জলবায়ু পরিবর্তন ও বৈশ্বিক উষ্ণায়ন প্রশ্নব্যাংক ও সমাধান
বিগত বিসিএস ও চাকরির পরীক্ষার ১১৪টি প্রশ্ন নিয়ে স্টাডি ও অনুশীলন করুন
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
Certain industrial processes and consumer products result in the emission of ozone-depleting substances (ODSs) to the atmosphere.
- ODSs are manufactured halogen source gases that are controlled worldwide by the Montreal Protocol. These gases bring chlorine and bromine atoms to the stratosphere, where they destroy ozone in chemical reactions.
- Important examples are the chlorofluorocarbons (CFCs), once used in almost all refrigeration and air conditioning systems, and the halons, which were used as fire extinguishing agents.
Source: UNEP
- ওজোনস্তর হলো পৃথিবীর বায়ুমন্ডলের স্ট্র্যাটোস্ফিয়ারে অবস্থিত একটি আবরণ যা প্রাণীকুলকে সূর্যের অতিবেগুনী রশ্মি থেকে রক্ষা করে।
- কিছু কিছু গ্যাস ওজোনস্তরের ক্ষয় সাধন করছে যার কারণে সূর্যের অতিবেগুনী রশ্মি বায়ুমণ্ডল ভেদ করে সরাসরি ভূপৃষ্ঠে চলে আসছে।
ওজোনস্তর ক্ষয়ের জন্যে দায়ী গ্যাস সমূহের মধ্যে রয়েছে:
- সিএফসি (ক্লোরোফ্লোরোকার্বন)
- ক্লোরিন
- ব্রোমিন
- নাইট্রাস অক্সাইড
- নাইট্রোজেন অক্সাইড
- মিথেন
- মিথাইল ক্লোরাইড ইত্যাদি।
(সূত্রঃ UNEP ওয়েবসাইট)
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
- গ্রীন হাউজ ইফেক্টের জন্য দায়ী গ্যাসগুলোকে বলা হয় গ্রীন হাউজ গ্যাস।
- কয়েকটি উল্লেখযোগ্য গ্রীন হাউজ গ্যাস হচ্ছে-
• জলীয় বাষ্প,
• কার্বন ডাই অক্সাইড,
• নাইট্রাস অক্সাইড,
• মিথেন,
• ওজোন,
• ক্লোরোফ্লোরো কার্বন ইত্যাদি।
- কার্বন ডাই সালফাইড (CS2) এবং কার্বনিল সাইফাইড (COS) পরোক্ষ গ্রিন হাউজ গ্যাস।
অন্যদিকে,
- অক্সিজেন, নাইট্রোজেন এবং হাইড্রোজেন গ্রীন হাউস গ্যাস নয়।
উৎস: ভূগোল, নবম-দশম শ্রেণি, ব্রিটানিকা এবং Royal Society of Chemistry.
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
- বিশ্বের সর্ববৃহৎ কার্বন নির্গমনকারী দেশ চীন।
সূত্র: বিবিসি বাংলা।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
- CFC গ্যাস হলো ক্লোরোফ্লোরো কার্বন।
- গ্রিন হাউস গ্যাসসমূহ ওজোন স্তরকে ক্ষতি করে কিন্তু এর মধ্যে ক্লোরোফ্লোরো কার্বন (সিএফসি) গ্যাস প্রত্যক্ষভাবে ওজোন স্তরের ক্ষতি করে।
- সিএফসি এর মধ্যে CFC12 এবং CFC13 সর্বাধিক ক্ষতিকর।
- CFC12 এবং CFC13 এর কার্বন যৌগপ্তলো জায়মান দশায় ক্লোরিন উৎপাদন করে।
- উৎপন্ন ক্লোরিন ওজোনের সাথে বিক্রিয়া করে ওজোনের অণু ধ্বংস করে।
- এক লক্ষ ওজোনের অণু ধ্বংসের জন্য একটি ক্লোরিনের অণুই যথেষ্ট।
উৎস: পরিবেশ বিজ্ঞান, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
- CFC-এর পূর্ণরূপ হলো ক্লোরো-ফ্লুরো-কার্বন।
- মূলত মিথেন বা ইথেনের ক্লোরিন ও ফ্লোরিনের জাতকসমূহকে সিএফসি বলা হয়।
- গন্ধহীন, অদাহ্য, অবিষাক্ত এবং নিম্ন গলনাঙ্ক ও স্ফুটনাঙ্ক বিশিষ্ট এসব যৌগের বাণিজ্যিক নাম ফ্রেয়ন।
সিএফসি'র ক্ষতিকর দিকসমূহ-
১. প্রাণীর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমিয়ে দেয়।
২. ত্বকের ক্যান্সার, চোখের ছানি এবং বিভিন্ন মারাত্মক রোগ সৃষ্টি।
৩. খাদ্যশস্যের ক্ষতি করে এবং উৎপাদন কমিয়ে দেয়।
৪. কৃষিক্ষেত্রে পোকামাকড়ের আক্রমণ বৃদ্ধি করে।
৫. খাদ্য উৎপাদনকারী শৈবাল ও প্লাঙ্ককটন ধ্বংস করে।
CFC এর ব্যবহারের দিকসমূহ-
১। কীটনাশক ও পােকামাকড় দমনের জন্য বিষাক্ত দ্রবণ তৈরিতে দ্রাবক হিসাবে CFC ব্যবহার করা হয়।
২। শ্বাস-প্রশ্বাসের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত ইনহেলার, মেডিক্যাল স্প্রে-প্রভূতি ক্ষেত্রে CFC ব্যবহার করা হয়।
৪। সার্জিক্যাল যন্ত্রপাতি পরিষ্কার করার কাজে CFC ব্যবহার করা হয়।
সূত্র: American Chemical Society [লিঙ্ক]
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
- পৃথিবীর বায়ুমন্ডলের গড় তাপমাত্রা বৃদ্ধির মাধ্যমে পরিবর্তনশীল আবহাওয়ার প্রক্রিয়াকে গ্রীন হাউস ইফেক্ট বলে।
- বায়ুমন্ডলে উপস্থিত যে সব গ্যাসীয় CO2, CFC, N2O2, CO, O3 ইত্যাদি পদার্থের আবরণ পৃথিবীকে আচ্ছাদন রূপে ঢেকে রেখে পৃথিবী পৃষ্ঠ হতে বিকিরিত তাপকে মহাশূন্যে ফিরে যেতে বাধা দেয় এবং বায়ুমন্ডলকে উত্তপ্ত রাখে তাদেরকে গ্রীন হাউজ গ্যাস বলে।
- পরিবেশ দূষণ এবং গাছপালা কেটে ফেলার ফলে গ্রীনহাউস গ্যাসের পরিমাণ বাড়ছে ফলে সূর্য থেকে তাপ বিকিরিত হয়ে পৃথিবীতে ঢোকার পর যতটা আবার পৃথিবীর বাইরে বিকিরিত হওয়া উচিত তা হচ্ছে না, ফলে পৃথিবীর তাপমাত্রা ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে।
- গ্রিন-হাউজ ইফেক্ট এর ফলে তাপ আটকে পড়ে পৃথিবীর বায়ুমন্ডলের সার্বিক তাপমাত্রা বৃদ্ধি পায়।
উৎস: ভূগোল, নবম-দশম শ্রেণি।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
• গ্রীন হাউস ইফেক্ট: পৃথিবীর বায়ুমন্ডলের গড় তাপমাত্রা বৃদ্ধির মাধ্যমে পরিবর্তনশীল আবহাওয়ার প্রক্রিয়াকে গ্রীন হাউস ইফেক্ট বলে।
- বায়ুমণ্ডলে উপস্থিত যে সব গ্যাসীয় CO2, CFC, N2O2, CO, O3 ইত্যাদি পদার্থের আবরণ পৃথিবীকে আচ্ছাদন রূপে ঢেকে রেখে পৃথিবী পৃষ্ঠ হতে বিকিরিত তাপকে মহাশূন্যে ফিরে যেতে বাধা দেয় এবং বায়ুমন্ডলকে উত্তপ্ত রাখে তাদেরকে গ্রীন হাউজ গ্যাস বলে।
- পরিবেশ দূষণ এবং গাছপালা কেটে ফেলার ফলে গ্রীনহাউস গ্যাসের পরিমাণ বাড়ছে ফলে সূর্য থেকে তাপ বিকিরিত হয়ে পৃথিবীতে ঢোকার পর যতটা আবার পৃথিবীর বাইরে বিকিরিত হওয়া উচিত তা হচ্ছে না, ফলে পৃথিবীর তাপমাত্রা ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে।
উৎস: ভূগোল, নবম-দশম শ্রেণি।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
- পৃথিবীতে রেকর্ডকৃত উষ্ণতম মাস ছিল জুলাই ২০২৩।
- ইতিহাসের সবচেয়ে উষ্ণতম দিন ছিল গত ৪ জুলাই, ২০২৩।
- ৪ জুলাই, ২০২৩ সালে বৈশ্বিক গড় তাপমাত্রা বেড়ে দাঁড়ায় ১৭ দশমিক ১৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস বা ৬২ দশমিক ৯ ডিগ্রি ফারেনহাইট।
- সর্বোচ্চ বৈশ্বিক গড় তাপমাত্রার আগের রেকর্ডটি ২০১৬ সালের আগস্টের এক দিন হয়েছিল। সে সময় বৈশ্বিক গড় তাপমাত্রা উঠেছিল ১৬ দশমিক ৯২ সেলসিয়াস বা ৬২ দশমিক ৪৬ ফারেনহাইট।
তথ্যসুত্র - দৈনিক প্রথম আলো, ৬ জুলাই ২০২৩।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
- দূষিত বাতাসে কার্বন মনোক্সাইড গ্যাসটি মানবদেহে রক্তের অক্সিজেন পরিবহন ক্ষমতা নষ্ট করে।
- কার্বন মনোক্সাইড ইংরেজিতে Carbon Monoxide (রাসায়নিক সংকেত: CO) হল একপ্রকার রঙ, গন্ধ এবং স্বাদহীন গ্যাস, যার ঘনত্ব বাতাসের তুলনায় কিছুটা কম।
- এক পরমাণু কার্বন ও এক পরমাণু অক্সিজেন যুক্ত হয়ে এক অণু কার্বন মনোক্সাইড গঠন করে।
- আন্তর্জাতিকভাবে এটি বিষাক্ত গ্যাস হিসেবে চিহ্নিত।
• কার্বন মনোক্সাইড বিষক্রিয়ায় মানবদেহে যে সকল সমস্যা দেখা দিতে পারে:
- দুর্বলতা,
- বমি বমি ভাব,
- মাথা ঘোরানো,
- ক্লান্তি,
- ক্ষুধা,
- মাথা ব্যাথা,
- অজ্ঞান হওয়া,
- খিঁচুনি ইত্যাদি।
উৎস: Centers of Disease Control and Prevention website.
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
গ্রিন হাউস:
- গ্রিন হাউস হচ্ছে এক ধরনের কাচের ঘর।
- নির্দিষ্ট মাত্রায় তাপ ধরে রেখে বা সৃষ্টি করে বিভিন্ন উদ্ভিদ ও শাকসবজি জন্মাবার জন্যেই এটা তৈরি করা হয়।
- প্রধানত শীতপ্রধান দেশে এবং ইদানিং মরুময় তেল প্রধান দেশে এ ধরনের ঘর তৈরি করা হয়।
- গ্রিন হাউস গ্যাসসমূহ শীতপ্রধান দেশের গ্রীন হাউস ঘরের ন্যায় সূর্য থেকে আগত রশ্মি তাপ বিকিরণে বাধা সৃষ্টি করে বায়ুমন্ডলকে উত্তপ্ত করে।
- গ্রিন হাউস গ্যাসসমূহ হলো: কার্বন ডাই-অক্সাইড, মিথেন, নাইট্রাস অক্সাইড, ক্লোরো ফ্লরো কার্বন।
- ‘গ্রিন হাউস ইফেক্ট' কথাটি প্রথম ব্যবহার করেন সুইডিস রসায়নবিদ সোভানটে আরহেনিয়াস।
⇒ গ্রিন হাউস ইফেক্ট:
- গ্রিন হাউস গ্যাসসমূহ সূর্য থেকে আগত রশ্মি তাপ বিকিরণে বাঁধা সৃষ্টি করে বায়ুমণ্ডলকে উত্তপ্ত করে।
- গ্রিন হাউস গ্যাস কর্তৃক বায়ুমণ্ডলের এইরূপ তাপ বৃদ্ধির প্রক্রিয়াকে গ্রিন হাউস ইফেক্ট বলে।
- গ্রিন হাউস ইফেক্ট কথাটি সর্বপ্রথম সোভানটে আরহেনিয়াস ব্যবহার করেন।
- গ্রিন হাউস গ্যাসসমূহ হলো: কার্বন ডাই অক্সাইড, মিথেন নাইট্রাস অক্সাইড, ক্লোরোফ্লোরোকার্বন।
- বায়ুমণ্ডলে গ্রিন হাউস গ্যাসের ক্রমাগত বৃদ্ধি বৈশ্বিক পরিবেশের তাপমাত্রা বৃদ্ধি করছে এবং বিশ্ব উষ্ণায়নকে ত্বরান্বিত করছে।
- বিশ্ব উষ্ণায়নের ফলে পরিবেশের যে বিরূপ প্রতিক্রিয়া তাকে গ্রিন হাউস প্রতিক্রিয়া বলে।
- গ্রিন হাউস প্রতিক্রিয়ায় কারণে সমুদ্রপৃষ্ঠের পানির উচ্চতা বৃদ্ধি পাচ্ছে, আবহাওয়া ও জলবায়ুর পরিবর্তন হচ্ছে।
- ফলশ্রুতিতে প্রাকৃতিক দুর্যোগের সংখ্যা ও তীব্রতা উভয়ই বৃদ্ধি পাচ্ছে।
- এছাড়াও গ্রিন হাউস প্রতিক্রিয়ায় কারণে বৈশ্বিক উষ্ণায়নের ফলে পৃথিবী থেকে বহুপ্রজাতি বিলুপ্ত হয়েছে।
উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান, SSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
এই উত্তরটি দুইটা বইতে আমরা ভুল পেয়েছি। এবার উত্তর ঠিক আছে। প্রশ্নে গ্রিন হাউজ ইফেক্টের কারণ কোনটি সেটি জানতে চাওয়া হয়নি, বরং কোন সমস্যাটির কারণ গ্রিন হাউজ গ্যাস, এটা জানতে চাওয়া হয়েছে।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
উৎসঃ লাইভ এমসিকিউ আর্কাইভ
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
মোট নিঃসরনের পরিমাণ - ৯,৮৩৮.৮ মিলিয়ন মে. টন; মাথাপিছু - ৭.১ মে. টন।
অন্যদিকে, মাথাপিছু নিঃসরনের দিক থেকে প্রথম - যুক্তরাষ্ট্র।
মোট নিঃসরণের পরিমান - ৫,২৬৯.৫ মিলিয়ন মে. টন; মাথাপিছু - ১৬.২ মে. টন।
উৎসঃ Live MCQ content (upcoming)
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
ওজনস্তর ক্ষয়ের জন্যে সবচেয়ে বেশি দায়ী ক্লোরোফ্লোরোকার্বন বা সিএফসি গ্যাস। এছাড়া ওজনস্তরের জন্যে ক্ষতিকর অন্যান্য গ্যাসসমূহের মধ্যে রয়েছে নাইট্রাস অক্সাইড, নাইট্রোজেন অক্সাইড, ব্রোমিন, মিথেন, মিথাইল ক্লোরাইড ইত্যাদি।
ওজনস্তর পৃথিবীর বায়ুমন্ডলের স্ট্র্যাটোস্ফিয়ারে অবস্থিত একটি আবরণ যা প্রাণীকুলকে সূর্যের অতিবেগুনী রশ্মি থেকে রক্ষা করে।
(সূত্রঃ এনসাক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা)
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
বিশুদ্ধ বায়ুতে কার্বন ডাইঅক্সাইডের পরিমাণ শতকরা ০.০৩ ভাগ। তবে বায়ুর ৩.০ শতাংশ পর্যন্ত কার্বন ডাই-অক্সাইড জীবের জন্য ক্ষতিকর নয়। কিন্তু এর বেশি কার্বন ডাই-অক্সাইড বায়ুতে থাকলে মানুষের শ্বাসকষ্ট দেখা যায়। কোনো পরিবেশে কার্বন ডাই-অক্সাইডের পরিমাণ শতকরা ২৫ শতাংশের বেশি হলে সেখানে মানুষসহ কোনো প্রাণির পক্ষে বেঁচে থাকা সম্ভব নয়।
কার্বন ডাই-অক্সাইড বৃদ্ধির উপর জনসংখ্যা বৃদ্ধির প্রভাব:
- পৃথিবীতে বর্তমানে প্রায় ৬০০ কোটির অধিক লোকের বাস। এ হিসেবে প্রতিদিন প্রায় ১২০ কোটি পাউন্ড কার্বন ডাই-অক্সাইড বায়ুতে মিশে যাচ্ছে।
- জনসাধারণের জীবনযাত্রার মান বৃদ্ধির ফলে কলকারখানা ও গাড়ি ব্যবহার বৃদ্ধির জন্য কয়লা, পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস পুড়ে বছরে প্রায় ১৫০০ কোটি টন কার্বন ডাই-অক্সাইড বায়ুতে মিশে যাচ্ছে। এর ফলে জনসংখ্যা বৃদ্ধির সাথে সাথে বায়ুমন্ডলে কার্বন ডাই-অক্সাইডের ঘনত্বের মাত্রা বৃদ্ধি পাচ্ছে।
- জনসংখ্যা অধিকহারে বৃদ্ধির ফলে তাদের বাসস্থান, আসবাবপত্র তৈরি ও কৃষি জমি বাড়াতে ব্যাপকহারে বনাঞ্চল ধ্বংস করতে হচ্ছে। ফলে উদ্ভিদের পরিমাণ কমে
যাচ্ছে। এর ফলে বায়ুমন্ডলে কার্বন ডাই-অক্সাইড ক্রমান্বয়ে বাড়ছে।
- বিজ্ঞানীদের এক হিসেবে জানা যায় ১৮৬০ খ্রীষ্টাব্দ থেকে ১৯৬০ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত এ ১০০ বছরে পৃথিবীর জনসংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ায় বায়ুমন্ডলে কার্বন ডাই-অক্সাইডের পরিমাণ ২৮৩ পি.পি.এম (প্রতি মিলিয়নে অংশ) থেকে ৩৩০ পি.পি.এম-এ বেড়ে যায়। এতে পৃথিবীর গড় তাপমাত্রা ১.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস বাড়ে। গত ৪০ বছরে পৃথিবীর জনসংখ্যা প্রায় দ্বিগুণ হওয়াতে তাপমাত্রা বৃদ্ধির হার আরও বিপদজনক পর্যায়ে পৌঁছেছে।
- মানুষ তার সুখ-স্বাচ্ছন্দ্যের জন্য রেফ্রিজারেটর, এয়ার কন্ডিশন, এ্যারোসল ব্যবহার করে থাকে। জনসংখ্যা বৃদ্ধির সাথে সাথে এসমস্ত যন্ত্রের ব্যবহার দিন দিন বাড়ছে। এসমস্ত যন্ত্র থেকে CFC (ক্লোরো ফ্লরো কার্বন) গ্যাস নির্গত হয়, যা বায়ুমন্ডলের ওজোন (O3) স্তর ধ্বংসের সহায়ক।
সূত্র: সাধারণ বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
পৃথিবীর তাপমাত্রা ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে।
এর জন্য দায়ী বিভিন্ন ধরনের ক্ষতিকারক গ্যাস।
যেমনঃ কার্বন-ডাই-অক্সাইড, মিথেন, নাইট্রাস অক্সাইড, ক্লোরো ফ্লোরো কার্বন, হাইড্রো ক্লোরো ফ্লোরো কার্বন ইত্যাদি যা গ্রিনহাউস গ্যাস নামে পরিচিত।
যার ফলে ওজন স্তর ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
ওজন স্তর ক্ষয়ের কারণে ভূপৃষ্ঠ অতিবেগুনি রশ্মির প্রভাব শতকরা পাঁচ ভাগ বৃদ্ধি পেয়েছে।
বন উজাড়করণের ফলে বায়ুমন্ডলে কার্বন-ডাই-অক্সাইড এর পরিমাণ বৃদ্ধি পেয়েছে যা বৈশ্বিক উষ্ণতার কারণ।
উৎসঃ ভূগোল ও পরিবেশ, নবম -দশম শ্রেণি।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
পরিবেশ সংক্রান্ত বিষয়গুলো তদারকির জন্য ১৯৮৯ সালে পরিবেশ মন্ত্রণালয় গঠিত হয়।
অতঃপর সরকার পরিবেশ সংক্রান্ত বিভিন্ন কার্যক্রম হাতে নিয়েছে; জাতীয় পরিবেশ নীতি ১৯৯২ প্রণীত হয়েছে এবং বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন ১৯৯৫ বিধিবদ্ধ করার মাধ্যমে পুরনো আইন সংশোধন করা হয়েছে।
উৎসঃ বাংলাপিডিয়া।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
যেসব গ্যাস ভূপৃষ্ঠ থেকে বিকিরিত তাপ আটকে রেখে পৃথিবীর তাপমাত্রা বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখে তাদের গ্রিনহাউজ গ্যাস বলা হয়। বিভিন্ন গ্রিনহাউজ গ্যাসের মধ্যে কার্বন ডাই-অক্সাইড, মিথেন ও জলীয়বাষ্প প্রধান।
এছাড়া নাইট্রাস অক্সাইড, ওজন, হ্যালোকার্বন জাতীয় গ্যাসও গ্রিনহাউজ গ্যাসের অন্তর্ভুক্ত।
এসকল গ্যাস ভূপৃষ্ঠ থেকে বিকিরিত তাপ শোষণ করে বায়ুমণ্ডলের তাপমাত্রা বৃদ্ধি করে থাকে।
(সূত্রঃ এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা)
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
গ্রিন হাউজ প্রতিক্রিয়া হচ্ছে এমন একটি প্রক্রিয়া যার দ্বারা ভূপৃষ্ঠ হতে বিকীর্ণ তাপ বায়ুমণ্ডলীয় গ্রীনহাউজ গ্যাসসমূহ দ্বারা শোষিত হয়ে পুনরায় বায়ুমণ্ডলের অভ্যন্তরে বিকিরিত হয়।
এই বিকীর্ণ তাপ বায়ুমণ্ডলের নিম্নস্তরে ফিরে এসে ভূপৃষ্ঠের তথা বায়ুমণ্ডলের গড় তাপমাত্রাকে বাড়িয়ে দেয়।
উৎসঃ ভূগোল, নবম-দশম শ্রেণি।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
বায়ুমন্ডলে বিদ্যমান নাইট্রোজেন এবং অক্সিজেন ব্যতীত অন্যান্য গৌণ গ্যাসসমূহ গ্রিনহাউজ গ্যাস নামে পরিচিত।
এগুলোর মধ্যে রয়েছে কার্বন ডাই-অক্সাইড, মিথেন, নাইট্রাস অক্সাইড, ওজন প্রভৃতি।
এছাড়া ক্লোরোফ্লোরো কার্বন (সিএফসি) এবং হাইড্রো ক্লোরোফ্লোরো কার্বন (এইচসিএফসি) গ্যাসও গ্রিনহাউজ গ্যাস।
এসব গ্যাস পৃথিবী থেকে সূর্যের বিকরিত আলো আটকে রাখে।
এতে পৃথিবী উষ্ণ থাকে।
কিন্তু শিল্পায়ন, নগরায়ন প্রভৃতির কারণে পৃথিবীর বায়ুমন্ডলে এসব গ্রিনহাউজ গ্যাসের পরিমাণ দিন দিন বৃদ্ধি পাওয়ায় পৃথিবীর তাপমাত্রাও বৃদ্ধি পাচ্ছে।
একেই গ্রিনহাউজ প্রতিক্রিয়া বা গ্লোবাল ওয়ার্মিং নামে অভিহিত করা হয়।
(সূত্রঃ বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, অষ্টম শ্রেণি এবং দুর্যোগকোষ)
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
বাংলাদেশে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবঃ
মানবসৃষ্ট নানা রকম কাজকর্ম যা পরিবেশের ক্ষতি করছে সেগুলোই বিশ্ব উষ্ণায়নের জন্য দায়ী।
এই সমস্ত কার্যক্রম যেমন শিল্পায়ন, বনাঞ্চল উজাড়, পারমানবিক পরীক্ষা, কৃষির সম্প্রসারণ, যানবাহনের কালো ধোঁয়া, কাঠ-কয়লা পোড়ানো ইত্যাদি দ্বারা নির্গত কার্বন ডাই-অক্সাইড, মিথেন, নাইট্রাস গ্যাসই বিশ্ব উষ্ণায়নের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে ঝুঁকিপূর্ণ দেশসমূহের মধ্যে শীর্ষে অবস্থান করছে বাংলাদেশ।
দিন দিন জলবায়ুপরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাবে এদেশের প্রাকৃতিক, সামাজিক ও অর্থনৈতিক ক্ষতির মাত্রা বৃদ্ধি পাচ্ছে।
জাতিসংঘ তার সতর্কীকরণে বলেছে পরবর্তী ৫০ বছরে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা ৩ ফুট বাড়লে বাংলাদেশের সমুদ্র উপকূলবর্তী একটি অংশ প্লাবিত হবে এবং দেশের প্রায় ১৭ শতাংশ ভূমি পানির নিচে চলে যাবে।
আনুমানিক ৩ কোটি মানুষ তাদের ঘরবাড়ি, ফসলি জমি হারিয়ে উদ্বাস্তুতে পরিণত হবে।
উচ্চ তাপমাত্রার প্রভাবে ঘন ঘন বন্যা, ঝড়, অনাবৃষ্টি, সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি ইত্যাদি ঝুঁকি বাড়বে।
জলবায়ু পরিবর্তনের ফলেই এশিয়ায় পানির স্বল্পতা দেখা যাবে এবং ২০৫০ সালের মধ্যে প্রায় ১৫০ কোটি মানুষ ক্ষতিগ্রস্থ হবে।
ইন্টারগভার্মেন্টাল প্যানেল অন ক্লাইমেন্ট চেঞ্জ (আইপিসিসি) এর তথ্যানুযায়ী, ২০৩০ সালের পর এদেশের নদীর প্রবাহ অনেক কমে যাবে।
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর ভূগোল ও পরিবেশ বই (উন্মুক্ত)।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
