বলে আখ্যায়িত করেছেন।
- লোকসাহিত্যকে প্রধানত লোকসঙ্গীত, গীতিকা, লোককাহিনী, লোকনাট্য, ছড়া, মন্ত্র, ধাঁধা ও প্রবাদ এই আটটি শাখায় ভাগ করা যায়।
- লোক সাহিত্যের প্রাচীনতম নিদর্শন- 'ছড়া'।
উৎস: বাংলাপিডিয়া, বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস- মাহবুবুল আলম।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগে শিব উপাসক নাথ-যোগী ও সিদ্ধাচার্যদের রচিত সাহিত্যই নাথসাহিত্য। অন্যভাবে বলা যায়, নাথ ধর্মের সাধনতত্ত্ব ও প্রাসঙ্গিক গল্প কাহিনি অবলম্বনে রচিত সাহিত্যই নাথ সাহিত্য।
⇒ ‘গোরক্ষবিজয়’ কাব্যগ্রন্থ:
নাথ সাহিত্য ধারার সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য কাহিনি হলো গোরক্ষবিজয়। গোরক্ষবিজয় সংক্রান্ত ১৭টির মতো পুথি অবিভক্ত বাংলা থেকে সংগৃহীত হয়েছে। সংগ্রাহকরা হলেন:
- নলিনীকান্ত ভট্টশালী (১টি পুথি),
- আবদুল করিম সাহিত্যবিশারদ (৮টি পুথি),
- আলি আহমদ (৭টি পুথি) এবং পঞ্চানন মন্ডল (১টি পুথি)।
• এসব পুথির অধিকাংশই খণ্ডিত। পুথি অনুসরণে সম্পাদিত গ্রন্থের সংখ্যা তিন। নলিনীকান্ত ভট্টশালী সম্পাদিত গ্রন্থের নাম মীনচেতন এবং আবদুল করিম ও পঞ্চানন মণ্ডল সম্পাদিত গ্রন্থের নাম যথাক্রমে গোরক্ষবিজয় ও গোর্খবিজয়।
• গোরক্ষবিজয় কাব্যের রচনাকাল নিয়ে পন্ডিত মহলে বিতর্ক আছে। শেখ ফয়জুল্লাহ ছাড়া কবীন্দ্র, ভীমসেন ও শ্যামদাসের নাম ভণিতায় পাওয়া যায়। তবে ভণিতায় নামের সংখ্যাধিক্যের হিসেবে ফয়জুল্লাহকেই গোরক্ষবিজয়ের কবি মনে করা হয়, অন্যরা ছিলেন গায়ক।
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
- গাজী মিয়াঁর বস্তানী মীর মশাররফ হোসেন রচিত আত্মজৈবনিক উপন্যাস।
- এর প্রথম অংশ ১৮৯৯ খ্রিস্টাব্দে প্রকাশিত হয়; দ্বিতীয় অংশ পুস্তকাকারে স্বতন্ত্রভাবে প্রকাশিত হয়নি, তবে মীর রচিত আত্মজীবনী আমার জীবনী-তে এর কিয়দংশ মুদ্রিত হয়। গ্রন্থের প্রচ্ছদপটে গ্রন্থকার হিসেবে মীর মশাররফ হোসেনের নাম মুদ্রিত হয়নি; স্বত্বাধিকারী হিসেবে তাঁর ছদ্মনাম ‘উদাসীন পথিক’ মুদ্রিত হয়েছে।
- সোনাবিবি ও মনিবিবি নামে দুই বিধবা মহিলা জমিদারের দ্বন্দ্ব উপন্যাসের মূল ঘটনা।
- উপন্যাসের নায়ক-নায়িকা ও স্থানের নামকরণ অভিনব, যেমন অরাজকপুর, যমদ্বার, নচ্ছারপুর, পয়জারন্নেসা, সবলোট চৌধুরী, ভেড়াকান্ত, জয়ঢাক ইত্যাদি।
- ভেড়াকান্ত চরিত্রে লেখকের নিজের ছায়াপাত আছে বলে গ্রন্থখানিকে আত্মজৈবনিক রচনা বলে অভিহিত করা হয়।
---------------------------
• মীর মশাররফ হোসেন:
- মীর মশাররফ হোসেন ছিলেন ঔপন্যাসিক, নাট্যকার, প্রাবন্ধিক।
- ১৮৪৭ সালের ১৩ নভেম্বর কুষ্টিয়া জেলার লাহিনীপাড়ায় তাঁর জন্ম।
- মশাররফ হোসেন ছাত্রাবস্থায় সংবাদ প্রভাকর ও কুমারখালির গ্রামবার্তা প্রকাশিকা-র মফঃস্বল সংবাদদাতার দায়িত্ব পালন করেন।
- তিনি আজিজননেহার ও হিতকরী নামে দুটি পত্রিকাও সম্পাদনা করেন।
- মীর মশাররফ ছিলেন বঙ্কিমযুগের অন্যতম প্রধান গদ্যশিল্পী ও উনিশ শতকের বাঙালি মুসলমান সাহিত্যিকদের পথিকৃৎ।
তাঁর রচিত সাহিত্যকর্ম:
• নাটক:
- বসন্তকুমারী,
- জমীদার দর্পণ,
- বেহুলা গীতাভিনয়,
- টালা অভিনয়।
• উপন্যাস:
- বিষাদ-সিন্ধু।
• আত্মজীবনীমূলক রচনা:
- উদাসীন পথিকের মনের কথা,
- গাজী মিয়াঁর বস্তানী,
- আমার জীবনী,
- কুলসুম জীবনী ইত্যাদি।
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
- ভাটিয়ালি এক ধারার লোকগীতি।
- এর প্রধান বৈশিষ্ট্য সুরের দীর্ঘ টান ও লয়।
- প্রচলিত মতে মাঝিমাল্লাদের গান থেকে ভাটিয়ালি সুরের উৎপত্তি।
- বাংলাদেশের ময়মনসিংহ ও সিলেট জেলায় এই গান বিশেষভাবে প্রচলিত।
অন্যদিকে,
- ভাওয়াইয়া বাংলাদেশের রংপুর অঞ্চলের বিখ্যাত লোকসংগীত।
- গম্ভীরা হলো চাপাইনবাবগঞ্জ ও রাজশাহী অঞ্চলের বিখ্যাত লোকসঙ্গীত।
- ধামাইল গান প্রধানত সিলেটের হাওরাঞ্চলে প্রচলিত মেয়েদের আচার-কেন্দ্রিক নাচ ও গানের নাম।
তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
- কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক দীনেশচন্দ্র সেন বৃহত্তর ময়মনসিংহ জেলা থেকে স্থানীয় সংগ্রাহকদের সহায়তায় প্রচলিত এ পালাগানগুলো সংগ্রহ ও সম্পাদনা করে মৈমনসিংহ গীতিকা (১৯২৩) নামে গ্রন্থাকারে প্রকাশ করেন।
- গ্রন্থটি বিষয়মাহাত্ম্য ও শিল্পগুণে শিক্ষিত মানুষেরও মন জয় করে।
- সেগুলির অধিকাংশই দীনেশচন্দ্র সেনের সম্পাদনায় মৈমনসিংহ গীতিকা (১৯২৩) ও পূর্ববঙ্গ-গীতিকা (১৯২৬) নামে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রকাশিত হয় এবং দেশবিদেশের বহু গুণিজনের ব্যাপক প্রশংসা অর্জন করে।
[মৈমনসিংহ গীতিকাগুলো সংগ্রহ করেন চন্দ্রকুমার দে, অপশনে চন্দ্রকুমার দে না থাকায় দীনেশচন্দ্র সেন অধিক গ্রহণযোগ্য হিসেবে নেওয়া হলো]
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
- 'চন্দ্রাবতী' কাব্যের রচয়িতা কোরেশী মাগন ঠাকুর।
- মধ্যযুগে আরাকান রাজ সভায় বাংলা সাহিত্যচর্চা শুরু হয়।
- কোরেশী মাগন ঠাকুর আরাকান রাজসভার প্রধান উজির ছিলেন।
- তার পৃষ্ঠাপােষকতায় আরাকান বা রােসাঙ্গ রাজসভায় বাংলা সাহিত্য চর্চা শুরু হয়েছিল।
- তিনি আলাওলকে দুটি কাব্য ‘পদ্মাবতী’ ও ‘সয়ফুলমুলক বদিউজ্জামান' লিখতে পৃষ্ঠপােষকতা করেছিলেন।
- আলাওল, দৌলত কাজী, কোরেশী মাগন ঠাকুর আরাকান রাজসভার উল্লেখযােগ্য কবি।
-----------------------------------
- উল্লেখ্য, চন্দ্রাবতী নামে ময়মনসিংহ গীতিকার একজন মহিলা কবি রয়েছেন যিনি প্রথম রামায়ণ বাংলায় অনুবাদ করেছিলেন।
- আরও উল্লেখ্য, চন্দ্রাবতীকে নিয়ে মৈমনসিংহ-গীতিকায় নয়ানচাঁদ ঘোষ নামে একজন কবির পালা রয়েছে। এই পালাটি বিভিন্ন নামে পরিচিত - ‘জয়-চন্দ্রাবতী’, 'চন্দ্রাবতী চরিত', 'চন্দ্রাবতী উপাখ্যান'।
- এছাড়াও, ১৯৩২ সালে দীনেশচন্দ্র সেন চন্দ্রাবতীর রামায়ণ প্রকাশ করেন। পূর্ববঙ্গ-গীতিকার চতুর্থ খণ্ডের ২য় ভাগে এ রামায়ণ স্থান পেয়েছে।
উৎস: বাংলাপিডিয়া, বাংলার পুরনারী - দীনেশচন্দ্র সেন, বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
• ময়মনসিংহ অঞ্চলের প্রচলিত গানগুলোকে একত্রে মৈমনসিংহ গীতিকা বলা হয়।
• মৈমনসিংহ গীতিকায় ১০টি গীতিকা ও রূপকথা স্থান পেয়েছে।
• এদের মধ্যে 'মহুয়া' পালাটিতে ময়মনসিংহ গীতিকার বৈশিষ্ট্য চমৎকারভাবে ফুটে উঠেছে।
•'মহুয়া' পালাটির রচয়িতা- দ্বিজ কানাই।
• নমশূদ্রের ব্রাহ্মণ কবি দ্বিজ কানাই ১৬৫০ খিষ্ট্রাব্দের দিকে 'মহুয়া পালা' রচনা করেন বলে অধ্যাপক দীনেশচন্দ্রের ধারণা।
• এই পালার কাহিনীর সঙ্গে কবির ব্যক্তিগত প্রেমবঞ্চনার বেদনার সাদৃশ্য রয়েছে।
মহুয়ার পালার প্রধান কয়েকটি চরিত্র:
- মহুয়া,
- নদের চাঁদ,
- হুমরা বেদে,
- সাধু।
মহুয়া পালার পঙ্ক্তি:
'ছয় মাসের শিশু কইন্যা পরমা সুন্দরী।।
রাত্রি নিশাকালে হুমরা তারে করল চুরী।।'
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
---------------------
• চন্দ্রকুমার দে:
- চন্দ্রকুমার দে (১৮৮৯-১৯৪৬) লোকসাহিত্য সংগ্রাহক ও লেখক।
- বৃহত্তর ময়মনসিংহের নেত্রকোনা জেলার রাঘবপুর গ্রামে তাঁর জন্ম।
- চন্দ্রকুমার আমৃত্যু পল্লীর এ লোকসম্পদ সংগ্রহে নিয়োজিত থেকে বহু সংখ্যক পালা সংগ্রহ করেন।
- সেগুলির অধিকাংশই দীনেশচন্দ্র সেনের সম্পাদনায় মৈমনসিংহ গীতিকা (১৯২৩) ও পূর্ববঙ্গ-গীতিকা (১৯২৬) নামে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রকাশিত হয় এবং দেশবিদেশের বহু গুণিজনের ব্যাপক প্রশংসা অর্জন করে।
চন্দ্রকুমারের সংগৃহীত পালাগুলি হচ্ছে -
• মৈমনসিংহ-গীতিকা:
- মহুয়া,
- মলুয়া,
- চন্দ্রাবতী,
- দস্যু কেনারাম,
- কমলা,
- রূপবতী,
- কঙ্ক ও লীলা,
- দেওয়ান মদিনা ও
- ধোপার পাট;
• পূর্ববঙ্গ-গীতিকা:
- ভেলুয়া সুন্দরী,
- মইষাল বন্ধু,
- কমলারাণী,
- দেওয়ান ঈসা খাঁ,
- ফিরোজ খাঁ দেওয়ান,
- আয়না বিবি,
- শ্যামরায়,
- শিলাদেবী,
- আন্ধা বন্ধু,
- বন্ডুলার বারমাসী,
- রতন ঠাকুর,
- পীর বাতাসী,
- জিবালনি,
- সোনারামের জন্ম ও
- ভারাইয়া রাজা।
- এগুলি ছাড়া তাঁর সংগৃহীত আরও কতগুলি পালা হচ্ছে: অধুয়া সুন্দরী, সুরতজামাল, কাজলরেখা, আসমা, সত্যপীরের পাঁচালি, চন্দ্রাবতীর রামায়ণ, লীলার বারমাসী ও গোপিনী কীর্তন।
- পালাগুলির বেশির ভাগ ময়মনসিংহ ও সিলেট থেকে সংগৃহীত হয়েছে। মৌখিক ধারার এসব গান ও সাহিত্য মাঠপর্যায় থেকে সংগ্রহ করে জনসম্মুখে তুলে ধরার মৌলিক কৃতিত্ব চন্দ্রকুমারের। পালা সংগ্রহ ছাড়া চন্দ্রকুমার নিজে বেশ কিছু কবিতা, গল্প ও প্রবন্ধ রচনা করেছিলেন।
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
• ময়মনসিংহ অঞ্চলের প্রচলিত গানগুলোকে একত্রে মৈমনসিংহ গীতিকা বলা হয়।
• মৈমনসিংহ গীতিকায় ১০টি গীতিকা ও রূপকথা স্থান পেয়েছে।
• এদের মধ্যে 'মহুয়া' পালাটিতে ময়মনসিংহ গীতিকার বৈশিষ্ট্য চমৎকারভাবে ফুটে উঠেছে।
• 'মহুয়া' পালাটির রচয়িতা- দ্বিজ কানাই।
• নমশূদ্রের ব্রাহ্মণ কবি দ্বিজ কানাই ১৬৫০ খিষ্ট্রাব্দের দিকে 'মহুয়া পালা' রচনা করেন বলে অধ্যাপক দীনেশচন্দ্রের ধারণা।
• এই পালার কাহিনীর সঙ্গে কবির ব্যক্তিগত প্রেমবঞ্চনার বেদনার সাদৃশ্য রয়েছে।
মহুয়ার পালার প্রধান কয়েকটি চরিত্র:
- মহুয়া,
- নদের চাঁদ,
- হুমরা বেদে,
- সাধু।
মহুয়া পালার পংক্তি:
'ছয় মাসের শিশু কইন্যা পরমা সুন্দরী।।
রাত্রি নিশাকালে হুমরা তারে করল চুরী।।'
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
• সঠিক উত্তর- আধ্যাত্মিক প্রেম ও অন্তর্গত অনুসন্ধান।
------------------
বাউল গান: সংক্ষিপ্ত সারসংক্ষেপ-
বাউল গান হলো বাউল সম্প্রদায়ের আধ্যাত্মিক লোকসংগীত। বাউলরা একটি লৌকিক ধর্মীয় সম্প্রদায়, যারা দেহতত্ত্ব ও আত্মসাধনাভিত্তিক এক বিশেষ ধর্মমত পালন করেন। এই ধর্মের কোনো লিখিত শাস্ত্র বা গ্রন্থ নেই; সবকিছু মৌখিক ধারায় গানের মাধ্যমে প্রকাশ পায়। বাউলরা ধর্মীয় তত্ত্ব ও দর্শন, জীবনবোধ ও আদর্শের কথা গানের ভাষায় প্রকাশ করে সাহিত্যে।
বাউল গানের মূল ভাবধারা:
• দেহকে মন্দির মনে করে দেহসাধনার মাধ্যমে মানবাত্মা ও পরমাত্মার মিলন সাধন করা।
• পরমাত্মাকে বিভিন্ন প্রতীকী ভাষায় অভিহিত করা হয় — যেমন: মানুষ, মনের মানুষ, অচিন পাখি, মনুরায় ইত্যাদি।
• সাধনা গুরু-নির্ভর; গুরুর দীক্ষা নিয়ে যোগসাধনা, আচার-অনুষ্ঠান ও প্রেম-ভক্তির মাধ্যমে এই মিলন সম্ভব।
• বাউল গানে প্রধানত স্থান পায়: আত্মতত্ত্ব, দেহতত্ত্ব, গুরুতত্ত্ব, প্রেমতত্ত্ব, সৃষ্টিতত্ত্ব, মানুষতত্ত্ব।
বাউল গানের প্রধান স্রষ্টা: লালন শাহ (১৭৭৪–১৮৯০)-
• জন্ম: কুষ্টিয়ার ভাড়রা গ্রাম (মতান্তরে যশোরের হরিশপুর)
• সাধনাস্থল: কুষ্টিয়ার ছেঁউড়িয়া (এখানেই তাঁর আস্তানা ও সমাধি)
• অবদান: আনুমানিক ২০০০–২৫০০টি বাউল গান রচনা করেন।
• নিজে গাইতেন এবং শিষ্যদের মাধ্যমে ধারাটি ছড়িয়ে দেন।
----------------------
প্রশ্নে প্রদত্ত অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
ক) বীরত্বগাথা ও ভক্তিমূলক:
[বাউল গানে বীরত্বগাথা (যুদ্ধ-বীরত্বের কাহিনী) নেই। ভক্তিমূলক উপাদান আছে, কিন্তু এটি প্রধান বৈশিষ্ট্য নয়। বাউল গান মূলত দেহতত্ত্ব, আত্মানুসন্ধান ও অধ্যাত্মিক প্রেম-কেন্দ্রিক।]
খ) মানবিক আবেগ ও দৈনন্দিন জীবন:
[মানবিক আবেগ (প্রেম, বিরহ, মানবতা) আছে, কিন্তু দৈনন্দিন জীবনের সাধারণ বর্ণনা বাউল গানের মূল লক্ষ্য নয়। এগুলো প্রতীকী ভাষায় (যেমন অচিন পাখি, মনের মানুষ) আধ্যাত্মিক অনুসন্ধানের জন্য ব্যবহৃত হয়।]
গ) আধ্যাত্মিক প্রেম ও অন্তর্গত অনুসন্ধান:
[এটিই সবচেয়ে সঠিক ও প্রধান বৈশিষ্ট্য। বাউল গান দেহ-কেন্দ্রিক আধ্যাত্মিক সাধনা, পরমাত্মার সাথে মানবাত্মার মিলন, আধ্যাত্মিক প্রেম (ভক্তি-রাগ), গুরুতত্ত্ব, প্রেমতত্ত্ব, আত্মতত্ত্ব ইত্যাদি নিয়ে গড়ে ওঠে। লালন শাহের গানে এই অন্তর্গত অনুসন্ধান (অন্তর্মুখী খোঁজ, মনের মানুষের সন্ধান) স্পষ্ট। UNESCO-ও Baul songs-কে spiritual liberation ও God-এর সাথে সম্পর্কের অনুসন্ধান হিসেবে বর্ণনা করে।
ঘ) পল্লী জীবনের সুখ দুঃখ:
[পল্লী/গ্রামীণ জীভনের সুখ-দুঃখ অনেক লোকগানে (যেমন ভাটিয়ালি, ভাওয়াইয়া) থাকে, কিন্তু বাউল গানের মূল বিষয় নয়। বাউলরা যাযাবর, দেহ-আত্মা-পরমাত্মার রহস্য নিয়ে গান করে, দৈনন্দিন দুঃখ-সুখের বর্ণনা গৌণ।]
উৎস: বাংলাপিডিয়া।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
• খনার বচন এর মূলভাব- শুদ্ধ জীবনযাপন রীতি।
• খনার বচন:
- খনার বচন বিশেষ অর্থবোধক বাক্য বা উক্তি। ইংরেজি saying, proverb কিংবা বাংলা প্রবাদ শব্দ অনেকটা এর সমার্থক, কিন্তু বচনের তাৎপর্য আরও ব্যাপক ও ভিন্ন।
- শুভাশুভ, বিধিবিধান, নীতি ও উপদেশবাচক প্রতিপাল্য প্রাজ্ঞোক্তিই সাধারণ অর্থে বচন, যেমন গুরুর বচন, মহাপুরুষের বচন ইত্যাদি।
- বাংলায় ডাক ও খনার উক্তি বচনের প্রকৃষ্ট উদাহরণ।
- খনার বচনগুলো কৃষি, আবহাওয়া, ঋতু, জ্যোতিশাস্ত্র সম্পর্কিত। এছাড়াও স্বাস্থ্য, খাদ্য ও পুষ্টি বিষয়ের খনার বচন রয়েছে।
- ‘খনার বচন’ রচয়িতার প্রকৃত নাম লীলাবতী; লীলাবতী আর্যার প্রণেতা ও খনা একই ব্যক্তি।
- আনুমানিক ৮ম থেকে ১২শ শতাব্দীর মধ্যে রচিত।
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
পাঞ্জাবী শব্দগুলো হচ্ছেঃ চাহিদা, শিখ। (নবম দশম শ্রেণীর বোর্ড বই)
মনে রখার কৌশলঃ পাঞ্জাবীর চাহিদা শিখদের মধ্যে প্রচুর বেড়ে গেছে।
এদিকে, পাঞ্জাবী শব্দটা এসেছে ফারসি ভাষা থেকে।
আবার, বাংলা একাডেমীর আধুনিক বাংলা অভিধান অনুযায়ী ‘চাহিদা’ বাংলা শব্দ।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
উৎসঃ বাংলাপিডিয়া
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
উৎসঃ মোহসীনা নাজিলা রচিত শীকর বাংলা ভাষা ও সাহিত্য
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
লোকে বলে বলেরে, ঘর বাড়ি ভালা নায় আমার
কি ঘর বানাইমু আমি, শূন্যের-ই মাঝার
ভালা করি ঘর বানাইয়া, কয় দিন থাকমু আর
আয়না দিয়া চাইয়া দেখি, পাকনা চুল আমার।
-হাসন রাজা।
তাঁর অন্যান্য বিখ্যাত গান হলো 'মাটির পিঞ্জিরার মাঝে বন্দী হইয়ারে', 'আঁখি মুঞ্জিয়া দেখ রূপরে', 'সোনা বন্ধে আমারে দেওয়ানা বানাইল', 'মরণ কথা স্মরণ হইল না হাছন রাজা তোর', 'আমি যাইমুরে যাইমুরে আল্লার সঙ্গে', 'কানাই তুমি খেইর খেলাও কেনে', 'একদিন তোর হইব রে মরন রে হাসন রাজা'।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
