ভূমিরূপ ও ভূ-অভ্যন্তর প্রশ্নব্যাংক ও সমাধান
বিগত বিসিএস ও চাকরির পরীক্ষার ৯৮টি প্রশ্ন নিয়ে স্টাডি ও অনুশীলন করুন
আগ্নেয় ও পাললিক শিলা অত্যধিক চাপ, তাপ ও রাসায়নিক ক্রিয়ায় পরিবর্তিত হয়ে যে নতুন রূপ ধারণ করে তাকে ‘রূপান্তরিত শিলা’ বলে।
রূপান্তরিত শিলার উদাহরণ:
- কয়লা রূপান্তরিত হয়ে গ্রাফাইট
- চুনাপাথর রূপান্তরিত হয়ে মার্বেল
- বেলপাথর রূপান্তরিত হয়ে কোয়ার্টজাইট
- গ্রানাইট রূপান্তরিত হয়ে নিস।
অন্যদিকে,
- ল্যাকোলিথ ও গ্রানাইট : অন্তঃজ আগ্নেয় শিলা
- কয়লা : পাললিক শিলা।
সূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণি : পৃষ্ঠা: ৫০-৫১
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
- আগ্নেয় শিলা
- পাললিক শিলা
- রূপান্তরিত শিলা।
- এদের মধ্যে পাললিক শিলা গঠিত হয় পলি সঞ্চিত হয়ে। পাললিক শিলার বৈশিষ্ট্য সমূহ হলো:
- জীবাশ্ম দেখা যায়
- স্তর লক্ষ্য করা যায়
- পাললিক শিলা নরম, ভঙ্গুর
- সহজেই ক্ষয়প্রাপ্ত হয়।
- বেলেপাথর, চুনাপাথর, কাঁদাপাথর, কয়লা, কেওলিন, শেল প্রভৃতি পাললিক শিলার উদাহরণ।
- অন্যদিকে, আগ্নেয় ও রূপান্তরিত শিলায় জীবাশ্ম দেখা যায় না।
তথ্যসূত্র:- ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণি।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
- পাললিক শিলা কথাটি এসেছে 'পলি' বা 'পলল' থেকে।
- পাললিক শিলা হলো এক প্রকারের শিলা যা ছোট ছোট কণা জমে বা জমা করে এবং পরবর্তীকালে পৃথিবীর পৃষ্ঠে সমুদ্রের তলে বা জলের অন্যান্য দেহের খনিজ বা জৈব কণার সিমেন্টেশন দ্বারা গঠিত হয়।
- কংগ্লোমারেট, ব্রেকসিয়া, গ্রেওয়েক, বেলেপাথর, কাদাপাথর, কোয়ার্টজ, ডলোমাইট, ক্যালসাইট, জিপসাম, কয়লা, চুনাপাথর ইত্যাদি পাললিক শিলার উদাহরণ।
⇒ পাললিক শিলার বৈশিষ্ট্য:
- এই শিলায় স্তরায়ন এবং কাদার চির খাওয়া দাগ লক্ষ্য করা যায়।
- একমাত্র এই শিলাতেই জীবাশ্ম দেখা যায়।
- এই শিলায় সচ্ছিদ্রতা ও ভঙ্গুরতা দেখা যায়।
- এই শিলার প্রবেশ্যতা খুব বেশি।
- ক্ষয় প্রতিরোধের ক্ষমতা বিভিন্ন রকম হয়।
- কয়লা, খনিজ তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাসের ভান্ডার এই শিলা।
- কাঠিন্য আগ্নেয় শিলার থেকে কম।
- দারণ, ফাটল বা কেলাসের গঠন থাকে না।
অন্যদিকে -
- আগ্নেয় শিলা: গ্রানাইট।
- রূপান্তরিত শিলা: মার্বেল।
- আগ্নেয়শিলা প্রচন্ড তাপে ও চাপে পরিবর্তিত হয়ে আগ্নেয়শিলা থেকে রূপান্তরিত শিলা তৈরি হয়। যেমন: গ্রানাইট থেকে নিস (Gneiss) তৈরি হয়।
উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।

পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
◉ কনরাড বিযুক্তি ভূ-অভ্যন্তরের সিয়াল ও সিমা স্তরসমূহের মাঝে অবস্থান করে।
কনরাড বিযুক্তি:
- Sial ও Sima বিভাজনকারী স্তরকে কনরাড বিযুক্তি রেখা বলে।
- অর্থাৎ ভূ-ত্বকের লঘু ও গুরু শিলান্তরদ্বয় সীমারেখায় মিলিত হয়েছে তাকে কনরাড বিযুক্তি (Conrad Discontinuity) বলে।
⇒ সমুদ্র তলদেশের ভূত্বক প্রধানত ব্যাসল্ট জাতীয় এবং মহাদেশীয় ভূত্বক ফেলসিক স্তরবিহীন, ব্যাসল্ট-এর প্রধান খনিজ উপাদানের নাম সিলিকন (Si) এবং ম্যাগনেসিয়াম (Mg) যা সাধারণভাবে সিমা (Sima) নামে পরিচিত। ধারণা করা হয় যে, এ ব্যাসল্ট স্তরই সারা পৃথিবী জুড়ে বহিরাবরণ হিসেবে মহাদেশের মেফিক স্তরের নিচে ও গভীর সমুদ্রের তলদেশে বিদ্যমান। ভূ-ত্বকের নিচের দিকে প্রতি কিলোমিটারে ৩০° সে. তাপমাত্রা বৃদ্ধি পায়।
⇒ ওপরের লঘুশিলা ভূ-ত্বকের বাইরের স্তর। এর ওপরেই আমরা গাছপালা ও তৃণাদি জন্মাতে দেখি। এ স্তরে গ্রাণাইড শিলার পরিমাণ বেশি তাই এক গ্রানাইট শিলা স্তর বলা হয়। গ্রানাইটে সিলিকা (Silica) ও অ্যালুমিনিয়ামের (Aluminium) পরিমাণ সবচেয়ে বেশি। তাই একে সিয়াল (Sial) স্তর বলে। মহাদেশগুলো প্রধানত এ জাতীয় শিলায় গঠিত।
→ সুতরাং ভূ-ত্বকের গঠন মোটামুটি নিম্নরূপ:
১. সিয়াল (গ্রানাইট) →এটি ভূ-ত্বকের ওপরের কনরাড বিযুক্তি।
২. সিমা (ব্যাসল্ট) → এটি ভূ-ত্বকের মধ্যবর্তী স্তর।
৩. অলিভিন → এটি ভূ-ত্বকের নিচের অংশ।
এছাড়াও,
- পৃথিবীর অভ্যন্তর তিনটি স্তরে বিভক্ত। স্তর তিনটির মধ্যে সবচেয়ে ওপরের স্তর যেটি গুরুমন্ডলের ওপরে অবস্থিত সেটিকেই অশ্বমন্ডল বলে। এটাই পৃথিবীর কঠিন বহিরাবরণ। এটি নানা প্রকার শিলা ও খনিজ উপাদান দ্বারা গঠিত। এর গভীরতা ৩০ কি. মি. হতে প্রায় প্রায় ৬৪ কি.মি.। অশ্মমন্ডল যে সকল উপাদানে গঠিত তারমধ্যে সিলিকন, অ্যালুমিনিয়াম, লৌহ, ক্যালসিয়াম, সোডিয়াম, পটাসিয়াম, অক্সিজেন, হাইড্রোজেন প্রভৃতির নাম উল্লেখযোগ্য।
- কেন্দ্র মন্ডলের বহিঃভাগ থেকে অশ্বমন্ডলের (ভূ-ত্বকের) নিম্ন স্তর পর্যন্ত বিস্তৃত স্তরকে গুরুমন্ডল বলে। এটি পৃথিবীর আয়তনের শতকরা ৮২ ভাগ এবং ওজনের শতকরা ৬৮ ভাগ দখল করে আছে।
- পৃথিবীর ব্যাসার্ধ প্রায় ৬,৪৩৪ কি.মি.। পৃথিবীর কেন্দ্রের চারিদিকে প্রায় ৩,৪৮৬ কি.মি. ব্যাসার্ধের এক গোলক অবস্থিত। এই গোলকটির নাম দেয়া হয়েছে কেন্দ্রমন্ডল। অন্তঃকেন্দ্র ও বহিঃকেন্দ্রকে একত্রে কেন্দ্রন্ডল বলে। এই স্তরের ঘনত্ব প্রায় ১০.৭৮ গ্রাম/সে.মি., যা গুরুমন্ডলের চেয়ে প্রায় দ্বিগুন। কেন্দ্রমন্ডল লৌহ, নিকেল, পারদ, সীসা প্রভৃতি কঠিন ও ভারী পদার্থ দ্বারা গঠিত। এই স্তরে নিকেল (Ni) ও লৌহের (Fe) পরিমাণ বেশি থাকায় একে নাইফ (Nife) বলা হয়।
উৎস: ভূমিবিদ্যা, এসএসএইচএল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
এক নটিক্যাল মাইল=১.৮৫৩১ কিলোমিটার
=১৮৫৩.১৮ মিটার
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
এঁটেল মাটির বৈশিষ্ট্য-
১. এঁটেল মাটি সাধারণত লালচে রঙের হয় ।
২. এ মাটির কণা সবচেয়ে ছোট।
৩. এ মাটির পানি ধারণ ক্ষমতা সবচেয়ে বেশি।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
বালু মাটিতে বিদ্যমান মাটির কণাগুলো আকারে বড় হয়।
এদের মধ্যে কোন আঠালো ভাব নেই।
ফলে শুষ্ক অবস্থায় এরা ঝরঝরে হয়।
এদের কণাগুলো বড় হওয়ায় এদের মধ্যে ফাঁকা জায়গা বেশি থাকে এবং এই ফাঁকা স্থানে বেশি পরিমাণে বাতাস থাকে।
বালু মাটি সহজেই পানি শোষণ করতে পারে তবে পানি ধরে রাখতে পারে না।
এজন্য বালুমাটি সহজেই শুষ্ক হয়ে যায়।
বালুমাটিতে জৈব উপাদান সামান্য পরিমাণ থাকে।
ফলে এতে ফসল উৎপাদন ভাল হয় না।
বালুমাটি দানাযুক্ত ও হাতে নিলে এদের অমসৃণ ভাব অনুভূত হয়।
উৎসঃ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি (উন্মুক্ত)।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
প্লাইস্টোসিনকালের সোপানের অন্তর্ভুক্ত মধুপুর ভাওয়ালের গড় এবং বরেন্দ্রভূমি।
উৎসঃ ভূ-প্রকৃতি - বাংলাপিডিয়া এবং ৯ - ১০ম শ্রেণি (ভূগোল ও পরিবেশ)
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
মেসোজোয়িক যুগ শেষ হয় ৬৬ মিলিয়ন বছর পূর্বে, এ যুগের দুটো ভাগ হচ্ছে ট্রায়াসিক এবং ক্রিটেসাস।
মেসোজোয়িক যুগের শেষভাগ "ক্রিটেসাস যুগে"ই আদি মানুষদের আবির্ভাব ঘটে।
এই সময়ের কিছু বৈশিষ্ঠ্যঃ
ক্রেটাসিয়াস অধিযুগের প্রথমার্ধের তাপমাত্রা যথেষ্ঠ উষ্ণ ছিল। ফলে এই সময়ে মেরু অঞ্চলে কোন বরফ ছিল না। এই কারণেই সাধারণ সমতল ভূভাগের বিচারে সমুদ্রের উপরিভাগ বেশ উচ্চ ছিল। অধিকাংশ ভূভাগের উপরিভাগে তখনও সমুদ্রের পানি ছিল। এই জলাভূমিতে সৃষ্টি হয়েছিল বিশাল বনভূমি। মূলত এই অধিযুগে সপুষ্পক উদ্ভিদ ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছিল।
জিওলজিকাল যুগ বিভাজনের সর্বশেষ পর্যায় হচ্ছে সিনোজোয়িক যুগ। যা ৬৫ মিলিয়ন বছর আগে শুরু হয়ে বর্তমান কাল পর্যন্ত বিস্তৃত। আধুনিক মানুষের শ্রেণিটি (Homo Sapiens) - এই সময়ে বিস্তার লাভ করে।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
উৎসঃ ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণী।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
source: britannica
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
Pedology (derived from a Greek word "pedon" which means oil" and "logos' means "study").
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
- ২ পর্বতপার্শ্বস্থ ভূমি।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
- নেপলস থেকে ৯ কিলোমিটার পূর্বে সমুদ্রউপকূলের খুব কাছে এর অবস্থান।
তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
- ভূ-আলোড়নের সময়ে অথবা অন্য কোন প্রাকৃতিক কারণে ভূ-পৃষ্ঠের একটি অংশ যখন হঠাৎ কিছুক্ষণের জন্য কেঁপে উঠে, তখন ভূ-ত্বকের এই কম্পনকে ভূমিকম্প বলা হয়।
- ভূ-গর্ভস্থ যে স্থানে এই কম্পনের সৃষ্টি হয়, তাকে ভূমিকম্পের উৎস স্থল বা কম্পকেন্দ্র বলা হয়।
- ভূ-অভ্যন্তরের যে স্থানে ভূমিকম্পের উৎপত্তি হয় তাকে কেন্দ্র বা Centre বা Focus বলে।
- কেন্দ্র থেকে সোজা উপরের দিকে ভূ-পৃষ্ঠস্থ বিন্দুকে উপকেন্দ্র (Epicentre) বলে।
- সাধারণত ভূ-ত্বকের ৩২ কি.মি. এর মধ্যে ভূমিকম্পের উৎস স্থান থাকলেও কোনো কোনো ক্ষেত্রে গভীরতা আরও বেশি হতে পারে।
• কম্পকেন্দ্র থেকে ভূমিকম্প চারিদিকে ঢেউ এর মত ছড়িয়ে পড়ে।
- ভূমিকম্প কয়েক সেকেন্ড স্থায়ী হয়ে থাকে।
- ভূমিকম্প মাপন যন্ত্রের নাম সিসমোমিটার।
- ভূমিকম্পনের রেখা যে কাগজে অংকিত হয়, তাকে সিসমোগ্রাফ বলে।
উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
- ভূঅভ্যন্তরে আকস্মিক সৃষ্ট কম্পনের ফলে আকস্মিকভাবে ভূমির যে কম্পন হয় তাকে ভূমিকম্প বলা হয়।
- ভূ-অভ্যন্তরের যে স্থানে ভূমিকম্পের উৎপত্তি হয় তাকে কেন্দ্র বলে।
- কেন্দ্র থেকে সোজা উপরের দিকে ভূ-পৃষ্ঠস্থ বিন্দুকে উপকেন্দ্র বলে।
- এই উপকেন্দ্র ভূমিকম্পের তীব্রতা সর্বাধিক হয়ে থাকে।
- ভূমিকম্পের কেন্দ্র ভূ-অভ্যন্তরের প্রায় ১৬-২০ কিলোমিটারের মধ্যে অবস্থিত হয়ে থাকে।
- যে যন্ত্রের সাহাযে ভূমিকম্প পরিমাপ করা হয় তাকে বলা হয় সিসমোগ্রাফ।
- তবে ভূমিকম্পের তীব্রতা নির্ণয় করা হয় রিখটার স্কেলের সাহায্যে।
উৎস: ভূগোল-১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
- ভূ-ত্বকের গড় গভীরতা প্রায় ২০ কিলোমিটার।
- পৃথিবীর উপরিভাগের শক্ত আবরণ ভূ-ত্বক বিভিন্ন ধরনের খনিজ ও শিলা দ্বারা গঠিত।
- ভূ-ত্বক অশ্মমন্ডলেরই উপরিভাগ যার মধ্যে অক্সিজেন ও সিলিকনের পরিমাণ বেশি।
- আজ পর্যন্ত আবিষ্কৃত মোট ১০৫টি মৌলিক উপাদানের মধ্যে ২০টি উপাদান ভূ-ত্বকের প্রায় শতকরা ৯৯.৫ অংশ দখল করে আছে।
- ভূত্বকের গভীরতা সর্বত্র সমান নয়। গ্রানাইট স্তরের গড় গভীরতা ৮ কিলোমিটার।
- ভূ-ত্বক গঠনকারী শিলারাশির ঘনত্ব ২.৭৫ থেকে ৩.০ পর্যন্ত।
তথ্যসূত্র - ভূগোল প্রথম পত্র, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
- আগ্নেয় শিলা
- পাললিক শিলা
- রূপান্তরিত শিলা।
• এদের মধ্যে পাললিক শিলা গঠিত হয় পলি সঞ্চিত হয়ে। পাললিক শিলার বৈশিষ্ট্য সমূহ হলো:
- জীবাশ্ম দেখা যায়
- স্তর লক্ষ্য করা যায়
- পাললিক শিলা নরম, ভঙ্গুর
- সহজেই ক্ষয়প্রাপ্ত হয়।
- বেলেপাথর, চুনাপাথর, কাঁদাপাথর, কয়লা, কেওলিন, শেল প্রভৃতি পাললিক শিলার উদাহরণ।
তথ্যসূত্র:- ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণি।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
- ভূ-ত্বক যেসব উপাদান দ্বারা গঠিত তাদের সাধারণ নাম শিলা।
- ভূ-তত্ত্ববিদগণের মতে, দুই বা ততোধিক খনিজ দ্রব্যের সংমিশ্রণে এসব শিলার সৃষ্টি হয়।
- ভূ-ত্বক গঠনকারী সকল কঠিন ও কোমল পদার্থই শিলা।
- উদাহরণস্বরূপ বলা যায়- নুড়ি, কাঁকর, গ্রানাইট, কাদা, বালি প্রভৃতি শিলা।
• অন্যভাবে বলা যায় যে, এক বা একাধিক খনিজের একত্রিত রূপই হচ্ছে শিলা।
- খনিজের এই মিশ্রণ প্রাকৃতিক অবস্থায় পাওয়া যায়। এক্ষেত্রে প্রতিটি শিলার গঠনকারী খনিজের বৈশিষ্ট্য বজায় থাকে।
- কোনো কোনো শিলা একটি মাত্র খনিজ পদার্থ দিয়েও গঠিত হতে পারে।
- এক্ষেত্রে খনিজ ও শিলা একই পদার্থ। যেমন: কেলসাইট একটি খনিজ এবং শিলা হিসাবে এটি চুনাপাথর।
• শিলার শ্রেণিবিভাগ:
ভূ-ত্বক বিভিন্ন প্রকার শিলা দ্বারা গঠিত এবং প্রত্যেক ধরনের শিলা স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন। কোনো শিলা কাঁদার মত নরম এবং কোনো শিলা গ্রানাইট পাথরের মত শক্ত। সব ধরনের শিলাই প্রাকৃতিকভাবে সৃষ্ট। উৎপত্তি ও গঠনের দিক থেকে শিলাকে তিনভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
ক) আগ্নেয় শিলা: উদাহরণ- গ্রানাইট।
খ) পাললিক শিলা: উদাহরণ-চুনাপাথর।
গ) রূপান্তরিত শিলা: উদাহরণ-মার্বেল।
সূত্র: ভূগোল ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
- পলি সঞ্চিত হয়ে যে শিলা গঠন করে তাকে পাললিক শিলা বলে। যেমন: চুনাপাথর, বেলেপাথর, পাথুরিয়া কয়লা, সৈন্ধব লবণ, খড়িমাটি প্রভৃতি।
- পলল বা তলানি থেকে গঠিত হয় বলে এরূপ শিলাকে পাললিক শিলা বলে।
- এ শিলার পলি সাধারণত স্তরে স্তরে সঞ্চিত হয়। আর স্তরে স্তরে সঞ্চিত হয় বলে এ শিলাকে স্তরীভূত শিলাও বলা হয় ।
- পাললিক শিলা ভূ-ত্বকের মোট আয়তনের শতকরা ৫ ভাগ।
- তবে মহাদেশীয় ভূ-ত্বকের উন্মুক্ত অংশের প্রায় ৭৫ ভাগই পাললিক শিলায় গঠিত।
- পাললিক শিলার প্রধান বৈশিষ্ট্য হচ্ছে স্তরীভূত, জীবাশ্ম বিশিষ্ট, অকেলাসিত, তরঙ্গচিহ্ন ও কোমলতা ইত্যাদি।
- মানুষের দৈনন্দিন জীবনে পাললিক শিলা সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয়।
পাললিক শিলা প্রধানত তিন প্রকার। যথা:
১। যান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় গঠিত পাললিক শিলা। যেমন- বেলেপাথর
২। রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় গঠিত পাললিক শিলা। যেমন- চুনাপাথর এবং
৩। জৈবিক উপায়ে গঠিত পাললিক শিলা। যেমন- বাংলাদেশের জামালগঞ্জের কয়লা ও গোপালগঞ্জের পিট কয়লা।
উৎস: ভূগোল প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
সেক্সট্যান্ট - সূর্য ও অন্যান্য গ্রহের কৌণিক উন্নতি পরিমাপক যন্ত্র।
সিসমোগ্রাফ - ভূমিকম্প নির্ণায়ক যন্ত্র।
ম্যানােমিটার - গ্যাসের চাপ নির্ণায়ক যন্ত্র।
ফ্যাদোমিটার - সমুদ্রের গভীরতা নির্ণায়ক যন্ত্র।
জাইরাে কম্পাস - জাহাজের দিক নির্ণয়ের যন্ত্র।
এনিমোমিটার - বাতাসের গতিবেগ ও শক্তি পরিমাপক যন্ত্র।
ক্রোনােমিটার - সমুদ্রের দ্রাঘিমা নির্ণয়ের যন্ত্র বা সূক্ষ্মভাবে সময় পরিমাপ করার যন্ত্র।
উৎস: ব্রিটানিকা
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
- সিসমোগ্রাফ - ভূমিকম্প নির্ণায়ক যন্ত্র।
- ব্যারােমিটার - বায়ুমন্ডলের চাপ নির্ণায়ক যন্ত্র।
- সেক্সট্যান্ট - সূর্য ও অন্যান্য গ্রহের কৌণিক উন্নতি পরিমাপক যন্ত্র।
- ম্যানােমিটার - গ্যাসের চাপ নির্ণায়ক যন্ত্র।
- ফ্যাদোমিটার - সমুদ্রের গভীরতা নির্ণায়ক যন্ত্র।
- ক্রোনােমিটার - সমুদ্রের দ্রাঘিমা নির্ণয়ের যন্ত্র বা সূক্ষ্মভাবে সময় পরিমাপ করার যন্ত্র।
তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
- উঁচু পার্বত্য অঞ্চলে বা মেরু অঞ্চলে ধীরগতি সম্পন্ন চলমান বিশাল, দীর্ঘস্থায়ী তুষার বা বরফের স্তুপ কে হিমবাহ বলে।
- বিশ্বের বেশিরভাগ হিমবাহগুলি মেরু অঞ্চলে, গ্রীনল্যান্ড, কানাডিয়ান আর্কটিক এবং অ্যান্টার্কটিকার মতো অঞ্চলে বিদ্যমান।
- কিছু পর্বত অঞ্চলে নিরক্ষরেখার কাছাকাছি হিমবাহগুলি উৎপন্ন হয়।
- দক্ষিণ আমেরিকার আন্দিজ পর্বতমালায় বিশ্বের বৃহত্তম গ্রীষ্মমন্ডলীয় হিমবাহ রয়েছে।
- পৃথিবীর সমস্ত জলের প্রায় ২ শতাংশ হিমবাহে হিমায়িত।
তথ্যসূত্র - National Geographic অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
পৃথিবীর আগ্নেয়গিরিসমূহকে প্রধানত তিনটি ভাগে বিভক্ত করা যায়। যেমন:
ক. সক্রিয় আগ্নেয়গিরি,
খ. সুপ্ত আগ্নেয়গিরি এবং
গ. মৃত আগ্নেয়গিরি।
ক. সক্রিয় আগ্নেয়গিরি হলো সেই সব আগ্নেয়গিরি যেখান থেকে এখনও অগ্ন্যুৎপাত হয়।
- সক্রিয় আগ্নেয়গিরি দুই ধরনের। যেমন:
- যে সকল আগ্নেয়গিরি থেকে অবিরত লাভা নির্গত হয় সেগুলো অবিরাম আগ্নেয়গিরি। যেমন: ভূমধ্যসাগরের লিপারী দ্বীপের ট্রম্বলী আগ্নেয়গিরি।
- অন্যদিকে যে সকল আগ্নেয়গিরি থেকে সাময়িকভাবে বন্ধ থাকার পর মাঝে মাঝে অগ্ন্যুৎপাত হয়, তাকে সবিরাম আগ্নেয়গিরি বলে। যেমন: ইতালির ভিসুভিয়াস আগ্নেয়গিরি।
খ. সুপ্ত আগ্নেয়গিরি সমূহ থেকে বহু বছর অগ্ন্যুৎপাত না হলেও যে কোনো সময়ে অগ্ন্যুৎপাত হবার সম্ভাবনা থাকে। যেমন : জাপানের ফুজিয়ামা।
গ. মৃত আগ্নেয়গিরিসমূহ থেকে পুনরায় অগ্ন্যুৎপাত হবার সম্ভাবনা থাকে না। যেমন: পোপো আগ্নেয়গিরি। মৃত আগ্নেয়গিরির জ্বালামুখে বৃষ্টির পানি জমে হ্রদ সৃষ্টি হলে, তাকে আগ্নেয় হ্রদ বলে।
উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
পরামর্শ: লগইন বা ক্রেডিট খরচ ছাড়াই তাৎক্ষণিক পূর্ণ ব্যাখ্যার জন্য Google AI বা Perplexity বেছে নিন।
